শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: উপসম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (PIO) কার্যালয়কে ঘিরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বরাদ্দের অর্থের ব্যবহার ও তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পসংক্রান্ত তথ্য জানতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকদের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগ এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সরকারি নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ এবং কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এডিপির আওতায় পাটগ্রাম উপজেলা এলজিইডির ১৫টি প্রকল্পে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এলজিইডি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (PIO) পৃথক সরকারি দপ্তর। তাই এলজিইডির কোনো অভিযোগকে সরাসরি PIO কার্যালয় বা PIO কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং PIO কার্যালয়ের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের অগ্রগতি কিংবা প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেক সময় ফোনে সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ফোন না ধরেছেন—এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ বলা হয়নি। কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন, সভা কিংবা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণেও ফোন ধরতে নাও পারেন। তাই অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সাংবাদিককে অর্থের বিনিময়ে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার বা ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো যাচাইযোগ্য উপাদান ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলা সমীচীন নয় কিন্তু তা ও সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভব। সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নাম, অনুমোদিত বরাদ্দ, বাস্তবায়ন কমিটি, কার্যাদেশ, কাজের পরিমাণ, বিল-ভাউচার এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির তথ্য প্রকাশ করা উচিত। বিশেষ করে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে PIO কার্যালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর নথিপত্র প্রকাশ করে সেগুলোর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কাজ মিলিয়ে দেখা হলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটতে পারে। এ কারণে ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিযোগের পরিবর্তে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পাটগ্রাম PIO কার্যালয়ের প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন ও ব্যয়ের নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে কিন্তু তাঁর সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। প্রতিবেদকের নোট: এই প্রতিবেদনে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্য ও উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সরকারি নথি, সরেজমিন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন। সঠিক সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হলো। গোবিন্দগঞ্জসহ গাইবান্ধায় ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ। কৃষকের অজান্তে ভুয়া ভাউচারে কোটি টাকা উত্তোলনের দাবি। গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবা সেলিম ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪ মধুপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী ‎​সিন্দুরমতি দিঘি হবে দৃষ্টিনন্দন ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র—ত্রাণমন্ত্রী দুলু। ‎ লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪ বাবার অসুস্থতা ভ্যান নিয়ে বেরিয়ে প্রতারণার শিকার রেজওয়ান। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ মধুপুরে খন্দকার মোতালিব হোসেনের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: শেষ রাতে গায়েহলুদ সম্পন্ন! এবার কি সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন তাহমিনা–ইয়াসিন?

Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

রংপুরে মিয়া গোলাম পরওয়ার
‘শিক্ষক পরিবার হত্যাকাণ্ডের সঠিক ক্লু বের করতে ব্যর্থ গোয়েন্দা সংস্থা’।

আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২

রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি দাবি করেছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং সঠিক ক্লু বের করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখনো ব্যর্থ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “একটি শিক্ষিত, ভদ্র পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হলো। সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে গোয়েন্দা সংস্থার পেছনে। বিগত দিনে একজন নিরীহ, মামলা নেই, কারও সঙ্গে শত্রুতা নেই—এমন মানুষকে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন তুলে এনে ক্রসফায়ারে দিয়েছে। অথচ এমন একটি হত্যাকাণ্ড ঘটল, আজও এর সঠিক ক্লু বের করা গেল না।”
তিনি বলেন, “গোয়েন্দা সংস্থা হত্যাকাণ্ডের সঠিক ক্লু বের করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও গণমাধ্যম—কারও কথার সঙ্গে কারও কথার মিল নেই।”
হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হওয়াকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, “হত্যাকাণ্ডের ধোঁয়াশা এখনো কাটছে না। এটি আমাদের উদ্বেগের বিষয়। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা কোথায়?”
সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের দিয়ে প্রকৃত তথ্য জাতিকে জানার মতো কিছু উদ্ঘাটন করতে পেরেছে—এমন কথা গণমাধ্যম বলতে পারেনি।”
তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহানুভূতি জানিয়ে বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটন এবং প্রকৃত জড়িতদের খুঁজে বের করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছেন তিনি।
সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা
সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তার দাবি, এ সময়ে দেশে প্রায় সাড়ে ৫০০ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং জনদুর্ভোগ বেড়েছে।
তিনি বলেন, “জনদুর্ভোগের শেষ নেই। উত্তরবঙ্গে সারের সংকট চলছে। বেশি দাম দিয়েও সার পাওয়া যাচ্ছে না। লোডশেডিং চরমে উঠেছে। গ্যাস ও জ্বালানির সংকট তৈরি হয়েছে। এরপর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সব কিছুর দায় সরকারের।”
তিনি সরকারের প্রতি জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং জনজীবনে স্বস্তি ও স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।
‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোকজনকে পদায়ন করা হয়েছে’
সরকারের বিরুদ্ধে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দায়িত্বে আসার পর সরকার সংশ্লিষ্টরা দলীয়করণ থেকে দূরে থাকতে পারেননি।
তার অভিযোগ, সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতাদের পদায়ন করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ এবং দেশের আটটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষেও বিএনপির দলীয় লোকজনকে পদায়ন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
“আমরা এমন কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। নির্বাচন দেন। এতে দলীয় লোকজন নির্বাচিত হয়ে এলে আসবে। স্লোগান দেন—সবার আগে বাংলাদেশ। কিন্তু সিদ্ধান্ত বলে দিচ্ছে, সবার আগে বিএনপি,” বলেন তিনি।
‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাকে ১,৩০০ ভোটে হারানো হয়েছে’
নির্বাচনে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক হলেও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
তিনি বলেন, “নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকে। আমাকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ১,৩০০ ভোটে হারানো হয়েছে।”
বিএনপির পরাজিত নেতাদের বিভিন্ন স্থানে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব প্রশাসক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন শাসনব্যবস্থা তৈরি করছেন, যাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
সংরক্ষিত নারী এমপি নিয়েও প্রশ্ন
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা তদারকির দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকার এমপি নন। সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী জনগণের দেখাশোনা, উন্নয়ন ও বরাদ্দ-সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নির্বাচিত সংসদ সদস্যের।
“বর্তমান সরকার অতীতের সব রেওয়াজ ভঙ্গ করে দলীয় সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন আসন তদারকির জন্য ভাগ করে দিয়েছে। এটি কি বেআইনি কাজ নয়?”—প্রশ্ন রাখেন তিনি।
তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়ন ও বরাদ্দ দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করানো যেতে পারে। কিন্তু একটি নির্বাচিত এমপির ওপর শাসন করার জন্য একজন অনির্বাচিত এমপিকে খবরদারির দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
“এমনটাই যদি চান, তাহলে বিরোধী দলের মহিলা সংসদ সদস্যকে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যের আসনে তদারকির দায়িত্ব দেন,” বলেন তিনি।
‘গণভোটের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি’
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোটের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, সরকারপ্রধান নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
“আমরা ধারাবাহিকভাবে রাজপথে আন্দোলন করে যাচ্ছি। আগামীতে বৃহত্তর কর্মসূচি পালন করা হবে,” বলেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, রংপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির এটিএম আজম খান, সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক কাজল, ইসলামী ছাত্রশিবির নেতা সামসুল আলমসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


