বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
Headline :
বুয়েট থেকে পাস করে, ৩৪তম বিসিএস-এর ক্যাডার এবং জনতা ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে প্রাথমিকের শিশুদের পড়ানো সেই নায়লা শারাফ সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন! আগেকার শিক্ষক ও বর্তমান শিক্ষক, আগেকার ছাত্র ও বর্তমান ছাত্র সময় বদলেছে, বদলেছে শিক্ষা—বদলেছে কি মূল্যবোধ?৷ নেত্র‌কোণা জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা- ২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা সম্পন্ন,, বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলার ডিবি (দক্ষিণ) কর্তৃক ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার- আমি আপনাদের সেবক হতে চাই, চেয়ারম্যান নয়’: মেহের উত্তরে লোকমান হোসেন মুন্সীর উন্নয়ন অঙ্গীকার সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এতিম ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিলাদ মাহফিল বীরগঞ্জের সাহাডুবীতে দুর্গোৎসব ঘিরে উৎসবের আমেজ দেবিদ্বার উপজেলার ৭ নং এলাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ খান। কুড়িগ্রামে বিএনপির কমিটিতে দুই প্রধান শিক্ষকসহ ছয় সরকারি চাকরিজীবী সরকারি চাকরিবিধি ও দলীয় গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের অভিযোগ। মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন গ্রেফতার

সম্পাদকীয়: দেশের জনগণের কাছে আস্থা অর্জন করা সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে

Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

সম্পাদকীয়: দেশের জনগণের কাছে আস্থা অর্জন করা সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে

*মোঃ আবুল হাসেম, প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বাংলার সংবাদ ও চেয়ারম্যান, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ইনভেস্টিগেটর কাউন্সিল*

দেশের জনগণের কাছে আস্থা অর্জন করা যে কোনো সরকারের প্রধান দায়বদ্ধতা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার যদি জনগণের আস্থা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই সরকারের নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

আমরা ইতিহাস থেকে দেখেছি, যখনই কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-নেতৃত্ব দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত থাকে, তখনই সেই দল বা রাষ্ট্রের পরিচালকদের থেকে দেশের সাধারণ মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়। জনগণ কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না, সাময়িকভাবে চুপ থাকলেও সময় মতো তার জবাব দেয়।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সরকার গঠিত হয় জনগণের সরাসরি ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে। জনগণই রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার উৎস। সুতরাং সরকারের প্রতিটি কার্যক্রম হতে হবে জনবান্ধব, জনকল্যাণমুখী। কিন্তু এর কার্যক্রম যদি হয় জনগণ বিরোধী, গণবিরোধী ও দুর্নীতিগ্রস্ত, তখনই সরকারের বিতর্কিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন, গণ-অসন্তোষ ও প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। এটি একটি স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

বর্তমান প্রেক্ষাপট অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখছি প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি ও অনিয়ম বাসা বেঁধেছে। একটি মহল সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবে দুর্নীতি করে যাচ্ছে।

তাই বর্তমান সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো — বিতর্কিত, দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত থাকা লোকদের তালিকা করে পর্যায়ক্রমে তাদেরকে বাদ দেওয়া বা আইনের আওতায় আনা। এটি এখন সময়ের দাবি। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে পারলেই জনগণের আস্থা ফিরে আসবে।

আমরা বিশ্বাস করি, সরকার যদি কঠোর হাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়, তাহলে জনগণ আবার সরকারের উপর আস্থা রাখবে। কারণ এদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, তারা উন্নয়ন চায়, সুশাসন চায়।

তাই এখন সরকারের পক্ষে জনগণের কাছে আস্থা অর্জন করা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। সদিচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব।


More News Of This Category