শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
Headline :
নওগাঁয় বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা ও ৪১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ​নওগাঁ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলার সংবাদ: রূপসায় এমপি আজিজুল বারী হেলাল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের কল্যাণ, উন্নয়ন ও আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার রাজনীতির পথ দেখিয়েছিলেন মোঃ সোহেল রানা, ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ। তিস্তা পাড়ে পরিকল্পিত ড্রেজিং ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করবে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন তিন মন্ত্রী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ শিশু নন্দিনী হত্যা পুলিশের দুই মামলায় গ্রেপ্তার ১০, কয়েকটি গ্রামে গ্রেপ্তার আতংক আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ তেতুলতলা এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রতিনিধি: মোঃ আনোয়ার হোসেন বান্দরবানের প্রবীণ সাংবাদিক মূসা ফারুকীর রোগমুক্তি কামনায় কোট মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত মোহাম্মদ আকাশবান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: স্বামীর প্রতারনা অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসা করাতে লালমনিরহাট হাসপাতালে ভারতীয় নারী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় ইন্টারনেট সংযোগ নামে অনিয়ম স্টাফ রিপোর্টার, তিস্তা ব্যারাজ ও ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শনে আজ লালমনিরহাট যাচ্ছেন ৩ মন্ত্রী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতেই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। ১৯ জুন(শুক্রবার) সকালে হওয়া এ বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ছুটির দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে। অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।

ফ্যাসিস্টদের ভুত এখনো পানছড়িতে, মনগড়া বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহক

আরিফুল ইসলাম মহিন, প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি :
Update : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

আরিফুল ইসলাম মহিন, প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ির জেলার পানছড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাপক অনিয়ম, মিটার রিডিং এর তুলনায় অধিক বিল নিয়ে জনমনে অসন্তোষ ও বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়তই অভিযোগ, টাকা হলেই মিলে বিদ্যুৎ টান্সফরমার ও বিদ্যুৎ সংযোগ। টাকার অভাবে সদর সংলগ্ন ফাতেমা নগরে পায়নি বিদ্যুৎ । ফ্যাসিস্টদের ভুত এখনো পানছড়িতে।

রবিবার ( ২০ জুলাই ) সকাল ১০ টায় পানছড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাপক অনিয়ম, মিটার রিডিং এর তুলনায় অধিক বিল নিয়ে অসন্তুোষ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে পানছড়ি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ ঘেরাও করে।

হিসাব মতে, পানছড়ি বিউবো-র আওতায় সরকারি বেসরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , ক্ষুদ্র শিল্প, বানিজ্যিক ও আবাসিক গ্রাহক সহ প্রায় ১৫ হাজার। বিদ্যুৎ সরবরাহকৃত এলাকা সমুহের মধ্যে পানছড়ি সদর সহ দুধক ছড়া, লোগাং, জগত মোহন পাড়া, তারাবন, চেঙ্গী, দমদম অক্ষয়পাড়া, লতিবান,পাইয়্যং পাড়া, মরাটিলা,

আরও পড়ুনঃ বান্দরবানের লামায় এনসিপি কে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত

মাটিরাঙ্গা উপজেলার যামিনী পাড়া,তাইন্দং, তানৈক্য পাড়া, নোয়াপাড়া সহ বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সাথে কথা বললে, মিটার না দেখে রিডিংয়ের অতিরিক্ত বিল, নতুন সংযোগে অতিরিক্ত টাকা, অবৈধ সংযোগ, সহকারী প্রকৌশলী মীর চঞ্চল আলীর নিজস্ব বাহিনীর হুমকি দমকি সহ গ্রাহকদের নানা ভোগান্তির কথা উঠে আসে।

অস্থায়ী শ্রমিক মিটার রিডার উজ্জয়ন চাকমা সহ কয়েকজন বলেন, আমরা সঠিক মিটার রিডিং অফিসে জমা দিলেও অফিস থেকে রিডিং বাড়িয়ে দেয়। তাতে আমাদের করার কিছু থাকে না।

আরও পড়ুনঃ মানিকছড়ি সোহেল হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মংসানুসহ ৭ জনকে আটকে সক্ষম হয়েছে যৌথবাহিনী

