শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
Headline :
পানি নিষ্কাশন ও সুইজ গেটের দাবিতে মোরেলগঞ্জে মানববন্ধন। লালমনিরহাটে প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু ,এলাকায় শোকের ছায়া। রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন আদিতমারী উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সোহরাব। গাবতলী সোনাকানিয়া হিজাবুন নূর বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিলে সাবেক এমপি লালু। ভোগনগরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি। দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ নিউক্যাসেল শাখা ইউকের ২১ সদস‍্য কমিটি গঠন রাজবাড়ীতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৫। ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। সৃষ্টির স্পন্দনে ঐশী মমতা, ইসলামে প্রাণিকুলের অধিকার ও শাশ্বত দায়বদ্ধতা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাস্তহারা দলের রূপনগর থানা আহবায়ক কমিটির সম্মেলন।

জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা:- পর্ব ০৩

Reporter Name / ৪৩ Time View
Update : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়াঃ

বিষয়:- মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা।

পাঠক, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব এদেশের মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য আবশ্যক ছিল।
এখন আসা যাক, মুসলমানদের অস্তিত্ব বলতে কি বুঝায়? মুসলমানদের অস্তিত্ব বলতে তাওহীদ ও নবুয়ত – রিসালতে বিশ্বাসী ব্যাক্তি বা জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি এবং তাদের ধর্ম – কর্ম করার স্বাধীনতা । ভারতীয় মুসলমান বিশেষ করে পূর্ব ভারতের মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য হিন্দুত্ববাদীরা মারাত্মক হুমকি। হিন্দুত্ববাদীরা মুসলমানদেরকে গণহত্যা চালিয়ে সমূলে বিনাশ করতে চায়।

পাঠক, ১৭০৭ সালে মোগল সম্রাট আলমগীর ইন্তেকাল করার পর মোগল সাম্রাজ্যের দূর্বলতার সুযোগে ভারতে হিন্দুত্ববাদীদের উখান ঘটে । এই হিন্দুত্ববাদীর ধারক বাহক মারাঠারা পূর্ব ভারতের মুসলমানদেরকে গণহত্যা, লুণ্ঠন চালায় , এমনকি এই হিন্দুত্ববাদীদের কবল থেকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পিতা জয়নুদ্দিন মোহাম্মদ ও রেহাই পায়নি।

এই হিন্দুত্ববাদীরা ১৯৪৬ সালে বিহারে দা‌‌্গা লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ নিরীহ উর্দূভাষী মুসলমানদেরকে গণহত্যা চালায়। ১৯৪৮ সালে হায়দরাবাদ দখল করে হিন্দুত্ববাদী শক্তি লাখ লাখ মুসলমানদের হত্যা করে। ১৯৭১ সালে এই হিন্দুত্ববাদী শক্তি বা‌‌্লাদেশে লক্ষ লক্ষ উর্দু ভাষী মুহাজির মুসলমানদেরকে হত্যা করেছে। এই হিন্দুত্ববাদী শক্তি মুসলমানদের উপর গণহত্যা চালানোর জন্য সদা প্রস্তুত। হিন্দুত্ববাদী শক্তি সব সময় মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। এরা সুযোগ পেলেই মুসলমানদের অস্তিত্ব শেষ করে দিতে চায়।

পাঠক, আওয়ামী লীগ হল হিন্দুত্ববাদের ধারক বাহক। এই বিষয়টি হাসিনার আমলে মুসলমানরা স্পষ্ট বুঝতে পেরেছে। কারণ ২০০৯ সালে হিন্দুত্ববাদীরা পীলখানায় গণহত্যা চালায়, ২০১৩ সালে শাপলায় গণহত্যা চালানো হয়। হাসিনা হিন্দুত্ববাদীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এহেন জঘন্য কাজ নেই যা করেনি ।

হাসিনার আমলে ইসলাম ও মুসলমানদের পক্ষে কথা বললেই জুলুমের শিকার হতে হয়েছিল। হিন্দুত্ববাদের ধারক বাহক হাসিনার শাসনামলে এদেশের মুসলমানদের অস্তিত্ব সংকটে নিপতিত হয়েছিল।

হাসিনার শাসন আমল পুরোটাই ছিল মুসলিম নিধনের মহোৎসব। যেখানে মুসলমানরা অনেক সময় বিবেকের তাড়নায় মজলুম মুসলমানদের হত্যা করতে ইতস্তত করত, সেখানে হিন্দুদের দ্বারা মজলুম মুসলমানদের হত্যা করা হয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ ওসি প্রদীপ বহু মুসলমানকে হত্যা করেছে।

কাজেই মুসলমানদেরকে গণহত্যা বন্ধ করার জন্য এবং মুসলমানদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জুলাই বিপ্লব ছিল অপরিহার্য।

চলমান

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া
চেয়ারম্যান
প্যান ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category