, ৫ জুন, ২০২৬
পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক সীমান্ত পারাপার) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর নজরদারি ও স্থানীয়দের বাধায় তা ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে টানটান উত্তেজনা ও মুখোমুখি অবস্থান বিরাজ করছে। আতঙ্ক দেখা দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর পর্যন্ত পুশইনের শিকার হওয়া ওই ব্যক্তিরা দুই দেশের সীমান্তের ‘জিরো লাইনে’ অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক চলছে।
স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাতে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পঞ্চগড় সদর উপজেলার বড়বাড়ি প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। শুক্রবার ভোরের দিকে বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে তাৎক্ষণিক বাধা দেয় বিজিবি। বিজিবির অনড় অবস্থানের কারণে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে পারেনি।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
”সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে। বড়বাড়ি প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা প্রতিহত করেন। বর্তমানে ওই ১০ জন সীমান্তের জিরো লাইনে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে এবং আলোচনা চলছে।”