শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline :
নির্বাচনী পরবর্তী বিএনপির কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বাস্তহারা দলের মতবিনিময় সভা নিউইয়র্ক গভর্নর পদে হকুলের রানিং মেট অ্যাড্রিয়েন অ্যাডামস মসজিদে মসজিদে তারাবি, বুধবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রোজা শুরু বাঙালির আবেগের মাস, ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি আত্মশুদ্ধির মহামাস রমজান, প্রস্তুতি, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির দিগন্ত হোয়াইক্যং ইউনিয়ন উত্তর শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ রূপগঞ্জে বিএনপি নেতার নির্দেশে চাঁদা না দেওয়ায় শিল্প কারখানায় সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, আহত ২” চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ অর্থসহ আটক ০১ বান্দরবানে গরু চুর ধরতে গিয়ে জিয়া মঞ্চের যুগ্নআহবায়ক এর উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন দেশনায়ক তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাবের শুভেচ্ছা

বাঙালির আবেগের মাস, ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি’— ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে বাঙালির ভাষার মাস। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকার রাজপথে জীবন উৎসর্গ করার মধ্যদিয়ে বাঙালি তার ভাষাভিত্তিক পরিচয় লাভ করে।খবর আইবিএননিউজ ।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের স্মৃতি স্মরণের মাস এ ফেব্রুয়ারি। বাঙালির কাছে এ মাস ভাষার মাস, দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার মাস। তাই বাঙালি জাতি পুরো ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে ভালোবাসা জানায় ভাষাশহীদদের প্রতি।

তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয়।

ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে বিভিন্ন কর্মসূচি। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে সারা মাসজুড়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।

তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রমজানসহ বিভিন্ন ইস্যুতে এবার ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে হয়নি অমর একুশে বইমেলা।

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে জানা যায়, পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল, গণপরিষদের সভাপতি ও মুসলিম লিগের সভাপতি মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভায় বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ভাষা হবে উর্দু, অন্য কোনো ভাষা নয়।’ কার্জন হলে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার কথা বলার পর কয়েকজন ছাত্র ‘না’ ‘না’ বলে চিৎকার করে প্রতিবাদ করেছিলেন, যা জিন্নাহকে অপ্রস্তুত করেছিল। এ ঘটনার পর জিন্নাহকে একটি স্মারকলিপিও দিয়েছিল একদল ছাত্র। এতে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়। সেই শুরু হয় রাষ্ট্রভাষার দাবিতে আন্দোলন। দীর্ঘ এ আন্দোলন ১৯৪৭ থেকে চলতে থাকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত।

বাংলা ভাষার সমমর্যাদার দাবিতে পূর্ব বাংলায় আন্দোলন ক্রমে দানা বেঁধে ওঠে। আন্দোলন দমনে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা শহরে মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এ আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুসংখ্যক ছাত্র ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী মিলে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছাকাছি এলে পুলিশ ১৪৪ ধারা অবমাননার অজুহাতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে নিহত হন সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ নাম না জানা আরো অনেকে। তাদের এ আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পায় মাতৃভাষার মর্যাদা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category