বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
Headline :
ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গজারিয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ। সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত ডেকোরেশন ব্যবসা নাকি সীমান্তে মাদক বহন—অভিনব কায়দায় ইয়াবা কারবারির নতুন নাটক রাজবাড়ী-২ আসনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী হারুনের সহধর্মিণী হাদীস সংকলন ও সংরক্ষণের ইতিহাস রংপুর সদরে আদালতের রায় অমান্য করে মসজিদের জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ঐতিহ্যবাহী ফেকামারা কামিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬: গাইবান্ধায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত মো. নওয়াব আলী প্রধান দেবহাটায় এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন : জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে নির্যাতিত যুবক : আইনী সহযোগিতার আশ্বাস পুলিশের

নরসিংদীর সদর উপজেলার অলি কে ৮ টুকরা করে স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্যের কারণে , গ্ৰেফতার (৩)

বিশেষ প্রতিনিধিঃ  / ২৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

উত্তরা ঢাকা ও চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে RAB (1-7) গত শনিবার ৯ আগস্ট অলি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২) সহ তিনজনকে ।চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- নরসিংদী সদর থানার করিমপুর এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২), মজনু মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন রনি (২৫) ও শাওন বেগম (৩২)। নিহত অলি মিয়া একই এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তারা সবাই টঙ্গী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) জানায় নরসিংদীর একই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় আগে থেকেই তাঁরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। একসঙ্গে চলাফেরা করতেন নিকটতম আত্বিয়ের মতন। একে অন্যের বাসায় ছিল যাতায়াত। নিহত অলি আসামি আপেল মাহমুদ সাদেকের স্ত্রীর চরিত্র সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন। এতে সাদেক উত্তেজিত হন।

আরও পড়ুনঃ রাজনীতিতে ক্ষমতার ব্যবহার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কে সিদ্ধান্ত নেবে, কিভাবে নেবে, এবং এই সিদ্ধান্তের প্রভাব কী হবে, তা রাজনীতিতে আলোচনা ও বিতর্কের বিষয়

প‌রে সাদেক ও সাজ্জাদ হোসেন রনি মিলে অলিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ৬ আগস্ট কৌশলে টঙ্গীর বনমালা রেল‌গেট এলাকায় সাদেকের ভাড়া বাসায় অলিকে আনা হয়। এরপর সাদেক ও সাজ্জাদ মিলে অলিকে ট্রেনের নীচে ফেলে হত্যা করতে রেললাইনে নিয়ে যান। কিন্তু ওই সময় কোনো ট্রেন না থাকায় অলিকে নি‌য়ে সাদেকের বাসায় ফিরে আসেন তারা।

এর কিছুক্ষণ পর সাদেক ও রনি রুমের দরজা বন্ধ করে প্রথ‌মে অলির মু‌খে বা‌লিশ চাপা দি‌য়ে হত্যা করেন। প‌রে তার লাশ ৮ টুকরা করেন এবং মাথাটি শরীর থে‌কে আলাদা ক‌রে প‌লি‌থি‌নে পেঁচিয়ে এক‌টি ব‌্যা‌গের ভেত‌রে ভ‌রে টয়লেটের ফলস ছাদে রে‌খে ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category