( ক্রাইম রিপোর্টার
মোঃ সোহেল রানা ) ভোট কেন্দ্রগুলোকে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে।
প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনা, অবাধ নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খুলনার রূপসা উপজেলার ৬৬ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে রাত পোহালে। এ ৬৬ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২৩ টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই কেন্দ্রগুলোতে নিয়োজিত হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এদিকে প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ব্যালট পেপার, নির্বাচনী সামগ্রী, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার এবং পুলিশ ও আনসার বাহিনী পৌঁছে গেছে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার সূত্রে জানা গেছে, আইচগাতী ইউনিয়নে ১৫ টি, শ্রীফলতলা ইউনিয়নে ১০ টি, নৈহাটি ইউনিয়নে ২০ টি, টিএসবি ইউনিয়নে ৮ টি এবং ঘাটভোগ ইউনিয়নে ১৩ টি রয়েছে, সর্বমোট ৬৬ টি ভোট কেন্দ্র। সহকারী নির্বাচন অফিসার মোঃ মুরাদ হোসেন জানিয়েছেন, ৬৬ টি ভোট কেন্দ্রে পুরুষ ভোটার ৮১,১০৭ জন, মহিলা ভোটার ৮৪,১৯১ জন, ৩ জন হিজড়া ভোটার যুক্ত করে সর্বমোট ১,৬৫,৩০১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে রূপসা অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ আবদুর রাজ্জাক মীর জানিয়েছেন, প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকবেন ৩ জন পুলিশ কনস্টেবল, ১ জন এসআই এবং ১৩ জন আনসার। সাধারন ভোট কেন্দ্রে ২ জন পুলিশ কনস্টেবল ও ১২ জন আনসার থাকবে। এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তা রক্ষীদের কাছে অস্ত্র থাকবে। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নির্বিগ্ন সম্পাদনের জন্য রূপসা উপজেলায় ৫ টি ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর ৩ টি অভিজ্ঞ টিম, র্যাবের ভ্রাম্যমান টিম, বিজিবি এবং ভ্রাম্যমাণ পুলিশ বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা বলেছেন, নির্বাচনের অবাধ, নিরপেক্ষ ও অর্থবহ করতে রূপসা উপজেলায় তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সূত্রমতে, নৈহাটি ইউনিয়নে মোঃ বদিউজ্জামান, আইচগাতী ও শ্রীফলতলা ইউনিয়নে মাহেরা নাজনিন, টিএসবি এবং ঘাটভোগ ইউনিয়নে ইফতেখারুল ইসলাম শামীম এই দায়িত্ব পালন করতে যাবেন।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আচরণ বিধি লঙ্ঘন বা কোন কেন্দ্রে নির্বাচনের কার্যক্রম বন্ধের প্রয়াসে আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এছাড়া সার্বিক মনিটরিংয়ের দায়িত্বে রয়েছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার খুলনা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং রূপসা থানার অফিসার্স ইনচার্জ। খুলনা-৪ আসনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩ জন প্রার্থীর বাড়ি রূপসা উপজেলায় অবস্থিত হওয়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি থাকতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহলের মতামত। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস কে আজিজুল বারী (ধানের শীষ), ১১ দলের জোটের প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন (দেওয়াল ঘড়ি), চরমোনাই পীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমদ (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম আমজাদ হোসেন (ফুটবল) রয়েছেন।