“হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের”
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয়ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
৩০ আগস্ট, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অতিরিক্ত পরিবহন নীতি ও নতুন ওজন সীমার প্রতিবাদে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। রোববার (৩০ আগস্ট) ভারতের হিলি বন্দরের সব ব্যবসায়ী সংগঠন যৌথভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
বন্দর ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার পণ্যবাহী ট্রাকের ওজন সীমা ১০ থেকে ১৫ মেট্রিক টন পর্যন্ত কমিয়ে দিয়ে একটি নতুন নির্দেশনা জারি করে, যা রোববার থেকে কার্যকর করার কথা ছিল। সরকার নির্ধারিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৬ চাকার ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টনের স্থানে সর্বোচ্চ ২০ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকে ৪০ থেকে ৪৫ টনের জায়গায় সর্বোচ্চ ৩০ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহন করতে হবে।
ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, হঠাৎ করে ট্রাকপ্রতি মালামাল বহনের ক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ায় সার্বিক পরিবহন খরচ বহুগুণ বেড়ে যাবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে, যা ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা তৈরি করবে।
নতুন এই নীতিমালা প্রত্যাহারের দাবিতে রোববার ভারতীয় হিলি বন্দরের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো এক যৌথ বৈঠকে বসে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য বন্ধ রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
ব্যবসায়ী নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ট্রাকের নতুন ওজন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও জারি করা নির্দেশনামা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।