বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
কবিতা কুমারী দেবী, কবি, মুহাম্মদ রাউফুল বরাত বাঁধন ঢালী। রাজাপুর অবৈধ ১৫ টি চায়নাদুয়ারি জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গৌরনদীর টরকী বন্দরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দুই মাস বেতন না দিয়ে রাতের আঁধারে মাল সরানোর অভিযোগ: লালবাগে দা শানিন কর্পোরেশনের শ্রমিকদের বিক্ষোভ। দোয়া কামনা* প্রেস বিজ্ঞপ্তি: 15/04/2026. “ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন—‘আমাকে রক্ত দাও, আমি স্বাধীনতা দেব’। আমিও বলছি—আপনারা আমাকে ঐক্য দিন, আমি আপনাদের অধিকার আদায় করে দেব।” “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি: 15/04/2026. “ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন—‘আমাকে রক্ত দাও, আমি স্বাধীনতা দেব’। আমিও বলছি—আপনারা আমাকে ঐক্য দিন, আমি আপনাদের অধিকার আদায় করে দেব।” “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা। হবিগঞ্জ বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া গ্রামে ভাতিজার আঘাতে চাচার মৃত্য মোঃ আজিজুল ইসলাম হৃদয় জেলা ব্যুরো চীপ( হবিগঞ্জ) আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে সকলে মিলে ঐক্য বদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আবুল হাসেম স্যার।

গিয়াস নগর বাজার ও আকবরপুরের পাটের বাজারে খুচরা ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি, পণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যে বিপাকে দোকানিরা।

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৌলভীবাজার জেলা এর সদর উপজেলার ৯নং ওয়ার্ড আকবরপুর এলাকার অন্তর্গত গিয়াস নগর বাজার এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে খুচরা ব্যবসায়ীরা বাজারে পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এতে ছোট ছোট দোকানিরা ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।
পাকিস্তান আমল থেকেই ৯নং ওয়ার্ড আকবরপুর এলাকার এই বাজারটি “পাটের বাজার” নামে পরিচিত। একসময় এই বাজারটি ছিল এলাকার ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র। তবে বর্তমানে বাজারটি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে, ফলে নতুন প্রজন্মের অনেকেই এ বাজার সম্পর্কে অবগত নয়। বর্তমানে এখানে মাত্র তিন-চারটি ছোট দোকান টিকে আছে।
এই বাজারের একজন সৎ ও পরিশ্রমী ব্যবসায়ী আয়াছ আহমদ, যিনি “আয়াছ ভ্যারাইটিজ স্টোর” পরিচালনা করেন, তিনি বলেন—
“আমরা ঠিকভাবে ব্যবসা করতে পারছি না, কোনো লাভও হচ্ছে না। কারণ প্রতিটি পণ্যের দাম অনেক বেশি। বড় বড় ব্যবসায়ীরা (পাইকাররা) পণ্যের দাম বাড়িয়ে আমাদের কাছে বিক্রি করছে।”
তিনি আরও বলেন—
“আমরা যখন খুচরা বিক্রি করি, তখন পণ্যের দাম শুনে অনেক ক্রেতাই বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করেন— এখানে অন্য দোকানের তুলনায় পণ্যের দাম এত বেশি কেন? এতে আমাদের ওপর গ্রাহকদের আস্থা কমে যাচ্ছে।”
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পাইকারি পর্যায়ে একটি অসাধু চক্রের মাধ্যমে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
আয়াছ আহমদ আরও বলেন—
“এতে সাধারণ মানুষ যেন ভোগান্তির শিকার না হন, পাশাপাশি আমরা ব্যবসায়ীরাও যেন সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি— এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
স্থানীয়দের মতে, বাজার মনিটরিং জোরদার এবং পাইকারি পর্যায়ে দামের স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করা হলে এই সংকট আরও তীব্র হতে পারে।
শেষ কথা:
পণ্যের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি।
মাননীয় সরকারের প্রতি অনুরোধ, মৌলভীবাজার জেলা সহ সমগ্র বাংলাদেশে বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রেখে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
প্রতিবেদন তৈরি ও প্রকাশ:
সাংবাদিক শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব ঢাকা বাংলাদেশ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category