সহকারী প্রকৌশলী মীর চঞ্চল আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে বলেন, এটা অতিরিক্ত বিল করা হয়েছে। সিস্টেম লস কমানোর জন্য এমন হয়েছে। সরকারী এমন কোন নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে বলেন, ” না এমন কোন নিয়ম নাই।”

উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার প্রদীপ ত্রিপুরা জানায়, বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়মের সুরাহা না পেয়ে কিছুদিন আগেও মরাটিলায় গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল আসায় জনসাধারণ কর্তৃক পানছড়ি বিদ্যুৎ অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মীর চঞ্চল আলী সহ ০৪ জনকে পিটিয়ে আহত করে।

তানৈক্য পাড়ায় নতুন সংযোগ গ্রহনকারী কবির আহাম্মদ, ছায়েদ আলী,এমরান সহ ৬/৭ জনের সাথে কথা হয়। তারা জানান, বৈদ্যুতিক তার আনুষাঙ্গিক মালামাল কিনে দেয়। কাজের শ্রমিক খরচ ছাড়াও শুধু সরকারী প্রি পেইড কার্ড মিটার, সংযোগ আবেদন , ইস্টিমিট জমা বাবদ নেওয়া হয়েছে ১২ হাজার টাকা।

আরও পড়ুনঃ ময়মনসিংহে জুলাই পুনর্জাগরণ-২০২৫ উপলক্ষ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সিঙ্গেল ২৫/ ৫০ কেভি বৈদ্যুতিক টান্সফরমার বসিয়ে নেওয়া হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। আর এসব কাজে সহযোগিতা করেন সহকারী প্রকৌশলী চঞ্চল মীর আলীর মনোনীত ব্যক্তি আইনুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, আবুল হোসেন, আব্বাস উদ্দিন বালু সহ বেশ কয়েকজন।

বৈদ্যুতিক নতুন সিঙ্গেল ট্রান্সফরমার লাগানো হয় নোয়াপাড়া, মরাটিলা, পাইয়্যংপাড়া, লোগাং, চেঙ্গী এলাকায়। সেখানকার বেশ কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, নিজ এলাকা দিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের লাইন থাকলেও ছিলো না ২২০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সংযোগ।

দীর্ঘদিন যাবৎ বারবার আবাসিক ও নির্বাহি প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেও ট্রান্সফরমার ও বিদ্যুৎ সংযোগ পাই নাই। পরে প্রথমে ২ লাখ টাকা চায়, দর কষাকষিতে লাখ টাকায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার লাগিয়ে দেয়। জনমনে অসন্তুোষ ও বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুনঃ ময়মনসিংহে জুলাই পুনর্জাগরণ-২০২৫ উপলক্ষ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম নিয়ে অফিস ঘেরাও কারীদের মধ্যে সন্তোষ চাকমা, আব্দুল আলী,আব্দুল খালেক, জহর লাল চাকমা, চিজি মনি ত্রিপুরা সহ বেশ অনেকে জানান, বিল অনিয়মের সমাধান না হলে প্রযোজনে কঠোর কর্মসুচি গ্রহন করবেন । এ নিয়ে উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা সভায় একাধিক বার উপস্থাপিত হলেও কোন সমাধান হয়নি বলেও জানান।

পরবর্তীতে পানছড়ি থানার এসআই রাকিব হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও কারীদের সমাধানের আশ্বস্থ করে ,উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের নিকট লিখিত অভিযোগ নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফেরৎ পাঠান।

পানছড়ি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী আহসান উল্লাহ কর্মস্থলে না থাকায় মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে,তিনি ট্রেনিং-এ আছেন । কর্মস্থলে এসে একটা ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহি প্রকৌশলী ফয়জুল আলেম আলীর কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে, তিনি সকল কথা শুনে মিটিং-এ আছি বলে কলটি কেটে দেন।


More News Of This Category

মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতেই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। ১৯ জুন(শুক্রবার) সকালে হওয়া এ বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ছুটির দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে। অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।