মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
Headline :
হবিগঞ্জ চুনারুঘাট ১নং গাজীপুর জামায়াতের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা মোঃ আজিজুল ইসলাম হৃদয় জেলা ব্যুরো চীপ হবিগঞ্জ দাবি। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাই উচ্চ বিদ্যালদত্তয়ের এসএসসি -২০২৬ পরীক্ষায দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য লালমনিরহাটে ২০০ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে ১১ শিক্ষক, তবুও এসএসসিতে পাসের হার ‘শূন্য’। কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে জমির বিরোধে দু পক্ষ সংঘর্ষে নিহত ১ জন আহত একাধিক। দিনাজপুরে কোটি টাকার প্রত্নসম্পদ কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কুড়িগ্রাম সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি যুবককে আটক করল বিএসএফ হাসান আল মামুন  রাত ১২টার আগেই ভেস্তে গেল অনলাইন জুয়ার আসর: ডিবির জালে কুখ্যাত ক্যাসিনো জুয়ারু ওয়াজেদ আলী রজব, স্মার্টফোন ও ৪ এমএস সিম উদ্ধার। ঠাকুরগাঁওয়ে OMS ডিলার নিয়োগে অনিয়ম: চাল-আটা নিয়ে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ

হবিগঞ্জ চুনারুঘাট ১নং গাজীপুর জামায়াতের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা মোঃ আজিজুল ইসলাম হৃদয় জেলা ব্যুরো চীপ হবিগঞ্জ

Update : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

হবিগঞ্জ চুনারুঘাট ১নং গাজীপুর জামায়াতের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
মোঃ আজিজুল ইসলাম হৃদয়
জেলা ব্যুরো চীপ হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন ১নং গাজীপুর ইউনিয়নে আলোচিত জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম সাজলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ০৫-০৮-২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকার সময় অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম সাজল কৌশলে ভুক্তভোগীর বসতঘরের জানালা দিয়ে প্রবেশ করে ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাজল দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন সময়ে খারাপ ইঙ্গিত ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্থানীয় মুরুব্বিদের জানালে তারাও নিষেধ করা সত্ত্বেও অভিযুক্ত বিভিন্ন প্রলোভন ও কু-প্রস্তাব দেওয়া অব্যাহত রাখে।

ঘটনার দিন ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করে। পরে সাজলের ফোন পেয়ে মিজান মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জন লোক এসে অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এই ঘটনা জানাজানি হলে বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, এরপর সাজল ও মিজান ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে মামলা বা সালিশ না করার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করে।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


More News Of This Category