বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
Headline :
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ দেবিদ্বার উপজেলার ৭ নং এলাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ খান

গাইবান্ধায় মসজিদের দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
গাইবান্ধায় মসজিদের দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা পৌর শহরের আদর্শপাড়া জামে মসজিদের রমজান মাসে ইফতার আয়োজনের জন্য বরাদ্দকৃত দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পৌর বিএনপির ৫নং ওয়ার্ড শাখার আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম সেলিম।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদ কমিটির পক্ষে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় থেকে রমজান মাসে ইফতার বাবদ (জিআর ফান্ড) থেকে দেড় টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে ওই চাল উত্তোলন করেন শরিফুল ইসলাম সেলিম।

আরও পড়ুনঃ ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

অভিযোগ উঠেছে, তিনি মসজিদ কমিটির সভাপতি না হয়েও নিজেকে সভাপতি হিসেবে দেখিয়ে জাল স্বাক্ষর করে চাল উত্তোলন করেন। বিষয়টি মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় মুসল্লিদের অজানা ছিল।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মুসল্লি বলেন, “শরিফুল ইসলাম সেলিম মসজিদের একজন সাধারণ মুসল্লি। তিনি কীভাবে মসজিদ কমিটির সভাপতি সেজে চাল উত্তোলন করলেন, তা বোধগম্য নয়। এর আগেও তিনি মসজিদের বিভিন্ন বরাদ্দ আত্মসাতে জড়িত ছিলেন বলে শোনা যায়।”

মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ ইউসুফ মিয়া বলেন, “চালের বরাদ্দ বা উত্তোলন সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। পরে জানতে পারি সেলিম মিয়া নিজের নাম ব্যবহার করে চাল উত্তোলন করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি এলাকায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত, কিন্তু তার ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।”

চালের বরাদ্দ ও উত্তোলন বিষয়ে জানতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

সচেতন মহল অভিযোগ তুলেছে, সরকারি নানা নিয়ম-নীতির পরও কীভাবে এ ধরনের আত্মসাতের ঘটনা ঘটে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


More News Of This Category