*যুদ্ধকালীন মুনাফেকি ও দেশবিরোধী
তৎপরতা:
মোঃ আবুল হাসেম, প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ।
দেশপ্রেমিক মানুষের প্রশ্ন, রাজাকারের রাজনীতি থেকে কবে মুক্তি পাবে বাংলাদেশ?*
একটি দেশ যখন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করে, তখন ভেতর থেকে যদি একাংশ মুনাফেক সেই দেশের বিরুদ্ধে শত্রুপক্ষকে সহায়তা করে, দেশের নিরীহ মানুষকে হত্যায় সহযোগী হয়, তখন ইতিহাস তাদেরকে কী বলে? এ প্রশ্ন আজ আবারও দেশপ্রেমিক জনতার মুখে মুখে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এই ভূখণ্ডে সেই মুনাফেকির ভূমিকায় ছিল জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সহযোগী রাজাকার বাহিনী। দেশের মানুষকে হত্যা, লুটপাট ও পাকিস্তানি হানাদারদের পথ দেখানোর দায়ে অভিযুক্ত এই গোষ্ঠীর রাজনীতি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আদালতের রায়ে ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
অথচ একটি বিপ্লব ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগে আজ সেই কথিত রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় প্রকাশ্যে ফিরে এসেছে। রাজপথে নিরাপদে তাদের কর্মসূচি পালন করতে দেখে দেশপ্রেমিক মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন জাগছে – এই মুনাফেকদের মুনাফেক বললে কি ভুল হবে?
যারা একাত্তরে এই দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, তাদেরকে আজও রাজপথে নিরাপদে চলতে দেওয়াটা শহীদের রক্তের সঙ্গে প্রতারণা বলে মনে করছেন অনেকে। দেশের সাধারণ মানুষ বলছে, যারা যুদ্ধকালীন সময়ে দেশের বিরুদ্ধে গিয়ে শত্রুকে সহায়তা করেছে, তাদের বিচার ও রাজনৈতিকভাবে চিরতরে নিষিদ্ধ করাই ছিল ন্যায়বিচার।
এখন প্রশ্ন হলো, আর কখনো কি এই দেশ মুনাফেক রাজাকারের দলের প্রতারণা থেকে মুক্তি পাবে না? দেশপ্রেমিক জনতা আজ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে।
মোঃ আবুল হাসেম প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ।
দেশপ্রেমিক মানুষের প্রশ্ন, রাজাকারের রাজনীতি থেকে কবে মুক্তি পাবে বাংলাদেশ?*
একটি দেশ যখন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করে, তখন ভেতর থেকে যদি একাংশ মুনাফেক সেই দেশের বিরুদ্ধে শত্রুপক্ষকে সহায়তা করে, দেশের নিরীহ মানুষকে হত্যায় সহযোগী হয়, তখন ইতিহাস তাদেরকে কী বলে? এ প্রশ্ন আজ আবারও দেশপ্রেমিক জনতার মুখে মুখে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এই ভূখণ্ডে সেই মুনাফেকির ভূমিকায় ছিল জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সহযোগী রাজাকার বাহিনী। দেশের মানুষকে হত্যা, লুটপাট ও পাকিস্তানি হানাদারদের পথ দেখানোর দায়ে অভিযুক্ত এই গোষ্ঠীর রাজনীতি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আদালতের রায়ে ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
অথচ একটি বিপ্লব ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগে আজ সেই কথিত রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় প্রকাশ্যে ফিরে এসেছে। রাজপথে নিরাপদে তাদের কর্মসূচি পালন করতে দেখে দেশপ্রেমিক মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন জাগছে – এই মুনাফেকদের মুনাফেক বললে কি ভুল হবে?
যারা একাত্তরে এই দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, তাদেরকে আজও রাজপথে নিরাপদে চলতে দেওয়াটা শহীদের রক্তের সঙ্গে প্রতারণা বলে মনে করছেন অনেকে। দেশের সাধারণ মানুষ বলছে, যারা যুদ্ধকালীন সময়ে দেশের বিরুদ্ধে গিয়ে শত্রুকে সহায়তা করেছে, তাদের বিচার ও রাজনৈতিকভাবে চিরতরে নিষিদ্ধ করাই ছিল ন্যায়বিচার।
এখন প্রশ্ন হলো, আর কখনো কি এই দেশ মুনাফেক রাজাকারের দলের প্রতারণা থেকে মুক্তি পাবে না? দেশপ্রেমিক জনতা আজ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে।