শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline :
লুঙ্গি ফেলে শিক্ষকের দৌড়! নেপথ্যে কী কারণ? গাইবান্ধায় বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: চালক নিহত, আহত ৫ ভ্যান হারিয়ে কাঁদা রেজওয়ানের মুখে হাসি ফুটালো সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসন দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে পারলে সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবে আকাশ সমান! আদিতমারীতে অবৈধ সার বিক্রির দায়ে দুইজনকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা। লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি ব্রহ্মপুত্রের বুকে দুর্গম চর ঢুষমারা স্বেচ্ছাশ্রমে শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ে দিচ্ছেন কলেজ শিক্ষার্থী মুক্তা ফুলের গন্ধ মাখি তাছলিমা আক্তার মুক্তা মনোহরগঞ্জের বাইশগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন উদ্যোগে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষৃঠাবার্ষিকী পালিত ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি মামলা তুলে নিতে বাদী-সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ।

শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মমতা গ্রেপ্তার। লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪

Update : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মমতা গ্রেপ্তার।

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলাল ফলিমারী গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নন্দিনী রানী (৭) হত্যা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৯টার দিকে লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের কালীরপাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদিতমারী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিব সজীব গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার আসামি হলেন মমতা রানী (৩৭)। তিনি ফলিমারী গ্রামের রনজিত কুমারের (৪২) স্ত্রী। এর আগে মমতার ছেলে বিধান চন্দ্র (২০) ও স্বামী রনজিত কুমার একই মামলার গ্রেপ্তার হয়েছেন।

ওসি জানান, গত ১৬ জুন মঙ্গলবার সকালে ফলিমারী গ্রামে শিশু নন্দিনীর বস্তাবন্দি মরদেহ ভুট্টাখেত থেকে উদ্ধার হওয়ার পর থেকে মমতা রানী বাড়িছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। ওই দিনেই মমতার স্বামী ও ছেলে গ্রেপ্তার হয়। নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মণ (৩৮) ১৬ জুন রাতে আদিতমারী থানায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের ছেলেকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
’বাড়িছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে মমতা রানী বিভিন্ন সময় তার অবস্থান পরিবর্তন করেন। গোপন সংবাদেরি ভিত্তিতে অবশেষে তাকে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়,’ ওসি বলেন।

ওসি জানান, পারিবারিক পুর্ব শত্রুতার জেরধরে শিশু নন্দিনীকে হত্যা করে বিধান চন্দ্র। পরে তার বাবা-মায়ের পরামর্শে শিশুটির মরদেহ বস্তাবন্দি করে গ্রামের একটি ভুট্টাখেতের ভেতর মাটিচাপা দিয়ে রাখেন। শিশুটি ১৫ জুন সোমবার বিকেলে খেলাধুলা করতে বাড়ি থেকে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয়েছিল। শিশুটি স্থানীয় ব্র্যাক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।

’প্রধান আসামি বিধান চন্দ্র আদালতে শিশু নন্দিনী হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। আমরা খুব দ্রুতই মামলাটির চার্জশিট আদালতে দাখিল করবো,’ ওসি জানান।


More News Of This Category