বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
Headline :
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ দেবিদ্বার উপজেলার ৭ নং এলাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ খান

আইনের মারপ্যাঁচ বনাম সাংবাদিকের কলম: ‘স্যার’ ডাকার গোলামি কি বাধ্যতামূলক?।

Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

বিশেষ সম্পাদকীয় |

“প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” — বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ম অনুচ্ছেদের এই অমর বাণী কি আজ কেবল কিতাবেই সীমাবদ্ধ? যখন একজন ম্যাজিস্ট্রেট বা আমলা একজন সাংবাদিককে ‘অরেঞ্জ নাই’ বা ‘কথা বলতে পারবে না’ বলে ধমক দেন, তখন প্রশ্ন ওঠে—আমরা কি স্বাধীন দেশের নাগরিক নাকি আমলাতন্ত্রের প্রজা?

⚖️ আইনের ধাঁধা: কোথাও নেই ‘স্যার’ বলার বাধ্যবাধকতা

প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আইনের ভয় দেখান। কিন্তু সত্য এই যে:

সংবিধানের কোথাও নেই: বাংলাদেশের সংবিধানে কোথাও কোনো নাগরিক বা সাংবাদিকের জন্য সরকারি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন করা বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

সেবক বনাম প্রভু: ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি (Penal Code) অনুযায়ী তারা ‘Public Servant’ বা জনগণের সেবক। সেবককে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করা কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, বরং এটি ব্রিটিশ আমলের দাসত্বের অবশিষ্টাংশ।

সাংবাদিকের মর্যাদা: সাংবাদিক প্রশাসনের কোনো বেতনভুক্ত কর্মচারী নন। সাংবাদিকের প্রটোকল আর প্রশাসনের প্রটোকল এক নয়।

🖋️ সাংবাদিকতা কি অপরাধ?

আইনের অজুহাত দিয়ে সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা একটি পুরনো কৌশল। কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি উদ্ধত আচরণ করেন, তবে সাংবাদিকের অধিকার আছে সেই আচরণের প্রতিবাদ করার এবং তা জনসমক্ষে তুলে ধরার। সাংবাদিক যখন প্রশ্ন করেন, তিনি ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে প্রশ্ন করেন। তাকে থামিয়ে দেওয়া মানে জনগণের কণ্ঠরোধ করা।

“সম্মান অর্জনের বিষয়, আদায়ের বিষয় নয়। চেয়ারের দাপট দেখিয়ে ‘স্যার’ ডাকানো যায়, কিন্তু মানুষের শ্রদ্ধা পাওয়া যায় না।”

💥 আইজিপি বা প্রশাসনের উচ্চপদস্থদের ক্ষেত্রে নীতি

প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্মান জানানো শিষ্টাচার, কিন্তু সেই সম্মান যদি একপাক্ষিক হয় এবং সাংবাদিককে নিগৃহীত করা হয়, তবে সেই প্রটোকল সাংবাদিকরা মানতে বাধ্য নন। একজন সাংবাদিকের নীতি হলো—”সবার সাথে সৌজন্য, কিন্তু কারো কাছে দাসত্ব নয়।”

📢 আমাদের সাফ কথা:

১. সাংবাদিক কোনো অপরাধী নন: কলিং অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ভিডিও করা কোনো অপরাধ নয়, বরং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যম।

২. আচরণগত সংস্কার: ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মনে রাখতে হবে, জনগণের টাকায় তাদের বেতন হয়। দাম্ভিকতা পরিহার করে পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।

৩. কলমের শক্তি: সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশে পিছপা হবে না। কলম যার অস্ত্র, কোনো পদের দাপট তাকে থামাতে পারবে না।

উপসংহার:

আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সাংবাদিকরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কিন্তু কোনো ব্যক্তির অহংকারের কাছে নতজানু নয়। ৫৩ নং ওয়ার্ড হোক কিংবা জাতীয় পর্যায়—অবিচারের বিরুদ্ধে ‘দৈনিক জাতীয় পতাকা’র কলম চলবেই।

“দাসত্ব নয়, পেশাদারিত্ব চাই; আমলাতন্ত্রের দাপট নয়, জনগণের শাসন চাই!”আইনের মারপ্যাঁচ বনাম সাংবাদিকের কলম: ‘স্যার’ ডাকার গোলামি কি বাধ্যতামূলক?

