শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
Headline :
পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: উপসম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (PIO) কার্যালয়কে ঘিরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বরাদ্দের অর্থের ব্যবহার ও তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পসংক্রান্ত তথ্য জানতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকদের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগ এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সরকারি নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ এবং কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এডিপির আওতায় পাটগ্রাম উপজেলা এলজিইডির ১৫টি প্রকল্পে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এলজিইডি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (PIO) পৃথক সরকারি দপ্তর। তাই এলজিইডির কোনো অভিযোগকে সরাসরি PIO কার্যালয় বা PIO কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং PIO কার্যালয়ের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের অগ্রগতি কিংবা প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেক সময় ফোনে সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ফোন না ধরেছেন—এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ বলা হয়নি। কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন, সভা কিংবা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণেও ফোন ধরতে নাও পারেন। তাই অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সাংবাদিককে অর্থের বিনিময়ে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার বা ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো যাচাইযোগ্য উপাদান ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলা সমীচীন নয় কিন্তু তা ও সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভব। সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নাম, অনুমোদিত বরাদ্দ, বাস্তবায়ন কমিটি, কার্যাদেশ, কাজের পরিমাণ, বিল-ভাউচার এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির তথ্য প্রকাশ করা উচিত। বিশেষ করে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে PIO কার্যালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর নথিপত্র প্রকাশ করে সেগুলোর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কাজ মিলিয়ে দেখা হলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটতে পারে। এ কারণে ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিযোগের পরিবর্তে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পাটগ্রাম PIO কার্যালয়ের প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন ও ব্যয়ের নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে কিন্তু তাঁর সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। প্রতিবেদকের নোট: এই প্রতিবেদনে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্য ও উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সরকারি নথি, সরেজমিন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন। সঠিক সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হলো। গোবিন্দগঞ্জসহ গাইবান্ধায় ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ। কৃষকের অজান্তে ভুয়া ভাউচারে কোটি টাকা উত্তোলনের দাবি। গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবা সেলিম ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪ মধুপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী ‎​সিন্দুরমতি দিঘি হবে দৃষ্টিনন্দন ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র—ত্রাণমন্ত্রী দুলু। ‎ লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪ বাবার অসুস্থতা ভ্যান নিয়ে বেরিয়ে প্রতারণার শিকার রেজওয়ান। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ মধুপুরে খন্দকার মোতালিব হোসেনের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: শেষ রাতে গায়েহলুদ সম্পন্ন! এবার কি সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন তাহমিনা–ইয়াসিন?

লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী ‎​সিন্দুরমতি দিঘি হবে দৃষ্টিনন্দন ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র—ত্রাণমন্ত্রী দুলু। ‎ লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪

Update : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী ‎​সিন্দুরমতি দিঘি হবে দৃষ্টিনন্দন ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র—ত্রাণমন্ত্রী দুলু।

লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি
রওশন বাবু
০১৭২৫১৯২৪২৪

লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান ও ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি আকর্ষণীয় ধর্মীয় ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

​বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নে সিন্দুরমতি দিঘি ও পুকুরপাড়ের চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

​ত্রাণমন্ত্রী দুলু বলেন, “সিন্দুরমতি দিঘি শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তীর্থস্থান। দীর্ঘদিনের অযত্ন ও অবহেলার কারণে ঐতিহ্যবাহী স্থানটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। তবে এর সঙ্গে স্থানীয় ইতিহাস, লোককথা এবং ভক্তদের গভীর ধর্মীয় আবেগ জড়িত রয়েছে।” দিঘিটির ঐতিহ্য পুরোপুরি অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়নকাজ পরিচালনার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এর ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্ত ও পর্যটকরা নির্বিঘ্নে পূজা-পার্বণ ও পবিত্র স্নান সম্পন্ন করতে পারবেন।

​স্থানীয় ইতিহাস ও জনশ্রুতির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, একসময় এই অঞ্চলে তীব্র পানির সংকট দেখা দিলে স্থানীয় জমিদার নারায়ণ চক্রবর্তী একটি পুকুর খনন করেন। কিন্তু খননের পরও পানি না ওঠায় তাঁর দুই কন্যা—’সিন্দুর’ ও ‘মতি’ নিজেদের জীবন বিসর্জন দেন। পরবর্তীতে তাঁদের নামানুসারেই পুকুর ও স্থানটির নাম ‘সিন্দুরমতি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

