সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline :
রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে মিঠাপুকুরে ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক রুবিওর দিল্লি সফরে ট্রাম্পের ফোন: ‘ভারত যা চায় তাই পাবে’ — বাংলাদেশ ইস্যুতে কী বোঝাপড়া? মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও দালিলিক প্রমান। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ জিয়ার হ্যাঁ/না ভোটরঙ্গ : ভোটারদের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার। আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ। শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে:এমপি হেলাল। ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রে প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের পুনর্মিলন সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন । গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের পাতে পচা ডিম-মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি।

আইনের আশ্রয়ে নির্যাতন বন্ধ হোক।

Update : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

“:মন আকবর

ভয়ের কাছে নত বিচার নয়, চাই ন্যায়বিচারের সাহসী অবস্থান”
স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। কিন্তু যখন সেই আশ্রয়ই ভয়ের কাছে নতজানু হয়ে পড়ে, তখন প্রশ্ন জাগে—সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি আমলি আদালতের বিচারক হিসেবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে নিয়োজিত, যদি প্রভাবশালী ব্যক্তি, সিনিয়র আইনজীবী কিংবা দলীয় নেতাদের পদ-পদবি দেখে ভীত হন, তবে তার বিচারিক ক্ষমতা ও সাংবিধানিক দায়িত্ব কোথায় দাঁড়ায়?
অভিযোগ উঠেছে, একটি অসংগতিপূর্ণ ও ভিত্তিহীন মামলাকে আমলে নিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে দালাল চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক হয়রানির পথ সুগম হয়। আইনের আশ্রয়, যা হওয়া উচিত ছিল ন্যায়বিচারের হাতিয়ার, তা হয়ে উঠছে নির্যাতনের মাধ্যম—এটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি গভীর সংকটের ইঙ্গিত।
আইন সবার জন্য সমান—এটাই সংবিধানের মূল চেতনা। কিন্তু যখন ক্ষমতাবানদের প্রভাব বিচারব্যবস্থায় প্রতিফলিত হয়, তখন ন্যায়বিচার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। সাধারণ জনগণ তখন হয়ে ওঠে অসহায়, নিরুপায় এবং আইনের অপব্যবহারের শিকার।
এই প্রেক্ষাপটে জোরালোভাবে বলা প্রয়োজন—
বিচারক যদি নিরপেক্ষ না থাকেন, তবে বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।
আইনের অপব্যবহার বন্ধ না হলে, সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
নতুন বাংলা সাধারণ জনতার জোটের চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন ফাইটন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,
“আইনের নামে কোনো প্রকার জুলুম, হয়রানি ও দালালি চক্রের দৌরাত্ম্য আমরা মেনে নেব না। বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবমুক্ত ও জনগণের আস্থার জায়গা হিসেবে পুনর্গঠন করতে হবে।”
তার আহ্বান:
বিচারকদের নির্ভীক ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা দিতে হবে
মিথ্যা ও অসংগতিপূর্ণ মামলা গ্রহণের প্রবণতা বন্ধ করতে হবে
দালাল চক্র ও প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে দমন করতে হবে
সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে
শেষ কথা:
এখনই সময়—
“ভয়ের কাছে নয়, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ান”
“আইন হোক সুরক্ষার ঢাল, নির্যাতনের অস্ত্র নয়”
ন্যায়বিচারের স্বার্থে সকল সচেতন নাগরিক, আইনজীবী, বিচারক ও প্রশাসনের প্রতি একটাই আহ্বান—
আইনকে সম্মান করুন, ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করুন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।


More News Of This Category