শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
Headline :
মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ থানায় অভিযোগ, এলাকায় তোলপাড়; ১৬ দিনেও রেকর্ড হয়নি মামলা: মনোহরপুরে অপহরণ-ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে সমঝোতার গুঞ্জন, প্রশ্নের মুখে তদন্ত নীলফামারীতে পৃথক সাপের কামড়ে শিশুসহ দুজনের করুণ মৃত্যু আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সুস্থ সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী। স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতায় SUS ও সাঘাটা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ঝালকাঠির জনপ্রিয় গীতিকার কবি ডাঃ জহিরুল ইসলাম বাদল এর লেখা কালজয়ী উপন্যাস “মেঘনার মাঝি” চলছে সারা দেশে, *বিজয়নগরে নতুন সাজে ফিরলো “ফুচকা’র আড্ডা এন্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতায় SUS ও সাঘাটা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর স্টাফ রিপোর্টারঃ গৌরনদী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সানাউল হাওলাদার সড়ক দুর্ঘটনায় আহত, দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন গৌরনদী প্রতিনিধি। গৌরনদী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সানাউল হাওলাদার সড়ক দুর্ঘটনায় আহত, দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন গৌরনদী প্রতিনিধি।

উসূলে ফিকহের কিছু নীতি।

Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

● অভ্যাসগত বিষয়ে মূলনীতি হলো—এগুলো বৈধ; যতক্ষণ না হারামের দলিল আসে।

(যেমন হারাম হবে যখন সে অভ্যাসটি কাফিরদের অনুসরণে করা হয়, তাদের কোনো ধর্মীয় সিম্বল হবে আর যখন কুফরী মতাদর্শের অনুসরণে করা হবে)

● ইবাদতের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো—দলিলের ওপর নির্ভরশীল (তাওকীফী); যতক্ষণ না শরীয়ত থেকে ইবাদত হওয়ার প্রমাণ আসে।

(সুতরাং মীলাদ কিয়াম ইত্যাদি ইবাদত না)

● মানুষের ব্যাপারে মূলনীতি হলো—নির্দোষ ধরা; যতক্ষণ না দোষ প্রমাণিত হয়।

● গায়েবি বিষয়ে মূলনীতি হলো—দলিলনির্ভর থাকা; যতক্ষণ না জ্ঞানের প্রমাণ আসে।

● বস্তুর ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো—পবিত্রতা; যতক্ষণ না অপবিত্রতার দলিল আসে।

● ইবাদতের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো—অন্যের পক্ষ থেকে আদায় করা যায় না (নিয়াবত নেই), যতক্ষণ না শরীআতে এর পক্ষে দলীলপাওয়া যাবে।

● নির্ধারিত সময়ে ইবাদত আদায় করলে তাকে বলা হয় “আদা (أداء)”; আর নির্ধারিত সময়ের বাইরে করলে তাকে বলা হয় “কাযা (قضاء)”। দলিল ছাড়া কাযা সাব্যস্ত হয় না।

● ওয়াজিব ও মুস্তাহাবের মধ্যে সংঘর্ষ হলে—ওয়াজিবকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

● ফরযে কিফায়া ও ফরযে আইন সংঘর্ষ হলে—ফরযে আইনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

● দুটি ক্ষতির মধ্যে পড়লে—কম ক্ষতিটিই গ্রহণ করা হবে। আর যদি দুটো থেকেই বাঁচার সুযোগ থাকে তো দুটোর কোনোটাই নেওয়া যাবে না।

● যে মুস্তাহাবের সময় বিস্তৃত, আরেকটি মুস্তাহাবের সময় সীমিত হলে—সীমিত সময়েরটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই বিধান ওয়াজিবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

● মাফসাদা (ক্ষতি) প্রতিরোধ করা—মাসলাহা (উপকার) অর্জনের চেয়ে অগ্রগণ্য; তবে যদি উপকারটি অধিক প্রাধান্যপূর্ণ হয়, তাহলে ব্যতিক্রম।

● মানুষ অক্ষম হলে ওয়াজিব রহিত হয়ে যায়।

● প্রয়োজন (যরুরত) দেখা দিলে হারামও হালাল হয়ে যায়; তবে যরুরত পরিমাণমতো নির্ধারিত—এতে বাড়াবাড়ি করা যাবে না।

● কুরআন ও সুন্নাহর আদেশের মূলনীতি হলো—ওয়াজিব ধরা; যদি না এমন কোনো দলিল থাকে যা তা মুস্তাহাবে পরিবর্তন করে।

● নিষেধাজ্ঞার মূলনীতি হলো—হারাম ধরা; যদি না এমন কোনো দলিল থাকে যা তা মাকরুহে পরিবর্তন করে।

❖ হক হলো সেটাই, যার পক্ষে কুরআন ও সুন্নাহর শরঈ দলিল প্রতিষ্ঠিত।

মানুষ যা বলে বা করে—তা হক হওয়ার মানদণ্ড নয়।

সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া মানেই হকের উপর থাকা নয়;

কারণ হক দলিলের সাথে সম্পর্কিত—মানুষের সংখ্যা বেশি না কম, তার সাথে নয়।

✍️ Abubakar Muhammad Zakaria (Hafizahullah)

https://www.facebook.com/share/p/1BEWF7xQUb/


More News Of This Category