শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
Headline :
সত্যের পক্ষে তিন দশক কলমযোদ্ধা এম বাদল খন্দকারের গল্প। ঢাবি’র অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. নূরজাহান সরকার-এর ইন্তেকাল,,,,, জাতীয় দৈনিক বাংলার সংবাদ সিনিয়র স্টাফ রিপোটার,,, নবী প্রেমের নজিরবিহীন ইতিহাস সৃষ্টিকারী শহীদ আলিমুদ্দিনের উকিল ছিল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। এই ইতিহাস প্রতিটি মুসলমানের জানা দরকার।  যুদ্ধকালীন মুনাফেকি ও দেশবিরোধী তৎপরতা: ব্রজেন্দ্র স্যার—পাইলট স্কুলের এক কিংবদন্তির নাম,,,, মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক স্টাফ রিপোটার দৈনিক বাংলার সংবাদ সিনিয়র স্টাফ রিপোটার, মোহনগঞ্জে রাতের আঁধারে ‘সরকারি চাল পাচারচেষ্টা’, জব্দ মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক বাংলার সংবাদ সিনিয়র স্টাফ রিপোটার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক ০৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ০২ সরাইলের একমাত্র সরকারি মাধ্যমিকে ১৭ শিক্ষকের পদ শূন্য, ৬/৭ জনে চলছে পাঠদান সরাইলের মলাইশে মানব কল্যাণ যুব সংঘের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়, সরাইলের মলাইশে মানব কল্যাণ যুব সংঘের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়,

সত্যের পক্ষে তিন দশক কলমযোদ্ধা এম বাদল খন্দকারের গল্প।

Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সত্যের পক্ষে তিন দশক কলমযোদ্ধা এম বাদল খন্দকারের গল্প।

তাছলিমা খন্দকার নুশরাত ( স্টাফ রিপোর্টার)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সাংবাদিকতার নাম উচ্চারিত হলেই যে কয়েকজনের নাম সামনে আসে, তাদের মধ্যে অন্যতম নির্ভীক, আপসহীন কলম সৈনিক সাংবাদিক এম বাদল খন্দকার। মাদক, সন্ত্রাস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তার কলম আজও ক্ষুরধার।

তিনি মরহুম এডভোকেট নাজিম উদ্দীন খন্দকার ও মোছাঃ রহিমা আক্তার দম্পতির সন্তান। পিতা ছিলেন একজন আইনজীবী ও ন্যায়ের প্রতীক। পিতার সেই আদর্শকেই বুকে ধারণ করে ১৯৯৩ সালে লেখালেখির জগতে পা রাখেন এম বাদল খন্দকার।

সংবাদ প্রকাশ করেই মামলার শিকার, তবুও থেমে থাকেননি
সাংবাদিকতার শুরুতেই সত্য প্রকাশের মূল্য দিতে হয়েছে তাকে। ১৯৯৪ সালে এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম নিয়ে সাহসী নিউজ করার পর মিথ্যা মামলার শিকার হন তিনি। অনেকেই হয়তো সেখানেই থেমে যেতেন, কিন্তু তিনি থামেননি। সেই মামলাই তাকে আরও দৃঢ়, আরও প্রতিবাদী করে তোলে।

এরপর থেকে প্রিন্ট, অনলাইন এবং ভিডিও জার্নালিজম — তিন মাধ্যমেই তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন।

সরাইল তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যখন মাদকের ছোবল যুব সমাজকে গ্রাস করছিল, তখন কলমের মাধ্যমে যুদ্ধ ঘোষণা করেন এম বাদল খন্দকার। একের পর এক অনুসন্ধানী রিপোর্ট, ভিডিও প্রতিবেদন করে তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করেন। তার এই সাহসী ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি “মাদকবিরোধী সাংবাদিক” হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন।

বর্তমানে যে সব পত্রিকায় দায়িত্ব পালন করছেন,,

দীর্ঘ তিন দশকের অভিজ্ঞতায় তিনি এখন দেশের একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।

জাতীয় দৈনিক The Daily Bangia Sky,- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি
জাতীয় দৈনিক জনকথা – বিশেষ প্রতিনিধি
দৈনিক বাংলার সংবাদ – বিশেষ প্রতিনিধি

এছাড়াও অসংখ্য অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকার সাথে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

নেতৃত্বে ও সমাজসেবায় অগ্রণী

শুধু সাংবাদিকতাই নয়, সাংগঠনিক দক্ষতায়ও তিনি অনন্য। বর্তমানে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন—

সভাপতিবাংলাদেশ প্রেসক্লাব, সরাইল উপজেলা শাখা
সভাপতি,নাজিম উদ্দীন স্মৃতি সংসদ (পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন)
সভাপতি,উদয়ন যুব সংগঠন
সাধারণ সম্পাদক, ফ্রেন্ডস ক্লাব

এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত।

পারিবারিক জীবন:

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন সফল পিতা। তিন ছেলে ও এক মেয়ে সহ চার সন্তানের জনক তিনি। পরিবারের সকলের অনুপ্রেরণায় সাংবাদিকতাকেই জীবনের মূল পেশা ও ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।

এলাকার সুধীজন মনে করেন, এম বাদল খন্দকারের মতো নির্ভীক সাংবাদিকরা আছে বলেই সমাজে আজও সত্য প্রকাশের পথ খোলা আছে।


More News Of This Category