সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
লিচু দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, বখাটে যুবক গ্রেফতার। যেসব কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের মান-মর্যাদা। রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে মিঠাপুকুরে ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক রুবিওর দিল্লি সফরে ট্রাম্পের ফোন: ‘ভারত যা চায় তাই পাবে’ — বাংলাদেশ ইস্যুতে কী বোঝাপড়া? মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও দালিলিক প্রমান। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ জিয়ার হ্যাঁ/না ভোটরঙ্গ : ভোটারদের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার। আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ।

চিলমারিতে মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার

Update : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫
চিলমারিতে মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার

হাবিবুর রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আছমা খাতুন ছোট বেলা থেকেই মেধাবী  শিক্ষার্থী ছিলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও অর্থের অভাবে আটকে যায় তার ভর্তির সকল কার্যক্রম।

অবশেষে খবর পাওয়ার পর “চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাকের” সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়ে, নতুন করে স্বপ্ন বুনছেন। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের (সবুজ পাড়া) এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থী আছমা খাতুন।

তিনি আগামীতে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণের  নিজেকে নিয়োজিত করতে চান, স্বপ্ন পুরন করতে চান বাবা, মা ও এলাকাবাসীর। আছমা খাতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছিলেন না। তখন তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ভর্তির সহায়তার জন্য একটি আবেদন করেন।

বিষয়টি জানতে পেরে নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক “আছমা খাতুনকে” ডেকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভর্তির জন্য নগত ২০ হাজার টাকা হাতে  তুলে দেন। এ সময় আছমা খাতুনের মা ছামছুন্নাহার বেগম ইউএনও’র সহযোগিতা পাওয়ায় তিনি আল্লাহর কাছে অনেক শুকরিয়া আদায় করেন এবং ইউএনও কে ধন্যবাদ জানান ও তার জন্য অনেক দোয়া করেন।

আরও পড়ুনঃ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে জঙ্গল উচ্ছেদ করলেন বিএনপি নেতা কর্মী

ইউএনও’র সহযোগিতা পেয়ে আছমা খাতুন নিজেও অনেক খুশি হয়েছেন। শিক্ষার্থী আছমা খাতুনের মা বলেন, মেয়ে আমার অনেক কষ্টে করে পড়া-শুনা করেছে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হইবে শুনলাম আর ভর্তির জন্য ২০ হাজার টাকা লাগবে, তখন গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। কোন উপায়ও ছিল না, পরে ইউএনও স্যার জানতে পেরে পুরো টাকাটা দিয়ে, আমার মেয়ে ও আমাদের স্বপ্ন পুরনের জন্য সুযোগ করে দিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, শুধু আছমা খাতুন নয় এরকম সম্ভাবনাময় যে শিক্ষার্থীরা রয়েছে অর্থের অভাবে এগিয়ে যেতে পাচ্ছেনা। তাদের সহযোগীতা করা হবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে “শিক্ষার্থী আছমা খাতুনের” হাতে ২০ হাজার টাকা তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাসিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারি সরকার প্রমুখ।


More News Of This Category