শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
Headline :
বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত সাঘাটার কৃতি সন্তান ড. মো. ফিরোজ কবির ; পেশার উন্নয়ন, গবেষণা ও মানসম্মত সেবায় কাজের অঙ্গীকার বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত সাঘাটার কৃতি সন্তান ড. মো. ফিরোজ কবির ; পেশার উন্নয়ন, গবেষণা ও মানসম্মত সেবায় কাজের অঙ্গীকার মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি। মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের আতঙ্কের নাম সোহেল সাইদুর সিন্ডিকেট । ১৮, ৭, ২০২৬, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি। রওশন বাবু। ‎রাজিবপুর মডেল প্রেস ক্লাবের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি মোখলেছুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান (জিয়া) সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল আমিন জিয়াউর রহমান জিয়া রাজিবপুর ( কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ বিক্রয় পেশাজীবী এসোসিয়েশ(BSPA)এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ২১ আগস্ট, আবেদন ফরম গ্রহণ চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত স্টাফ রিপোর্টার: সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক দুইটি অভিযানে এস্কাফ সিরাপ ও ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি বান্দরবানে বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মোহাম্মদ আকাশ , বান্দরবান জেলাপ্রতিনিধি: লালমনিরহাটে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবার, পাশে দাঁড়ালেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের আতঙ্কের নাম সোহেল সাইদুর সিন্ডিকেট । ১৮, ৭, ২০২৬, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি। রওশন বাবু।

Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের আতঙ্কের নাম সোহেল সাইদুর সিন্ডিকেট ।
১৮, ৭, ২০২৬,

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।
রওশন বাবু।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন,
বেশ কিছু বছর ধরে সংবাদ পত্রের পাতায় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে, নুরুজ্জামান সরকার সোহেল, ও তাঁর
চাচা সাইদুর ইসলাম এর রেল কর্মচারীদের প্রতি জুলুম আতঙ্ক ও দুর্নীতির রিপোর্ট।

১৫ নভেম্বর ২০২০,রোজ রবিবার লালমনির কাগজ সাপ্তাহিক পত্রিকাটি সহ অনলাইন বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল ধারাবাহিক ভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে নিউজ করে চলছে। বিভিন্ন নিউজ এর সূত্র ধরে সত্যের সন্ধানে নেমে পড়ে এক ঝাক সৎ অনুসন্ধানী সাংবাদিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে
লুটপাট জুলুম ও দুর্নীতিবাজ মাফিয়াদের সন্ধান ।