বিশেষ সম্পাদকীয় | দৈনিক জাতীয় পতাকা

“প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” — বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ম অনুচ্ছেদের এই অমর বাণী কি আজ কেবল কিতাবেই সীমাবদ্ধ? যখন একজন ম্যাজিস্ট্রেট বা আমলা একজন সাংবাদিককে ‘অরেঞ্জ নাই’ বা ‘কথা বলতে পারবে না’ বলে ধমক দেন, তখন প্রশ্ন ওঠে—আমরা কি স্বাধীন দেশের নাগরিক নাকি আমলাতন্ত্রের প্রজা?

⚖️ আইনের ধাঁধা: কোথাও নেই ‘স্যার’ বলার বাধ্যবাধকতা

প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আইনের ভয় দেখান। কিন্তু সত্য এই যে:

সংবিধানের কোথাও নেই: বাংলাদেশের সংবিধানে কোথাও কোনো নাগরিক বা সাংবাদিকের জন্য সরকারি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন করা বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

সেবক বনাম প্রভু: ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি (Penal Code) অনুযায়ী তারা ‘Public Servant’ বা জনগণের সেবক। সেবককে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করা কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, বরং এটি ব্রিটিশ আমলের দাসত্বের অবশিষ্টাংশ।

সাংবাদিকের মর্যাদা: সাংবাদিক প্রশাসনের কোনো বেতনভুক্ত কর্মচারী নন। সাংবাদিকের প্রটোকল আর প্রশাসনের প্রটোকল এক নয়।

🖋️ সাংবাদিকতা কি অপরাধ?

আইনের অজুহাত দিয়ে সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা একটি পুরনো কৌশল। কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি উদ্ধত আচরণ করেন, তবে সাংবাদিকের অধিকার আছে সেই আচরণের প্রতিবাদ করার এবং তা জনসমক্ষে তুলে ধরার। সাংবাদিক যখন প্রশ্ন করেন, তিনি ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে প্রশ্ন করেন। তাকে থামিয়ে দেওয়া মানে জনগণের কণ্ঠরোধ করা।

“সম্মান অর্জনের বিষয়, আদায়ের বিষয় নয়। চেয়ারের দাপট দেখিয়ে ‘স্যার’ ডাকানো যায়, কিন্তু মানুষের শ্রদ্ধা পাওয়া যায় না।”

💥 আইজিপি বা প্রশাসনের উচ্চপদস্থদের ক্ষেত্রে নীতি

প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্মান জানানো শিষ্টাচার, কিন্তু সেই সম্মান যদি একপাক্ষিক হয় এবং সাংবাদিককে নিগৃহীত করা হয়, তবে সেই প্রটোকল সাংবাদিকরা মানতে বাধ্য নন। একজন সাংবাদিকের নীতি হলো—”সবার সাথে সৌজন্য, কিন্তু কারো কাছে দাসত্ব নয়।”

📢 আমাদের সাফ কথা:

১. সাংবাদিক কোনো অপরাধী নন: কলিং অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ভিডিও করা কোনো অপরাধ নয়, বরং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যম।

২. আচরণগত সংস্কার: ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মনে রাখতে হবে, জনগণের টাকায় তাদের বেতন হয়। দাম্ভিকতা পরিহার করে পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।

৩. কলমের শক্তি: সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশে পিছপা হবে না। কলম যার অস্ত্র, কোনো পদের দাপট তাকে থামাতে পারবে না।

উপসংহার:

আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সাংবাদিকরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কিন্তু কোনো ব্যক্তির অহংকারের কাছে নতজানু নয়। ৫৩ নং ওয়ার্ড হোক কিংবা জাতীয় পর্যায়—অবিচারের বিরুদ্ধে ‘দৈনিক জাতীয় পতাকা’র কলম চলবেই।

“দাসত্ব নয়, পেশাদারিত্ব চাই; আমলাতন্ত্রের দাপট নয়, জনগণের শাসন চাই!”


More News Of This Category