শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
Headline :
লালমনিরহাটে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবার, পাশে দাঁড়ালেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। দিন কাটে স্কুলে, রাত কাটে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে গৃহহীন নাঈমের স্বপ্ন -পড়াশোনা করে একদিন মানুষ হবে। মাদরাসা নিবন্ধন নীতির প্রতিবাদে ১০ দফা দাবিতে ইসলামী সংগঠনগুলোর সমাবেশ। গাইবান্ধা আদালত প্রাঙ্গণের প্রধান ফটকে হামলার অভিযোগ, সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ট্রেইনারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ। এদিকে ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, “আগামী রোববার ঘটনাস্থলে সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ধর্মপাশা উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। মিঠামইন উপজেলা বিএনপি সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে হত্যা

তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে ফুলছড়িতে হাজারো মানুষের মানববন্ধন।

Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট এলাকায় স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, শিক্ষার্থীসহ নদী অববাহিকার হাজারো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট ফেরি রুট উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় এবং যমুনা নদীর নাব্য সংকটের কারণে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ সংযোগ সেতু নির্মিত হলে রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের যোগাযোগ সহজ হবে। একই সঙ্গে চরাঞ্চল ও পিছিয়ে পড়া জনপদের কৃষি, বাণিজ্য, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

তারা দাবি করেন, এ অঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি হলো যমুনা নদীর এ অংশে একটি সেতু অথবা টানেল নির্মাণ। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এ গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে চরাঞ্চলসহ সমগ্র জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


More News Of This Category