বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
Headline :
সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সব পদক্ষেপ নেবে সরকার এমপি মিলন দিনাজপুরে উদ্ধার হওয়া ৩২ কেজি ওজনের প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তর ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন

গীতাঞ্জলি কে লিখেছে? — আমি লিখেছি, আমার ভাই সহযোগিতা করছে!” মিথ্যার নাটক আর কত?

Update : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

“গীতাঞ্জলি কে লিখেছে? — আমি লিখেছি, আমার ভাই সহযোগিতা করছে!”
মিথ্যার নাটক আর কত?**

মো আকবর হোসেন ফাইটন চেয়ারম্যান নতুন বাংলা সাধারণ জনতার জোট

এক বছর ধরে যে ব্যক্তি নিয়মিত ডিম-চাউলসহ খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করেছে,
হঠাৎ করেই সে “চাঁদাবাজ”!
বিগত সরকারের সময় বিশেষ সম্মাননা পদক পেয়েছেন ড. কামরুল ইসলাম, তার চতুর্পাশে ছিল আওয়ামী সিন্ডিকেট, পোষ্টারে ব্যানারে হাসপাতালের মনিটরিং স্কিন ছিল শেখ হাসিনার জয় জয়কার।
আওয়ামী ট্যাক থেকে বাঁচার জন্য স্থানীয় বিএনপি ও জামাত নেতাদের আশ্রয় নিয়ে এখন আবার তাদের কে চাঁদাবাজ বানানো গল্প দিয়ে পুরাতন সেন্টিগ্রেড পু:বাসন।
প্রশ্ন উঠবেই—
এতদিন ভালো ছিল, আজ হঠাৎ খারাপ কেন?
নাকি সত্য আড়াল করতে নতুন গল্প লেখা হচ্ছে?
ড. কামরুল ইসলামের হাসপাতাল—
মানুষ যা ভাবে তা নয়, বাস্তবে এটি একটি সিন্ডিকেট-নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যকেন্দ্র।

একসাথে ১০–১৫ রোগী দেখা

সরাসরি রেফার—নিজস্ব টেস্ট, ল্যাব, ফার্মেসি
আইসিইউ, অপারেশন, ওষুধ—সবকিছুতেই বাণিজ্য

এটি একটি অর্থনৈতিক চক্র।
একজন রোগী = ১৫–২০ লক্ষ টাকার খরচ করতে হবে।
একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করে,
কিন্তু চিকিৎসা শেষে বের হয় নিঃস্ব হয়ে।

জমি বিক্রি করতে হয়

ধার করতে হয়

অনেক ক্ষেত্রে ভিক্ষা করতেও বাধ্য হয়

একটি মানুষকে আর্থিকভাবে ধ্বংস করার প্রক্রিয়া।

“ফ্রি চিকিৎসা”—প্রচার না বাস্তবতা?
ফ্রি চিকিৎসার গল্প প্রচুর শোনা যায়,
কিন্তু বাস্তবে তার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না।

আমরা স্পষ্টভাবে বলছি—
কেউ যদি প্রকৃত অর্থে ফ্রি চিকিৎসার প্রমাণ দিতে পারেন, তাকে পুরস্কৃত করা হবে।
রাজনীতি দিয়ে ঢাল—চরিত্রহননের কৌশল
গতকাল এক রাজনৈতিক ছায়ায়,
আজ আরেক রাজনৈতিক আশ্রয়ে—

এটি পরিকল্পিত প্রতারণা ও চরিত্রহনন।

এই ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়—
একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে, বিশেষ করে বিএনপিকে, জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা চলছে।

এটি শুধুমাত্র একটি দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার নয়,
বরং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা।

সত্যকে চিরদিন চাপা রাখা যায় না।

মিথ্যার দেয়াল একসময় ভেঙে পড়বেই।
আর যখন সত্য প্রকাশ পাবে

অনেক মুখোশ একসাথে উন্মোচিত হবে।


More News Of This Category