এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
দেশের রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কঠোর নির্দেশ উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের সর্বোত্র এলপি গ্যাসের দাম সিমাহীন বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ব্যবহার কারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসাধির দাম বৃদ্ধির সাথে এলপি গ্যাসের দাম ও অনেক গুন বেড়ে যাওয়ায় দুর্নাম সহ জনসাধারণের ক্ষোভ ও হতাশার মুখে পড়তে হয়েছিলো সরকারকে। কিন্তু, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে আশা জাগানিয়া ছিলো যে, এবার জিনিসাধির দাম কমবে। বাস্তবে কিন্তু তার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। তবে, তুলনা মুলক ভাবে অন্যান্য জিনিস পত্রের দাম কিছু টা স্থিতিশীল থাকলে ও বাসা/বাড়ি-ঘরে অধিক প্রয়োজনীয় বস্তু এলপি গ্যাসের দাম অনেক টা বেড়ে গিয়ে ব্যবহার করতে হিমসীম খাওয়াচ্ছে মানুষকে। গুগলে চার্জ দিয়ে দেখা যায়- বাংলাদেশে বর্তমানে ১২ কেজি এলপিজি (LPG) গ্যাস সিলিন্ডারের দাম মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী ১,৩৪১ টাকা (বেসরকারি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির সিলিন্ডার ৭৭৬.৯৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। বসুন্ধরা, ওমেরা, বেক্সিমকো সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম সরকারি ভাবে ওই রকম নির্ধারণ করে দেয়ার কথা জানা গেলে ও বাস্তবে তার বালা-ই নেই।
বর্তমান বাজারে ১২ কেজির এলপি গ্যাসের দাম রাখা হচ্ছে- ১,৫৮০ টাকা থেকে ১,৬৮০ টাকা পর্যন্ত।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার থেকে পাওয়া তথ্যে ওই রকম ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডারের দাম রাখার কথা জানা গেছে।
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই-সীতাকুন্ড উপজেলার কয়েকটি বাজারে সরেজমিনে ওই তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। মীরসরাই উপজেলার বড় এবং পাইকারি বাজার খ্যাত বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে গিয়ে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে ওই রকম দাম রাখার সত্যতা পাওয়া যায়।
মীরসরাই উপজেলার চিনকীরহাট বাজারের মোহাম্মদ আলা উদ্দিন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা এবং সরবরাহ কারী হিসেবে দোকানে বিক্রি করা ছাড়া ও বিভিন্ন জনের বাসা/বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার এর পৌঁছে দেয়।
গতকাল একাধিক ক্রেতা সাধারণ ওই আলা উদ্দিন এর কাছ থেকে ওমেরা এবং ওই ক্যাটাগরি প্রতি গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল কিনতে গেলে ১,৬৮০ টাকা দাম হাঁকে। পরে তা ৩০ টাকা কমিয়ে ১,৬৫০ টাকা রাখে। অন্য ক্রেতা Ay Gaz (আই গ্যাস) বোতল কিনতে চাইলে দাম হাঁকে ১,৫৮০ টাকা। পরে তা থেকে ৩০ টাকা কমিয়ে রাখে ১,৫৫০ টাকা। অনুরুপ আরো কয়েকটি দোকানে ও এক- ই অবস্থা বলে পাওয়া অভিযোগে প্রকাশ।
এখন অনেকের কাছে জানার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, সরকার নির্ধারিত দাম গেলো কোথায়? আর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কঠোর নির্দেশনা ও বা গেলো কোথায়?
এ সব বিষয়ে স্থানীয় এমপি’র দেখভালো এবং প্রশাসনের মনিটরিং থাকার দরকার হলে ও তার কিছু-ই নেই!