শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে প্রধানমন্ত্রী নতুন ভাবনা শুরু করেছেন বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট ঝিনাইদহ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | দৈনিক বাংলার সংবাদ, দৈনিক বাংলার সংবাদ | ১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার | পৃষ্ঠা-৪ মতামত* ২৫ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখে ৬ নং গোড়ল ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সম্মেলন হয়েছে দৈনিক বাংলার সংবাদ | ১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার | পৃষ্ঠা-২* দৈনিক বাংলার সংবাদ। ১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার | প্রথম পাতা* নিজস্ব প্রতিনি দৈনিক বাংলার সংবাদ | ০৬ ডিসেম্বর ২০২৬, শনিবার* ঝিনাইদহে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | দৈনিক বাংলার সংবাদ, সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড অর্জনে হারিছ আলী কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ডুমুরিয়ায় বিধবা নারী ও তপু বিশ্বাস সবজি চাষে স্বাবলম্বী

Update : সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনাঃ

খুলনার‌ জেলার  ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের বামুন্দিয়া গ্রামের একজন সফল সবজি চাষী বিধবা নারী  তপু বিশ্বাস । বামুন্দিয়া গ্রামের পিচ ঢালা রাস্তার পাশে  স্বামীর রেখে যাওয়া ৪০শতক জমিতে সবজি চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি সংসারে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছেন।

তপু বিশ্বাস বলেন, এক সময় সংসারের কাজকর্ম শেষ করার পর অলস বসে সময় কাটাতাম। বাড়ীর পাশে‌ স্বামীর রেখে যাওয়া এক খন্ড জমিতে পটল চাষ করে বছরের ২লক্ষ টাকা  আয় করেন।

আরও পড়ুনঃ তেল আবিব এবং মধ্যাঞ্চলীয় নেস জিয়োনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত ৮৬

বিধবা নারী সকালে ঘুম থেক উঠে পটল খেতে যেয়ে পরাগন করতে হয়। পটল লতানো প্রকৃতির উদ্ভিদ, তাই বাঁশের আনুভূমিক মাচা ও রশি দিয়ে তৈরি উলম্ব মাচায় পটল চাষ লাভজনক হয়ে থাকে। পটল একটি চাহিদাসম্পন্ন ও উচ্চ ফলনশীল সবজি। এখানকার মাটি পটল চাষের জন্য খুবই উপযোগী।’

এই সবজি চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে, কৃষি অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন তিনি।

এই না নারী  কৃষক নিজের পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে বাজারে সবজি বিক্রি করে ভালো লাভ করেন। তখন আমার মনে একটি জেদ কাজ করলো যে পুরুষরা পারলে আমি পারবো না কেন। তখন আমার বাড়ীর পাশে‌ একজনের পরামর্শ নিয়ে শুরু করি সবজি চাষ।

তিনি আরো বলেন, আমি নিজেই সার, বীজ বপন করি, পানি সেচ দেওয়া থেকে শুরু করে ফসলের রক্ষণাবেক্ষণের সব কাজ নিজেই করি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আমি নিজের খেতে বিষমুক্ত সবজি উত্পাদন করে নিজের পরিবারকে খাওয়াতে পারছি। কারণ বর্তমানে বাজারের প্রতিটি সবজিতেই দেওয়া থাকে মাত্রারিক্ত সার ও কীটনাশক যা মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

আমি নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করে স্থানীয় বাজারে এই সবজি বিক্রি করে বছরে প্রায় বছর ২লকক্ষ টাকা আয় করছি। সেই অর্থ দিয়ে নিজের সন্তানদের পড়ালেখার খরচ যোগানসহ অন্যান্য চাহিদা পূরণ করতে পারছি। আজ আমার দেখাদেখি আশেপাশের অনেক নারীরা এই সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে।

আমার কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমি তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা ও তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করি। তবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমি আমার এই সবজি চাষের পরিসরটাকে আরো বৃদ্ধি করতে চাই। তিনি কৃষি বিভাগ থেকে কোন সহযোগিতা পাননি।

 


More News Of This Category