বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
Headline :
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ দেবিদ্বার উপজেলার ৭ নং এলাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ খান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি সম্পুর্নটাই নাটক, সি কে ডি হাসপাতালে যুবদলের চাঁদা দাবি ড. কামরুল ইসলাম আওয়ামী লীগ এর লোক । সি কে ডি হাসপাতালে কথিত চাঁদাবাজির ঘটনা ও বাস্তবতা নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য সম্প্রতি সি কে ডি হাসপাতালে যুবদলের নামে চাঁদা দাবির যে অভিযোগ প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একটি সাজানো নাটক বলে আমরা মনে করি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ধরনের অভিযোগের আড়ালে মূলত প্রকৃত অনিয়ম, দুর্নীতি এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার ভয়াবহ চিত্র আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উক্ত হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ড. কামরুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে একটি বিতর্কিত অবস্থানে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে একটি নিয়ন্ত্রিত চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীদের উপর অযৌক্তিক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছেন। বিশেষ করে আইসিইউ, বিভিন্ন টেস্ট, মেডিসিন ও আবাসিক সুবিধাকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সিরিয়াল বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। রোগীর আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে চিকিৎসা ব্যয় নির্ধারণ, অপ্রয়োজনীয় ও ব্যয়বহুল ইনজেকশন প্রদানের অভিযোগ, ব্যবহৃত মেডিসিনের স্বচ্ছ হিসাব না দেওয়া, এবং আইসিইউ-তে চিকিৎসা সংক্রান্ত তালিকায় অসঙ্গতি—এসব বিষয় অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, আমার ছোট ভাইয়ের কিডনি প্রতিস্থাপন এই হাসপাতালে সম্পন্ন হয়। চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় আমরা এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হই, যেখানে একবার হাসপাতালে প্রবেশ করলে রোগী ও তার পরিবার কার্যত এক ধরনের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে পড়ে যায়। এমনকি আইসিইউ থেকে রোগী ছাড়িয়ে আনতে আমাদের ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক অভিজ্ঞতা। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো—চিকিৎসার মাঝপথে হাসপাতাল পরিবর্তনের কোনো বাস্তব সুযোগ থাকে না, ফলে রোগীর পরিবার চরম অসহায় অবস্থায় পড়ে যায়। প্রতিবাদ করলে বা হিসাব চাইলে উল্টোভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, সন্ত্রাসী চক্রের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া, হাসপাতাল পরিচালনায় বিভিন্ন অদক্ষ ও অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা রোগীদের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হয়ে কথা বলছি না। বরং একজন নাগরিক হিসেবে সত্য তুলে ধরাকে নিজের দায়িত্ব মনে করছি। যে কোনো অনিয়ম, তা যেই করুক না কেন, তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া সময়ের দাবি। আমাদের দাবি: ১. সি কে ডি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত ২. রোগীদের আর্থিক শোষণ ও চিকিৎসা অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা ৩. স্বাস্থ্যখাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ৪. দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ জনস্বার্থে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সাথে বিবেচনার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। প্রকাশক: মো: আকবর হোসেন ফাইটন চেয়ারম্যান নতুন বাংলা সাধারণ জনতার জোট

Update : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সম্পুর্নটাই নাটক, সি কে ডি হাসপাতালে যুবদলের চাঁদা দাবি
ড. কামরুল ইসলাম আওয়ামী লীগ এর লোক ।

সি কে ডি হাসপাতালে কথিত চাঁদাবাজির ঘটনা ও বাস্তবতা নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য
সম্প্রতি সি কে ডি হাসপাতালে যুবদলের নামে চাঁদা দাবির যে অভিযোগ প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একটি সাজানো নাটক বলে আমরা মনে করি।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ধরনের অভিযোগের আড়ালে মূলত প্রকৃত অনিয়ম, দুর্নীতি এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার ভয়াবহ চিত্র আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
উক্ত হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ড. কামরুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে একটি বিতর্কিত অবস্থানে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে একটি নিয়ন্ত্রিত চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীদের উপর অযৌক্তিক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছেন। বিশেষ করে আইসিইউ, বিভিন্ন টেস্ট, মেডিসিন ও আবাসিক সুবিধাকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সিরিয়াল বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
রোগীর আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে চিকিৎসা ব্যয় নির্ধারণ, অপ্রয়োজনীয় ও ব্যয়বহুল ইনজেকশন প্রদানের অভিযোগ, ব্যবহৃত মেডিসিনের স্বচ্ছ হিসাব না দেওয়া, এবং আইসিইউ-তে চিকিৎসা সংক্রান্ত তালিকায় অসঙ্গতি—এসব বিষয় অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, আমার ছোট ভাইয়ের কিডনি প্রতিস্থাপন এই হাসপাতালে সম্পন্ন হয়। চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় আমরা এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হই, যেখানে একবার হাসপাতালে প্রবেশ করলে রোগী ও তার পরিবার কার্যত এক ধরনের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে পড়ে যায়। এমনকি আইসিইউ থেকে রোগী ছাড়িয়ে আনতে আমাদের ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক অভিজ্ঞতা।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো—চিকিৎসার মাঝপথে হাসপাতাল পরিবর্তনের কোনো বাস্তব সুযোগ থাকে না, ফলে রোগীর পরিবার চরম অসহায় অবস্থায় পড়ে যায়। প্রতিবাদ করলে বা হিসাব চাইলে উল্টোভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, সন্ত্রাসী চক্রের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া, হাসপাতাল পরিচালনায় বিভিন্ন অদক্ষ ও অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা রোগীদের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হয়ে কথা বলছি না। বরং একজন নাগরিক হিসেবে সত্য তুলে ধরাকে নিজের দায়িত্ব মনে করছি। যে কোনো অনিয়ম, তা যেই করুক না কেন, তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া সময়ের দাবি।
আমাদের দাবি: ১. সি কে ডি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত
২. রোগীদের আর্থিক শোষণ ও চিকিৎসা অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা
৩. স্বাস্থ্যখাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ
৪. দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
জনস্বার্থে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সাথে বিবেচনার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
প্রকাশক:
মো: আকবর হোসেন ফাইটন
চেয়ারম্যান
নতুন বাংলা সাধারণ জনতার জোট


More News Of This Category