সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
Headline :
জনগনের উন্নয়ন ও জনবান্ধব কাজ করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর, ময়মনসিংহে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মকবুল হোসেন, সিনিয়র রিপোটার স্বামীকে খুঁজতে মধুপুরে, পাশে দাঁড়াল প্রয়াস টিম—ইউএনওর নির্দেশে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: দিনাজপুর বিরলে সংযোগ সড়ক নিয়ে বিরোধে মানববন্ধনে হামলা, সাংবাদিকদেরও হেনস্তার অভিযোগ রনজিৎ সরকার রাজ দিনাজপুর প্রতিনিধি: সার্বিক উন্নয়নে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে গাইবান্ধার চার এমপির সাক্ষাৎ। মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্ততিসভা অনুষ্ঠিত মোঃ আবুল খায়ের( মনোহরগঞ্জ) কুমিল্লা পারভীন ম্যাডাম— মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পারভীন ম্যাডাম শাসনের আড়ালে যে মমতা ছিল মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক স্টাফ স্টাফ দৈনিক বাংলার স্ংবাদ, মধুপুরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই তরুণ। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ দইখাওয়া টেকনিক্যাল কলেজের পেছনে মাদকের আসর? সালামকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ, ভিডিও ভাইরালের পরও থামেনি কারবার। লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২ মধুপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের বাহুবলে নাজমা আক্তার হত্যা বিচারের দাবিতে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
হবিগঞ্জে নাজমা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত নারীর ভাই মনি মিয়া গত ১০মে ২০২৬ ইং তারিখে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, তার বোন নাজমা আক্তার হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিতভাবে প্রকৃত আসামিদের আড়াল করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, “হত্যাকাণ্ড নিরাপদ করতে ভিকটিমের আপন ভাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিয়ে আব্দুল গণি কৌশলে জেলে পাঠিয়ে দেন।”

লিখিত বক্তব্যে মনি মিয়া জানান, তার বোন হত্যার সঠিক বিচারের দাবিতে গত ৮ মার্চ তিনি হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের সতীন সিতারা বেগম, তার ভাই আব্দুল গণি, চন্দু মিয়া, তাদের পিতা কন্ঠুই মিয়াসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার বোন মারা যাওয়ার প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগে আসামিদের কয়েকজন মিলে কটিয়াদী বাজারে তার বোনের দেবর তোরাব আলীকে মারধর করে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে নিহত নাজমা আক্তার তাকে জানিয়েছিলেন যে, আব্দুল গণি তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। এমনকি তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

মনি মিয়া আরও বলেন, পরবর্তীতে নানা প্রলোভন ও চাপে তার বোনকে সতীন সিতারা, গণি মিয়া ও কন্ঠুই মিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। অথচ জমিজমা সংক্রান্ত কোনো বিরোধ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিল না; যা ছিল তা ছিল পৈত্রিক সম্পত্তি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তার বোন হত্যার পেছনে বড় ধরনের স্বার্থ জড়িত ছিল। তিনি বলেন, “আমার বোনকে হত্যার মাধ্যমে একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছে। একদিকে সতীনকে মুক্ত রাখা, অন্যদিকে আমার প্রবাসী বোন তাজমা আক্তারের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে পরিকল্পিতভাবে তদন্তকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এ সময় তিনি প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মনি মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি নিরীহ মানুষ। আমাদের পিতা-মাতা কেউ জীবিত নেই। দুই বোনের মধ্যে একজনকে হারিয়ে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। আমার বোন নাজমা আক্তারের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”

তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানান এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


More News Of This Category