বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
Headline :
মিঠাপুকুরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ শরিফুল নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার *খুলনায় শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলেল সংবর্ধনা দিলেন কেসিসি প্রশাসক* ফেঞ্চুগঞ্জে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তিন মাসেও মিলেনি প্রতিকার,জনমনে প্রশ্ন হাফেজ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনার দাবি ছাত্র জমিয়তের মধুপুরে কূপে নিহত ৪ গারো পরিবারের মাঝে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা ও শুকনো খাবার বিতরণ বীরগঞ্জের সিংড়া জাতীয় উদ্যানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ভিত্তিক প্রকৃতি শিক্ষা কার্যক্রম মহাদেবপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে এক গৃহবধূর মৃত্যু মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি মহাদেবপুরে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার মুল আসামিদের গ্রেফতার ও ফাসির দাবিতে মানববন্ধন। ‎ ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি। সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সাঘাটায় মানববন্ধন মোঃ হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ

দুধকুমারের দুর্গম চর থেকে পলাতক খুনি আনন্দ গ্রেপ্তার আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২

Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

দুধকুমারের দুর্গম চর থেকে পলাতক খুনি আনন্দ গ্রেপ্তার
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২

লালমনিরহাটের আদিতমারী থেকে পলাতক খুনিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দুধকুমার নদের দুর্গম চর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আদিতমারী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিব সজীব।

গ্রেপ্তার খুনি আলমগীর হোসেন আনন্দ (৩২) আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের তালুক দুলালী বারোঘড়ি গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ২ জুন তালুক দুলালী বারোঘড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে উজ্জল মিয়াকে (২৬) ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলাপাথারি কুপিয়ে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তার আলমগীর হোসেন আনন্দের নেতৃত্বে ১৫-১৬জন এ হত্যাকান্ডে জড়িত ছিলেন। ঘটনার পর থেকে প্রধান আসামি আনন্দ বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। তিনি পাশের জেলা কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দুধকুমার নদে একটি দুর্গম চরে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন।

মামলার বাদী ও নিহত উজ্জল মিয়ার মা রহিমা বেগম জানান, ‘আমার চোখের সামনেই আমার ছেলে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। খুনিরা আমাদের বাড়িঘরও ভাংচুর করেছে। আমার ছেলেকে হত্যার পর প্রধান খুনি আনন্দ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। আমি খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’

ওসি নাজমুস সাকিব সজীব জানান, মামলার প্রধান আসামি পালিয়ে থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। সোর্স নিয়োগ করে প্রযুক্তির সহায়তায় খুনির অবস্থান নির্নয় করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে দুধকুমার নদের দুর্গম চর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।


More News Of This Category