সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
Headline :
লালমনিরহাটে আলোচিত সুমন হত্যা মামলার ২ নং আসামি রেজাউল মিয়া আজ ভোরে রংপুর র‍্যাবের হাতে আটক হয়েছে। কালীগঞ্জে আবদুল্লাহ্ এগ্রো ফুডে যৌথ অভিযান: ২ লাখ টাকা জরিমানা, কারখানা বন্ধের নির্দেশ। লালমনিরহাটের রিপ্রেজেনটেটিভদের ন্যায্য দাবি আদায়ে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। দালাল নয়, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভগণ এদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী”— এই স্লোগানকে সামনে রেখে পেশার মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে খাগড়াছড়িতে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গজারিয়ায় ভূমিদস্যুদের রুখে দেওয়ার ঘোষণা এমপি কামরুজ্জামান রতনের। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্র্যাকের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ। হবিগঞ্জের বাহুবলে নাজমা আক্তার হত্যা বিচারের দাবিতে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন হওপাচারয়া থানায় আটককৃত ৮ হাজার জ্বালানীতেল ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে আনলোড লালমনিরহাটে গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী রংপুরে গেপ্তার।

হবিগঞ্জের বাহুবলে নাজমা আক্তার হত্যা বিচারের দাবিতে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
হবিগঞ্জে নাজমা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত নারীর ভাই মনি মিয়া গত ১০মে ২০২৬ ইং তারিখে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, তার বোন নাজমা আক্তার হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিতভাবে প্রকৃত আসামিদের আড়াল করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, “হত্যাকাণ্ড নিরাপদ করতে ভিকটিমের আপন ভাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিয়ে আব্দুল গণি কৌশলে জেলে পাঠিয়ে দেন।”

লিখিত বক্তব্যে মনি মিয়া জানান, তার বোন হত্যার সঠিক বিচারের দাবিতে গত ৮ মার্চ তিনি হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের সতীন সিতারা বেগম, তার ভাই আব্দুল গণি, চন্দু মিয়া, তাদের পিতা কন্ঠুই মিয়াসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার বোন মারা যাওয়ার প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগে আসামিদের কয়েকজন মিলে কটিয়াদী বাজারে তার বোনের দেবর তোরাব আলীকে মারধর করে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে নিহত নাজমা আক্তার তাকে জানিয়েছিলেন যে, আব্দুল গণি তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। এমনকি তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

মনি মিয়া আরও বলেন, পরবর্তীতে নানা প্রলোভন ও চাপে তার বোনকে সতীন সিতারা, গণি মিয়া ও কন্ঠুই মিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। অথচ জমিজমা সংক্রান্ত কোনো বিরোধ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিল না; যা ছিল তা ছিল পৈত্রিক সম্পত্তি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তার বোন হত্যার পেছনে বড় ধরনের স্বার্থ জড়িত ছিল। তিনি বলেন, “আমার বোনকে হত্যার মাধ্যমে একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছে। একদিকে সতীনকে মুক্ত রাখা, অন্যদিকে আমার প্রবাসী বোন তাজমা আক্তারের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে পরিকল্পিতভাবে তদন্তকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এ সময় তিনি প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মনি মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি নিরীহ মানুষ। আমাদের পিতা-মাতা কেউ জীবিত নেই। দুই বোনের মধ্যে একজনকে হারিয়ে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। আমার বোন নাজমা আক্তারের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”

তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানান এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


More News Of This Category