নুরুজ্জামান সরকার সোহেল পিতা, আজিজুর রহমান ওরফে ভুয়া আজিজ।
আজিজুর ছিলেন কাউনিয়ার সাবেক ফয়েজম্যান, লালমনিহাট জেলা বিভাগীয় রেলের সকল দপ্তরের অফিসারদের নকল সিল ছিল তার কাছে, রেল অঙ্গন ছিল তাদের অবৈধ সম্পদ উপার্জনের হাতিয়ার, বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। নুরুজ্জামান সরকার সোহেল রেলওয়ে লালমনিরহাট সদর দপ্তরের ট্রাফিক বিভাগের অফিস সহকারী পদে চাকরিতে যোগ দেন।
এর পর সোহেল হয়ে যান লালমনিরহাট রেল অঙ্গনের মাফিয়া। এখন সে মিনিমাম ২০,থেকে ২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক,
তাঁর চাচা সাইদুর ও ১০,থেকে ১৫ কোটি অবৈধ সম্পদের মালিক বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এই তর্থ।, নামে বে নামে রংপুর বিভাগ জুড়ে রয়েছে তাদের চাচা ভাতিজার সম্পদ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকতে সোহেল আওয়ামী লীগের ঠিকাদার নেতাদের গ্রিপে ছিলেন,
এবং সে নিজেও আওয়ামী লীগ এর রাজনীতির সাথে সংপৃক্ত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৪ শেখ হাসিনা সরকার এর পতনের পর, তাঁর চাচা সাইদুর এর হাত ধরে চলে যান বি এন পি নেতা ঠিকাদার দের গ্রিপে।
তাঁর চাচা সাইদুর বি এন পি রেল শ্রমিক দলের একজন সক্রিয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি।
তাদের চাচা ভাতিজার আছে আবার ব্যাক্তিগত সন্ত্রাসী বাহিনী। সরকারি নিয়ম নীতি কে তোয়াক্কা করেন না তাঁরা।
সোহেল ও সাইদুর,,
অফিস ও করেন নিজেদের ইচ্ছে মতো,কখন আসেন কখন যান তা শুধুই তাদের মর্জির উপর নির্ভর করে।
রেলওয়ে তে সোহেল এর তিন চাচা,তিন চাচী,
সোহেল এর চাচাতো ভাই, তাদের বউ,এবং বোন আরজিনা, চাকরি রত আছেন। আরজিনার চাকুরীতে ও আছে বড় ধরনের নয়- ছয় এর তর্থ। সোহেল এর বোন আরজিনার কর্মস্থল রমনা বাজার স্টেশনের বুকিং অফিস হলেও সেখানে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে পাওয়া যায় তাকে লালমনিরহাট ডিটিএস অফিসে। বিষয়টি ডিটিএস এর কাছে জানতে চাইলে সে বিষয় টি এরিয়ে যায়।
এই সোহেল ও সাইদুর এর বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁরা তাদের ব্যাক্তিগত সন্ত্রাসী বাহিনী দাঁড়া লাঞ্চিত করেন। এবং দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেন বলে প্রমান আছে। সাইদুর রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী লালমনিরহাট অফিসের অফিস সহকারী। এদিকে রেলওয়ের সাধারণ অনেক কর্মচারী পরিচয় গোপন রাখার প্রতিশ্রুতিতে অনেক তর্থ দেন ও দুঃখ প্রকাশ করেন। সোহেল সাইদুর এর অনেক অপকর্মের ঘটনা তুলে ধরেন।
যা লিখে শেষ হবার নয়। এই সোহেল সাইদুর গংরা গোটা রেলওয়ে কে দখল ও জিম্মি করে রেখেছেন। তাদের পরিবারের ৮ থেকে ১০ জন রেলওয়ে তে চাকরি করেন। তাদের দ্বারা রেলওয়ের সাধারণ কর্মচারীরা প্রতিনিয়তই নির্যাতিত নিগৃত হন বলে জানা যায়।
অধিনস্ত অফিসার দের কে ম্যানেজ, রাজনৈতিক প্রভাবে হুমকি দিয়েই অপকর্ম করে চলছে তাঁরা। বদলি ব্যানিজ্য, ও টেন্ডার সংক্রান্ত সকল কিছুই তাদের নিয়ন্ত্রণে বলে জানা যায়।
২০২০ রংপুর অঞ্চলের দুদকের পরিচালক আব্দুল করিম।
নুরুজ্জামান সরকার সোহেল ও চাচা সাইদুর এর অভিযোগ পত্র পান বলে পত্রিকা সুত্রে জানা যায়।পরে আব্দুল করিম কোনও রকম ভাবে তদন্ত করে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের বাণিজ্য করে বিষয় টা নিয়ে চেপে যান, বলে জানা যায়। সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের দাবি তাদের অবৈধ সম্পদের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ উৎসের তদন্ত করা। এবং রাজনৈতিক দলের প্রভাব হুমকি থেকে সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের নিরাপত্তা দেওয়া। নিরাপত্তার সার্থে তাদের বিরুদ্ধে আইন আনুক ব্যাবস্থা গ্রহণ করার আর্জি সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের। সরকারি সম্পদ আর্তসাদ ঠেকাদে জনগণের সম্পদ রক্ষা করতে এই মাফিয়াদের আইনের আয়ত্তে আানার কোনও বিকল্প নাই।
শাকিলা ও শারমিন নামের দুই নারী রেল কর্মী এদের দুজনের পোস্ট ছিল ফরেজমেন্ট,
কিন্তু এখন তারা ডিটিএস অফিসের অফিস সহকারি এই রথ বদল হতেও খুশি করতে হয়েছে নুরুজ্জামান সরকার সোহেলকে বলে জানা যায়। এই সকল মাফিয়াদের হাত থেকে সরকারি সম্পদ রক্ষা করা এখন সরকারের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো। সোহেল ও সাইদুর কে অফিসে না পাওয়া গেলে তাদের মুঠো ফোনে কল করলে তারা সকল অভিযোগ এড়িয়ে যান। আইনের সু শাসন জনগণের সম্পদ রক্ষারত্থে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী রইলো।
এবং অবিলম্বে তাদের কালো হাত রুখতে সাধারণ রেল শ্রমিকদের দাবী ও অনুরোধ রইলো রাষ্টের কাছে।


More News Of This Category