বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
Headline :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাস্তহারা দলের রূপনগর থানা আহবায়ক কমিটির সম্মেলন। মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড। গাবতলীতে জুয়া ও মাদক,ওয়ারেন্ট তামিল অভিযান পরিচালনা করে সাজা প্রাপ্তসহ১০ আসামীগ্রেফতার দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধ ড্রেজার আটক, মামলা দায়েরের নির্দেশ। কবিতা কুমারী দেবী, কবি, মুহাম্মদ রাউফুল বরাত বাঁধন ঢালী। রাজাপুর অবৈধ ১৫ টি চায়নাদুয়ারি জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গৌরনদীর টরকী বন্দরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দুই মাস বেতন না দিয়ে রাতের আঁধারে মাল সরানোর অভিযোগ: লালবাগে দা শানিন কর্পোরেশনের শ্রমিকদের বিক্ষোভ। দোয়া কামনা* প্রেস বিজ্ঞপ্তি: 15/04/2026. “ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন—‘আমাকে রক্ত দাও, আমি স্বাধীনতা দেব’। আমিও বলছি—আপনারা আমাকে ঐক্য দিন, আমি আপনাদের অধিকার আদায় করে দেব।” “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা।

দগ্ধ শিশুদের বাঁচানো সেই সাহসিকা নারী শিক্ষিকা মাহরিন চৌধুরী আর নেই!

Reporter Name / ৯৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

স ম জিয়াউর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি :

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিজের শরীর ঝলসে গেলেও শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়া শিক্ষিকা মাহরিন চৌধুরী (৪২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতকাল সোমবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

মাহরিন চৌধুরীর ভাই মুনাফ মুজিব চৌধুরী নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে বোনের মৃত্যুসংবাদ জানিয়ে লেখেন, “মাহরিন আপু আর আমাদের মাঝে নেই। আমার বড় বোন, যিনি আমাকে মায়ের মতো করে বড় করেছেন।”

জানা যায়, গতকাল দুপুরে বিমানটি বিধ্বস্তের সময় স্কুল থেকে বের হচ্ছিলেন কো-অর্ডিনেটর মাহরিন। আগুনে দগ্ধ হলেও তিনি বাচ্চাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সচেষ্ট ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ মৃত্যুর পরও ধামাচাপা – প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত পরিবার

মাহরিনের স্বামী মনসুর হেলাল গণমাধ্যমকে বলেন, “ওর পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব পুড়ে গেছে। আমার মনে হয় ১০০ শতাংশ দগ্ধ। তবু লাইফ সাপোর্টে নেয়ার আগে সে আমাকে বলেছে: ও বের হচ্ছিল স্কুল ছুটি শেষে, তখনই বিমানটি পড়ে। ও নিজে দগ্ধ হয়েও বাচ্চাদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছে।”

পরে মাহরিন চৌধুরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মারা যান।

মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলেন, মাহরিন ছিলেন শিশুদের অত্যন্ত প্রিয়মুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category