বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
Headline :
মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড। গাবতলীতে জুয়া ও মাদক,ওয়ারেন্ট তামিল অভিযান পরিচালনা করে সাজা প্রাপ্তসহ১০ আসামীগ্রেফতার দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধ ড্রেজার আটক, মামলা দায়েরের নির্দেশ। কবিতা কুমারী দেবী, কবি, মুহাম্মদ রাউফুল বরাত বাঁধন ঢালী। রাজাপুর অবৈধ ১৫ টি চায়নাদুয়ারি জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গৌরনদীর টরকী বন্দরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দুই মাস বেতন না দিয়ে রাতের আঁধারে মাল সরানোর অভিযোগ: লালবাগে দা শানিন কর্পোরেশনের শ্রমিকদের বিক্ষোভ। দোয়া কামনা* প্রেস বিজ্ঞপ্তি: 15/04/2026. “ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন—‘আমাকে রক্ত দাও, আমি স্বাধীনতা দেব’। আমিও বলছি—আপনারা আমাকে ঐক্য দিন, আমি আপনাদের অধিকার আদায় করে দেব।” “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি: 15/04/2026. “ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন—‘আমাকে রক্ত দাও, আমি স্বাধীনতা দেব’। আমিও বলছি—আপনারা আমাকে ঐক্য দিন, আমি আপনাদের অধিকার আদায় করে দেব।” “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা।

গোবিন্দগঞ্জে এলজিইডি’র IPCP প্রকল্পে তপসিয়া খাল উন্নয়ন নামের অর্থ আত্মসাৎ চক্রান্ত, প্রকল্প বন্ধের দাবি

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডি’র (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) IPCP (দ্বিতীয় সংশোধিত পুকুর খাল উন্নয়ন প্রকল্প) কর্মসূচির আওতায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের কোটি টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুল হক এই প্রকল্পে অর্থ অপচয় ও দুর্নীতির সাথে জড়িত। প্রকল্পটির মাধ্যমে তপসিয়া খাল উন্নয়ন করার কথা থাকলেও প্রকল্পের প্রস্তাব গ্রহণের পর এতে ৪ কিলোমিটার খাল খননের দাবি তুলে ৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে, যদিও প্রকৃতপক্ষে খননকৃত অংশ মাত্র ১.৩ কিলোমিটার।

এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন, প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই হবে না। প্রকল্পের ব্যয়ের সঙ্গে কাজের পরিমাণের বৈষম্য স্পষ্টভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ২৪ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ১.৩ কিলোমিটার খনন কাজ হলেও, প্রকল্পের ব্যয়ের পরিমাণ ৩ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।

এদিকে, প্রকল্পের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় দেওয়ানতলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি পুনতাইড় খাল খননের কার্যক্রম শুরু করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। পুনতাইড় খাল খননের জন্য প্রস্তাবিত ব্যয় মাত্র ৪৫ লক্ষ টাকা এবং এটি প্রকৃতপক্ষে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

এলাকা বাসীর দাবি, তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পটি অবিলম্বে স্থগিত করে সরকারের অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানো উচিত। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্পটি পুনঃমূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছে।

এলাকার জনগণের দাবি:
এলাকার মানুষের দাবি, দ্রুত প্রকল্পটির পুনঃমূল্যায়ন করে প্রকৃতপক্ষে যে খালগুলোর উন্নয়ন প্রয়োজন, সেখানে সঠিকভাবে অর্থ ব্যয় করা হোক। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category