সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
লিচু দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, বখাটে যুবক গ্রেফতার। যেসব কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের মান-মর্যাদা। রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে মিঠাপুকুরে ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক রুবিওর দিল্লি সফরে ট্রাম্পের ফোন: ‘ভারত যা চায় তাই পাবে’ — বাংলাদেশ ইস্যুতে কী বোঝাপড়া? মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও দালিলিক প্রমান। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ জিয়ার হ্যাঁ/না ভোটরঙ্গ : ভোটারদের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার। আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ।

কুমিল্লায় দুই কৃষককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

Update : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, কুমিল্লা : কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ধনাইতরী জামতলা এলাকার কৃষক গিয়াস উদ্দিন ও জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান বলেন, মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন পলাতক রয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বাকি আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর দুজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ধনাইতরী এলাকার মো. তোফায়েল আহমেদ (তোঁতা), কামাল হেসেন, আলমগীর হোসেন, মো. মামুন, মোহাম্মদ বাবুল ও হারুনুর রশিদ। রায়ের সময় তোফায়েল আহমেদ, মো. মামুন ও হারুনুর রশিদ পলাতক ছিলেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন হায়দার আলী, আবুল মান্নান, জামাল হোসেন, আবুল বাশার, জাকির হোসেন, আবদুল কাদের ও আবদুল কুদ্দুস। তাঁরা সবাই রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. আমান ও মো. সেলিমকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১২ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ির পাশে বসে গল্প করছিলেন কৃষক গিয়াস উদ্দিন ও জামাল হোসেন। জমি ও মামলা–মোকদ্দমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ সময় আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই দুজনকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
এ ঘটনার পরদিন নিহত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট ১৫ জন আসামির নামে অভিযোগপত্র গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি ও ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জহিরুল হক ও রফিকুল ইসলাম জানান, তাঁরা আশা করছেন, শিগগির রায় কার্যকর হবে। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী কাইমুল হক বলেন, আসামিদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।


More News Of This Category