​পরিদর্শনকালে মন্ত্রী জানান, এই ঐতিহাসিক স্থানটির উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে চলতি মৌসুমে আগাম বৃষ্টির কারণে কাজের গতি কিছুটা শ্লথ হওয়ায় তা পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। আগামী অক্টোবর মাসের শেষ দিক অথবা নভেম্বর মাসে পুনরায় পুরোদমে উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।

​তিনি স্পষ্ট করেন যে, সিন্দুরমতি দিঘির উন্নয়ন কেবল সাধারণ অবকাঠামোগত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ভক্তদের ধর্মীয় কার্যক্রম সহজ করার পাশাপাশি স্থানটির নান্দনিক সৌন্দর্য ও পরিবেশগত উন্নয়নও নিশ্চিত করা হবে। এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এটি দেশের অন্যতম প্রসিদ্ধ ধর্মীয় ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

​পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
​মনোনিতা দাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), লালমনিরহাট সদর ​মো. শামসুর রহমান, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ​এবিএম ফারুক সিদ্দিক, সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি
​এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


More News Of This Category

পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: উপসম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (PIO) কার্যালয়কে ঘিরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বরাদ্দের অর্থের ব্যবহার ও তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পসংক্রান্ত তথ্য জানতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকদের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগ এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সরকারি নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ এবং কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এডিপির আওতায় পাটগ্রাম উপজেলা এলজিইডির ১৫টি প্রকল্পে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এলজিইডি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (PIO) পৃথক সরকারি দপ্তর। তাই এলজিইডির কোনো অভিযোগকে সরাসরি PIO কার্যালয় বা PIO কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং PIO কার্যালয়ের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের অগ্রগতি কিংবা প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেক সময় ফোনে সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ফোন না ধরেছেন—এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ বলা হয়নি। কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন, সভা কিংবা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণেও ফোন ধরতে নাও পারেন। তাই অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সাংবাদিককে অর্থের বিনিময়ে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার বা ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো যাচাইযোগ্য উপাদান ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলা সমীচীন নয় কিন্তু তা ও সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভব। সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নাম, অনুমোদিত বরাদ্দ, বাস্তবায়ন কমিটি, কার্যাদেশ, কাজের পরিমাণ, বিল-ভাউচার এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির তথ্য প্রকাশ করা উচিত। বিশেষ করে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে PIO কার্যালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর নথিপত্র প্রকাশ করে সেগুলোর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কাজ মিলিয়ে দেখা হলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটতে পারে। এ কারণে ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিযোগের পরিবর্তে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পাটগ্রাম PIO কার্যালয়ের প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন ও ব্যয়ের নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে কিন্তু তাঁর সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। প্রতিবেদকের নোট: এই প্রতিবেদনে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্য ও উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সরকারি নথি, সরেজমিন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন। সঠিক সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হলো।

পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: উপসম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (PIO) কার্যালয়কে ঘিরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বরাদ্দের অর্থের ব্যবহার ও তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পসংক্রান্ত তথ্য জানতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকদের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগ এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সরকারি নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ এবং কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এডিপির আওতায় পাটগ্রাম উপজেলা এলজিইডির ১৫টি প্রকল্পে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এলজিইডি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (PIO) পৃথক সরকারি দপ্তর। তাই এলজিইডির কোনো অভিযোগকে সরাসরি PIO কার্যালয় বা PIO কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং PIO কার্যালয়ের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের অগ্রগতি কিংবা প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেক সময় ফোনে সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ফোন না ধরেছেন—এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ বলা হয়নি। কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন, সভা কিংবা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণেও ফোন ধরতে নাও পারেন। তাই অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সাংবাদিককে অর্থের বিনিময়ে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার বা ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো যাচাইযোগ্য উপাদান ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলা সমীচীন নয় কিন্তু তা ও সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভব। সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নাম, অনুমোদিত বরাদ্দ, বাস্তবায়ন কমিটি, কার্যাদেশ, কাজের পরিমাণ, বিল-ভাউচার এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির তথ্য প্রকাশ করা উচিত। বিশেষ করে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে PIO কার্যালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর নথিপত্র প্রকাশ করে সেগুলোর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কাজ মিলিয়ে দেখা হলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটতে পারে। এ কারণে ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিযোগের পরিবর্তে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পাটগ্রাম PIO কার্যালয়ের প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন ও ব্যয়ের নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে কিন্তু তাঁর সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। প্রতিবেদকের নোট: এই প্রতিবেদনে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্য ও উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সরকারি নথি, সরেজমিন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন। সঠিক সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হলো।