শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
Headline :
মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব ভয়াবহ দুর্যোগেও হাটহাজারীতে গুলি ও কুপিয়ে একজনকে হত্যা, গ্রেফতার-১ চরভদ্রাসনে ইয়াবা সেবনকালে অভিযান, একাধিক মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার নওগাঁয় সমিতির টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রাহকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মোঃ সারোয়ার হোসেন অপু নওগাঁ। ময়মনসিংহে ডিবির পৃথক অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহা পরিচালক কবি “রেজাউদ্দিন স্টালিন” এর হাত থেকে গুণীশিল্পী সম্মাননা পেলেন ঝালকাঠির বাউল ছালমা। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে: শফিকুর রহমান সড়কের বেহাল দশায় চরম জনদুর্ভোগ, দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর আমতলীতে জমি-জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেড়ে অর্ধশতাধিক ফলন্ত কলাগাছ কেঁটে নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা মাইনুল ইসলাম রাজু নওগাঁর বদলগাছীতে ৭ মাদক সেবীর কারাদণ্ড ও জরিমানা মোঃ সারোয়ার হোসেন অপু

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল ) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার মহোৎসব। নদনদী, খালবিল ও ডোবা জলাশয়ে পানি উঠার সাথে সাথে ছেয়ে গেছে শতশত চায়না জালে।

চায়না জালকে একটা ফিক্সড ইঞ্জিন বলা হয়। এই জালে ছোট-বড় সব মাছই ধরা পড়ে। বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতির মাছগুলো বেশি আটকে এই চায়না জালে। এটি জলজ উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। চায়না জাল খাল-বিল, জলাশয়, ডোবা ও নদীতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালবিলে সারিবাঁধা প্রতিটি চায়না জালে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ছোট বড় সব ধরনের মাছই জালে আটকা পড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর সামান্য কিছু হলেও এলাকার বাজার গুলোতে দেশীয় মাছ দেখা যেতো কিন্তু এবছর বর্ষা শুরু হতে না হতেই সব মাছ চায়না জাল দিয়ে ধরা হচ্ছে। এ ভাবে ছোট বড় সব ধরনের মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবেনা বলেও তারা জানান।

বিশিষ্টজনের মতে, শুধু খাল-বিলের চায়না জাল ধংস করলেই হবেনা, আগে বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে তবেই এর ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে।

এবছর উপজেলার হাওদা বিলে অভিযান পরিচালনা করলেও আর কোথাও অভিযান পরিলক্ষিত হয়নি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এখন পর্ষন্ত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে উপজেলার চারিদিকে চায়না জালে সয়লাব হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয় লোকজন। বিশেষ করে কাকরাইদ হয়ে ধলঘাটে বংশাই নদীতে মিশে যাওয়া গুজাখালে শতশত চায়না জাল রয়েছে। একএকজনের ৪টি থেকে ৮টি পর্ষন্ত চায়না জাল রয়েছে। এছাড়াও থলথাট হতে টিকরী পর্ষন্ত বংশাই নদীর দুপারে প্রায় কয়েকশো জাল রয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গাহরী গ্রামের তুলাচাপড়া বিল, আকাশী ভান্ডারগাতী রোডের মাঝখানের জলাশয়, কুড়ালিয়া গ্রামের গাবা চড়া, কুড়ালিয়া আটাপাড়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে, পৌর শহরের পুন্ডুরা কুমুরিয়া বিলে প্রচুর চায়না জাল রয়েছে। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই চায়না জাল ধংস করতে না পারলে ভবিষ্যতে সব ধরনের দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঘটবে। এব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সহিত কথা বললে তিনি জানান, পর্যায় ক্রমে সকল জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।


More News Of This Category