শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
Headline :
১৫ নভেম্বরের মধ্যেই মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট লাগানো বাধ্যতামূলক পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের নীলাভূমি নাগেশ^রীর ডাকনিরপাট পদ্মবিল প্রথম স্ত্রীর কথা জানার পরিণতি, পরিকল্পিত হত্যার শিকার শিকলবাহার জান্নাতুল পানছড়িতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল মহপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ বিয়ের আগের দিনই বরের মৃত্যু: গাইবান্ধায় আনন্দ ঘেরা দুই পরিবারে হঠাৎ শোকের ছায়া কালভার্ট আছে, সড়ক নেই: নীলফামারীতে দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষের চরম ভোগান্তি রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। বীরগঞ্জে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে ফুলছড়িতে হাজারো মানুষের মানববন্ধন।

Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট এলাকায় স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, শিক্ষার্থীসহ নদী অববাহিকার হাজারো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট ফেরি রুট উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় এবং যমুনা নদীর নাব্য সংকটের কারণে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ সংযোগ সেতু নির্মিত হলে রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের যোগাযোগ সহজ হবে। একই সঙ্গে চরাঞ্চল ও পিছিয়ে পড়া জনপদের কৃষি, বাণিজ্য, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

তারা দাবি করেন, এ অঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি হলো যমুনা নদীর এ অংশে একটি সেতু অথবা টানেল নির্মাণ। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এ গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে চরাঞ্চলসহ সমগ্র জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


More News Of This Category