More News Of This Category

পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: উপসম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (PIO) কার্যালয়কে ঘিরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বরাদ্দের অর্থের ব্যবহার ও তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পসংক্রান্ত তথ্য জানতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকদের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগ এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সরকারি নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ এবং কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এডিপির আওতায় পাটগ্রাম উপজেলা এলজিইডির ১৫টি প্রকল্পে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এলজিইডি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (PIO) পৃথক সরকারি দপ্তর। তাই এলজিইডির কোনো অভিযোগকে সরাসরি PIO কার্যালয় বা PIO কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং PIO কার্যালয়ের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের অগ্রগতি কিংবা প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেক সময় ফোনে সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ফোন না ধরেছেন—এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ বলা হয়নি। কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন, সভা কিংবা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণেও ফোন ধরতে নাও পারেন। তাই অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সাংবাদিককে অর্থের বিনিময়ে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার বা ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো যাচাইযোগ্য উপাদান ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলা সমীচীন নয় কিন্তু তা ও সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভব। সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নাম, অনুমোদিত বরাদ্দ, বাস্তবায়ন কমিটি, কার্যাদেশ, কাজের পরিমাণ, বিল-ভাউচার এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির তথ্য প্রকাশ করা উচিত। বিশেষ করে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে PIO কার্যালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর নথিপত্র প্রকাশ করে সেগুলোর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কাজ মিলিয়ে দেখা হলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটতে পারে। এ কারণে ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিযোগের পরিবর্তে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পাটগ্রাম PIO কার্যালয়ের প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন ও ব্যয়ের নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে কিন্তু তাঁর সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। প্রতিবেদকের নোট: এই প্রতিবেদনে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্য ও উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সরকারি নথি, সরেজমিন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন। সঠিক সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হলো।

পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: উপসম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (PIO) কার্যালয়কে ঘিরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বরাদ্দের অর্থের ব্যবহার ও তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পসংক্রান্ত তথ্য জানতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকদের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগ এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সরকারি নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ এবং কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এডিপির আওতায় পাটগ্রাম উপজেলা এলজিইডির ১৫টি প্রকল্পে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এলজিইডি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (PIO) পৃথক সরকারি দপ্তর। তাই এলজিইডির কোনো অভিযোগকে সরাসরি PIO কার্যালয় বা PIO কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং PIO কার্যালয়ের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের অগ্রগতি কিংবা প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেক সময় ফোনে সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ফোন না ধরেছেন—এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ বলা হয়নি। কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন, সভা কিংবা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণেও ফোন ধরতে নাও পারেন। তাই অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সাংবাদিককে অর্থের বিনিময়ে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার বা ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো যাচাইযোগ্য উপাদান ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলা সমীচীন নয় কিন্তু তা ও সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভব। সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নাম, অনুমোদিত বরাদ্দ, বাস্তবায়ন কমিটি, কার্যাদেশ, কাজের পরিমাণ, বিল-ভাউচার এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির তথ্য প্রকাশ করা উচিত। বিশেষ করে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে PIO কার্যালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর নথিপত্র প্রকাশ করে সেগুলোর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কাজ মিলিয়ে দেখা হলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটতে পারে। এ কারণে ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিযোগের পরিবর্তে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পাটগ্রাম PIO কার্যালয়ের প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন ও ব্যয়ের নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে কিন্তু তাঁর সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। প্রতিবেদকের নোট: এই প্রতিবেদনে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্য ও উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সরকারি নথি, সরেজমিন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন। সঠিক সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হলো।