সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
Headline :
বুলবুল চৌধুরী নৃত্য পদক ১৪৩৩’ পেলেন রবিউল ইসলাম স্বপন। মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: সিঙ্গারবিল থেকে ১১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক। মান্দায় ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে, ৪ মাস পর তরুণীকে নিয়ে উধাও যুবক: আতঙ্কে পরিবার ঘানিতে সরিষার তেল মাড়াই দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত খামার ঘুরে খেলেন খাঁটি দুধ। পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস ও বাইসাইকেল আটক লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা মোঃসেলিম মিয়া গোমস্তাপুরে সড়কের পাশে অটো রাইস মিল নির্মাণ, সড়কে বালু-নির্মাণসামগ্রী—দুর্ঘটনার শঙ্কা মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ কসমেটিক্স-বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ! জুয়েলকে ঘিরে চাঞ্চল্য। তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহন করলেন ডা. নূরুল হক “হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের”

পিতার সব সম্পত্তি একজনকে লিখে দিলে বাকি সন্তানদের করণীয় কী?

Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

_আইনি বিশ্লেষণ_

*নিজস্ব প্রতিবেদক:* পিতা যদি জীবিত অবস্থায় তার সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি কোনো এক সন্তান বা ব্যক্তিকে লিখে দেন, তবে বাকি ওয়ারিশদের আইনগত অবস্থান কী হবে— এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও মুসলিম উত্তরাধিকার বিধি অনুযায়ী এর সমাধান নির্ভর করে সম্পত্তি কীভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে তার ওপর।

*১. হস্তান্তরের ধরন যাচাই জরুরি*
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথমে দেখতে হবে পিতা সম্পত্তিটি কীভাবে হস্তান্তর করেছেন।

*হেবা বা দান:* পিতা যদি সুস্থ মস্তিষ্কে, স্বেচ্ছায় এবং কারো প্ররোচনা ছাড়া ‘হেবা’ বা ‘দান’ দলিল রেজিস্ট্রি করে যান, তবে তা সাধারণত বৈধ। মুসলিম আইনে সুস্থ অবস্থায় পিতা তার সমুদয় সম্পত্তি যেকোনো একজনকে দান করতে পারেন।

*অসিয়ত:* তবে মৃত্যুর পর কার্যকর হবে— এমন অসিয়তের ক্ষেত্রে মুসলিম আইনে মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি কার্যকর হয় না, যদি না অন্য ওয়ারিশরা সম্মতি দেন।

*২. যেসব কারণে দলিল চ্যালেঞ্জ করা যায়*
বাকি ওয়ারিশরা নিম্নলিখিত কারণে আদালতে দলিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে পারেন:

– *মানসিক ভারসাম্যহীনতা:* হস্তান্তরের সময় দাতা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো সুস্থ না থাকলে।
– *প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ:* ভুল বুঝিয়ে, ভয় দেখিয়ে বা জালিয়াতির মাধ্যমে স্বাক্ষর নিলে।
– *অনিবন্ধিত দলিল:* রেজিস্ট্রি না করা দলিলের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
– *দখল হস্তান্তর না হওয়া:* হেবার ক্ষেত্রে শুধু দলিল নয়, দখলও বুঝিয়ে দিতে হয়। দখল না দিলে দানের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

*৩. আইনি প্রতিকার ও মামলা*
বঞ্চিত ওয়ারিশরা দেওয়ানি আদালতে দুই ধরনের মামলা করতে পারেন:

– *দলিল বাতিলের মামলা:* জালিয়াতি বা জোরপূর্বক দলিল করা হয়েছে মনে হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে।
– *ঘোষণামূলক মামলা:* বিতর্কিত দলিলটি অবৈধ ঘোষণা এবং নিজেদের উত্তরাধিকার স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য।

*আইনজীবীদের পরামর্শ:* যেকোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ দেওয়ানি আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে কাগজপত্র যাচাই করে নিতে হবে।

*- মোঃ আবুল হাসেম*
*প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বাংলার সংবাদ*
*সদস্য, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ইনভেস্টিগেটর কাউন্সিল*


More News Of This Category