সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
Headline :
বুলবুল চৌধুরী নৃত্য পদক ১৪৩৩’ পেলেন রবিউল ইসলাম স্বপন। মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: সিঙ্গারবিল থেকে ১১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক। মান্দায় ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে, ৪ মাস পর তরুণীকে নিয়ে উধাও যুবক: আতঙ্কে পরিবার ঘানিতে সরিষার তেল মাড়াই দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত খামার ঘুরে খেলেন খাঁটি দুধ। পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস ও বাইসাইকেল আটক লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা মোঃসেলিম মিয়া গোমস্তাপুরে সড়কের পাশে অটো রাইস মিল নির্মাণ, সড়কে বালু-নির্মাণসামগ্রী—দুর্ঘটনার শঙ্কা মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ কসমেটিক্স-বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ! জুয়েলকে ঘিরে চাঞ্চল্য। তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহন করলেন ডা. নূরুল হক “হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের”

জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ

Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ
হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম ( জেএসএফ) বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতি ও ফেইসবুক লাইভে বলেছেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট। আওয়ামী লীগ সাহাবুদ্দিনকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে; খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।

সংসদ ও প্রশাসনকে ক্রিকেট বোর্ডের মতো পরিবারতন্ত্র বানিয়েছে এই সরকার। নিজের ছেলের স্ত্রী , নিজে এবং আপন বাপ মেয়ে , স্বামী স্ত্রী দিয়ে এখন জাতীয় সংসদের এমপি বানিয়ে এই সরকার পরিবারতন্ত্র সংসদে পরিণত করেছে।

জেএসএফ বাংলাদেশ বিবৃতিতে আরো বলেছে ,জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সনদের পক্ষে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী সমর্থন জানিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সনদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলো এ সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করলেও বর্তমানে তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করছে। “জুলাই সনদ বাস্তবায়িত না হলে তা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। তাই দেরি না করে দ্রুত সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”

গণভোটের আগে দীর্ঘ চার মাস সময় থাকা সত্ত্বেও সরকার বা সংশ্লিষ্টরা কেন কোনো আপত্তি তোলেননি। ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ, ২৫ নভেম্বর গণভোটের অধ্যাদেশ, ফেব্রুয়ারিতে ভোট এই পুরো সময়জুড়ে কেউ বলেননি এসব অসাংবিধানিক। অথচ ক্ষমতায় বসেই সবকিছু অবৈধ বলা হচ্ছে। এটি সুস্পষ্ট দ্বিচারিতা।জুলাই সনদের আড়ালে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হচ্ছে। এটি কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে অবস্থান।


More News Of This Category