শ্যামপুর মন্দার বাড়ির আব্দুল হাইর ছেলে আচা মিয়ার নাতি মাদক ব্যবসায়ী #জসিম ইয়াবা(মাদক)সহ বিক্রির সময় খেড়িহর সাতবাড়িয়ার কিছু সাহসী যুবক ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।সেসময় মানিকপুর থেকে আসা একটি ছেলে ইয়াবা ক্রেতা তাকেও পুলিশে দেওয়া হয় জসীম দীর্ঘদিন থেকে এই মাদক কারবারের সাথে জড়িত।সে আর আগেও একাধিক বার গ্রেপ্তার হয় পরে ছাড়া পেয়ে আরো ভয়ংকর হয়ে যায় মাদক ব্যবসার সাথে।
এসময় এলাকার যুবকরা জানতে চায় এই মাদক ব্যবসায় এবং সেবনে কারা কারা জড়িত জসীমের স্বীকার করে
১/যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম মিন্টু
পিতাঃ নরুল হক
অভিউল্যার বাড়ি (খোরশেদ মেম্বারের ছোট ভাই)
ব্যবসা এবং সেবনে জড়িত।
২/এরশাদ চৌকিদার (রিকশা চালক)
বিভিন্ন যায়গায় তার রিকশায় করে ইয়াবা সাপ্লাই করে।
চৌকিদার বাড়ি
৩/আরিপ হোসেন
পিতাঃ দুলাল চৌকিদার
অভিউল্যার বাড়ি
৪/রবি
পিতাঃজাহাঙ্গীর আলম
আঞ্জির বাড়ি
৫/আনিস মিয়াজি
সিএনজি চালক
খেড়িহর মিয়াজি বাড়ি (দঃ)
এখানে রবি,আরিপ,ও আনিসের ছবি না থাকায় পরিচয় করে দিতে পারি নি।কারো কাছে থাকলে দয়া করে কমেন্ট বক্সে দিয়ে দিবেন।
#হয়_খেড়িহর_ছাড়ো_না_হয়_মাদক_ছাড়ো।
সবাই এদের সাথে চলাফেরায় সাবধান হবেন এবং সন্দেহ হলেই সাথে আইনি সহযোগিতা নিবেন।
শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক,
এবং ওসি মহাদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ মাদক ব্যবসায়ী জসিম যেনো ছাড়া না পায় সেজন্য আপনার আইনী ব্যবস্থা নিবেন।এবং যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম মিন্টু সহ বাকীদের কে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।
আসুন সবাই মাদক কে না বলি,বেশি বেশি শেয়ার করি।