শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
Headline :
স্বামীর প্রতারনা অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসা করাতে লালমনিরহাট হাসপাতালে ভারতীয় নারী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় ইন্টারনেট সংযোগ নামে অনিয়ম স্টাফ রিপোর্টার, তিস্তা ব্যারাজ ও ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শনে আজ লালমনিরহাট যাচ্ছেন ৩ মন্ত্রী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতেই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। ১৯ জুন(শুক্রবার) সকালে হওয়া এ বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ছুটির দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে। অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা। কাবা শরিফের গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম, বাংলাদেশের অনন্য গৌরব এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম: ট্রেনেকাটা পড়ে একজন মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদ প্রেরণ প্রসঙ্গে। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্ট। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ গাইবান্ধায় গার্লস গাইড ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত, জাতীয় ফল মেলায় অংশ নিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ আদিতমারীতে সরকারি গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আটক ১০, কারাগারে প্রেরণ লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃমোঃসেলিম মিয়া গাইবান্ধার খোলাহাটীতে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।।

নদী ভাঙ্গন আতংকে দিশেহারা চাতলপাড়বাসী

Update : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

এম বাদল খন্দকার (বিশেষ প্রতিনিধি)ঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রায় ৩০ কিঃমিঃ উত্তরে ভাটি অঞ্চল নামে খ্যাত নাসিরনগর উপজেলা।এর পশ্চিমে চাতলপাড় ইউনিয়ন।এ উপজেলায় অসংখ্য নদ-নদী খাল-বিল জালের মত ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। মেঘনার ও ধলেশ্বরীর পূর্ব পাশে অবস্থিত চাতলপাড় ও ভলাকুট ইউনিয়ন। উত্তরে গোয়ালনগর ইউনিয়ন ও পশ্চিমে রয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার।

প্রতি বছরের মত এবারও শুরু হয়েছে মেঘনার ভাঙন। এতে নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের বিলের পাড়, চকবাজার ও চাতলপাড় বড় বাজারের মানুষের কষ্টের অন্তঃনেই। ইতোমধ্যে মেঘনার ভাঙনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে চাতলপাড় অঞ্চলের শতাধিক পরিবার। অচিরেই এই ভাঙন রোধ করা না গেলে গৃহশূণ্য হয়ে পড়বে শত শত পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৪/৫ বছর ধরে চাতলপাড়ের বিভিন্ন গ্রাম ভাঙনের কবলে পড়েছে। নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে অনেক ঘর বাড়ি দোকান পাট।চাতলপাড় চকবাজার, বড় বাজার,বিলেরপাড় ও দুর্গাপুরে কুটি কোটি টাকা সম্পদ গিলে নিচ্ছে নদী।ভাঙ্গনের কবলে পড়ে অনেকেই হয়ে পড়েছে ভিটেমাটি হীন ।

আরও পড়ুনঃ বেনাপোল বন্দরে শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহার,আমদানি-রপ্তানি ও পণ্য খালাস শুরু

জরুরি ভিত্তিতে এই ভাঙনরোধ করা না হলে বিলীন হয়ে যাবে গ্রাম।সম্প্রতি চাতলপাড় নদী ভাঙন পরিদর্শনে আসেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরিন। সঙ্গে ছিলেন, সহকারী কমিশনার ভূমি কাজী রবিউস সারোয়ার, নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান, চাতলপাড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতীবৃন্দ,সুশীল সমাজের মানুষ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গরা।

পরিদর্শকালে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরিন বলেন, আমি নদী ভাঙন এলাকা ঘুরে দেখেছি, জনস্বার্থে নদী ভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো।

নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান বলেন, আমি সকাল থেকেই চাতলপাড় নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি, প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি দ্রুত নদী ভাঙন রোধ করে এলাকাবাসীকে রক্ষা করুন।


More News Of This Category

মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতেই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। ১৯ জুন(শুক্রবার) সকালে হওয়া এ বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ছুটির দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে। অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।