প্রতিবেদক: শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ
মৌলভীবাজার সদর ১২নং গিয়াস নগর ইউনিয়নের সাংবাদিক শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ অভিযোগ করেছেন যে, ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর তিনি একটি সংবাদ প্রকাশের সময় স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী যুবলীগের ক্যাডারের কাছ থেকে প্রাণে মারার হুমকি ও হামলার চেষ্টা মোকাবিলা করেছিলেন। এরপরও ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর একই ধরনের হুমকি ও হামলার চেষ্টা পুনরায় সংঘটিত হয়।
শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ জানান, তিনি এলাকায় মাদক, অনিয়ম এবং ইউনিয়নের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন। সাংবাদিকতার স্বাভাবিক কাজের কারণে স্থানীয় যুবলীগের কিছু ক্যাডার ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে কানে আঘাত করার চেষ্টা এবং প্রাণে মারার হুমকি দেয়।
ঘটনার বিবরণ:
প্রথম ঘটনা: ১২ নভেম্বর ২০২৪
দ্বিতীয় ঘটনা: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সময়: সকাল ১১:২৭
স্থান: রায়না বেগমের বাড়ির সামনের রাস্তা, গিয়াস নগর, মৌলভীবাজার সদর
অভিযোগ অনুযায়ী, সন্ত্রাসী যুবলীগের কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিককে লাঠি ও ঘুষি দিয়ে মারধরের চেষ্টা করে এবং তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। তিনি আহত হয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী:
১. নাজিম মিয়া
২. দুলাল মিয়া (পিতা: নাজিম মিয়া)
৩. জয়ধন বেগম (স্বামী: নাজিম মিয়া)
৪. মসাহিদ (পিতা: মনা মিয়া)
উপস্থিত সাক্ষীরা ঘটনার সময় সবকিছু প্রত্যক্ষ করেছেন।
সাংবাদিকের বক্তব্য:
শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ বলেন,
“আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে সত্য সংবাদ প্রকাশের চেষ্টা করেছি। এর ফলে আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা শুধু আমার জন্য নয়, সমগ্র সাংবাদিক সমাজের জন্যই হুমকিস্বরূপ। ইউনিয়নের কিছু তথ্য প্রকাশ করার কারণে তাদের ক্ষিপ্ততা স্পষ্ট।”
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান ও মিডিয়ার দাবি:
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব ঢাকা, বাংলাদেশ এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক, যাতে অন্যরাও সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হুমকি বা হামলার সুযোগ না নিতে পারে। এ ধরনের অপরাধ যেন ভবিষ্যতে কখনো আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।