বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
Headline :
রামুতে বিজিবির অভিযানে ৭২ লাখ টাকার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গজারিয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ। সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত ডেকোরেশন ব্যবসা নাকি সীমান্তে মাদক বহন—অভিনব কায়দায় ইয়াবা কারবারির নতুন নাটক রাজবাড়ী-২ আসনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী হারুনের সহধর্মিণী হাদীস সংকলন ও সংরক্ষণের ইতিহাস রংপুর সদরে আদালতের রায় অমান্য করে মসজিদের জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ঐতিহ্যবাহী ফেকামারা কামিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬: গাইবান্ধায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত মো. নওয়াব আলী প্রধান

গাইবান্ধায় মসজিদের দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
গাইবান্ধায় মসজিদের দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা পৌর শহরের আদর্শপাড়া জামে মসজিদের রমজান মাসে ইফতার আয়োজনের জন্য বরাদ্দকৃত দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পৌর বিএনপির ৫নং ওয়ার্ড শাখার আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম সেলিম।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদ কমিটির পক্ষে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় থেকে রমজান মাসে ইফতার বাবদ (জিআর ফান্ড) থেকে দেড় টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে ওই চাল উত্তোলন করেন শরিফুল ইসলাম সেলিম।

আরও পড়ুনঃ ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

অভিযোগ উঠেছে, তিনি মসজিদ কমিটির সভাপতি না হয়েও নিজেকে সভাপতি হিসেবে দেখিয়ে জাল স্বাক্ষর করে চাল উত্তোলন করেন। বিষয়টি মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় মুসল্লিদের অজানা ছিল।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মুসল্লি বলেন, “শরিফুল ইসলাম সেলিম মসজিদের একজন সাধারণ মুসল্লি। তিনি কীভাবে মসজিদ কমিটির সভাপতি সেজে চাল উত্তোলন করলেন, তা বোধগম্য নয়। এর আগেও তিনি মসজিদের বিভিন্ন বরাদ্দ আত্মসাতে জড়িত ছিলেন বলে শোনা যায়।”

মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ ইউসুফ মিয়া বলেন, “চালের বরাদ্দ বা উত্তোলন সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। পরে জানতে পারি সেলিম মিয়া নিজের নাম ব্যবহার করে চাল উত্তোলন করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি এলাকায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত, কিন্তু তার ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।”

চালের বরাদ্দ ও উত্তোলন বিষয়ে জানতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

সচেতন মহল অভিযোগ তুলেছে, সরকারি নানা নিয়ম-নীতির পরও কীভাবে এ ধরনের আত্মসাতের ঘটনা ঘটে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category