রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline :
লালমনলালমনিরহাট রেল ডিভিশনে লুটপাট করে খাচ্ছে চাচা ভাতিজা। ৪. ৭.২০২৬ লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি। লালমনলালমনিরহাট রেল ডিভিশনে লুটপাট করে খাচ্ছে চাচা ভাতিজা। ৪. ৭.২০২৬ লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি। কালিয়াকৈরে রুমাইসা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে রডবোঝাই ট্রাক বিলে পড়ে ৩ শ্রমিক রডচাপায় আহত *যশোর ও ফরিদপুরে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে যশোরের চাঞ্চল্যকর প্রতিবন্ধী আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলার এজাহার নামীয় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬ যশোর ও ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প* দৈনিক বাংলার সংসার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা *সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থেকে ৭১২ বোতল উইনকেরিক্স, ৯৪১ বোতল এসকাফ, ২২৮ বোতল ফেয়াড্রিলসহ সর্বমোট ১,৮৮১ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১৪৮০ পাতা ভারতীয় ঔষধ, ৯৬ হাজার প্যাকেট ভারতীয় পাতা বিড়িসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬, সিপিসি-১, সাতক্ষীরা।* গাইবান্ধায় ডিবির মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে দুইজন গ্রেপ্তার সেই তহশীলদারের বদলী,রেজিস্ট্রার খাতা ছেঁড়ার পেছনে রহস্য কি! কুড়িগ্রামে গ্যাসবাহী ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৪ বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার আন্দোলন শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল মাদক, জুয়া, যৌতুক ও বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান।

লালমনলালমনিরহাট রেল ডিভিশনে লুটপাট করে খাচ্ছে চাচা ভাতিজা। ৪. ৭.২০২৬ লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।

Update : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

লালমনলালমনিরহাট রেল ডিভিশনে লুটপাট করে খাচ্ছে চাচা ভাতিজা।
৪. ৭.২০২৬

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন,
বেশ কিছু বছর ধরে সংবাদ পত্রের পাতায় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে, নুরুজ্জামান সরকার সোহেল, ও তাঁর
চাচা সাইদুর ইসলাম এর রেল কর্মচারীদের প্রতি জুলুম আতঙ্ক ও দুর্নীতির রিপোর্ট।

১৫ নভেম্বর ২০২০,রোজ রবিবার লালমনির কাগজ সাপ্তাহিক পত্রিকাটি সহ অনলাইন বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল ধারাবাহিক ভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে নিউজ করে চলছে। বিভিন্ন নিউজ এর সূত্র ধরে সত্যের সন্ধানে নেমে পড়ে এক ঝাক সৎ অনুসন্ধানী সাংবাদিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে
লুটপাট জুলুম ও দুর্নীতিবাজ মাফিয়াদের সন্ধান ।

নুরুজ্জামান সরকার সোহেল পিতা, আজিজুর রহমান ওরফে ভুয়া আজিজ।
আজিজুর ছিলেন কাউনিয়ার সাবেক ফয়েজম্যান, লালমনিহাট জেলা বিভাগীয় রেলের সকল দপ্তরের অফিসারদের নকল সিল ছিল তার কাছে, রেল অঙ্গন ছিল তাদের অবৈধ সম্পদ উপার্জনের হাতিয়ার, বলে লোক মারফত জানা যায়। নুরুজ্জামান সরকার সোহেল রেলওয়ে লালমনিরহাট সদর দপ্তরের ট্রাফিক বিভাগের অফিস সহকারী পদে চাকরিতে যোগ দেন।
এর পর সোহেল হয়ে যান লালমনিরহাট রেল অঙ্গনের মাফিয়া। এখন সে মিনিমাম ২০,থেকে ২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়ে গেছেন, তাঁর চাচা সাইদুর ও ১০,থেকে ১৫ কোটি অবৈধ টাকার মালিক বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এই তর্থ।, নামে বে নামে রংপুর বিভাগ জুড়ে রয়েছে তাদের চাচা ভাতিজার সম্পদ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকতে সোহেল আওয়ামী লীগের ঠিকাদার নেতাদের গ্রিপে ছিলেন, এবং সে নিজেও আওয়ামী লীগ এর রাজনীতির সাথে সংপৃক্ত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৪ শেখ হাসিনা সরকার এর পতনের পর, তাঁর চাচা সাইদুর এর হাত ধরে চলে যান বি এন পি নেতা ঠিকাদার দের গ্রিপে। তাঁর চাচা সাইদুর বি এন পি রেল শ্রমিক দলের একজন সক্রিয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি।
তাদের চাচা ভাতিজার আছে আবার ব্যাক্তিগত সন্ত্রাসী বাহিনী। সরকারি নিয়ম নীতি কে তোয়াক্কা করেন না তাঁরা। সোহেল ও সাইদুর,,
অফিস ও করেন নিজেদের ইচ্ছে মতো,কখন আসেন কখন যান তা শুধুই তাদের মর্জির উপর নির্ভর করে।
রেলওয়ে তে সোহেল এর তিন চাচা,তিন চাচী,
সোহেল এর চাচাতো ভাই, তাদের বউ,এবং বোন আরজিনা, চাকরি রত আছেন। আরজিনার চাকুরীতে ও আছে বড় ধরনের নয়- ছয় এর তর্থ। সোহেল এর বোন আরজিনার কর্মস্থল রমনা বাজার স্টেশনের বুকিং অফিস হলেও সেখানে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে পাওয়া যায় তাকে লালমনিরহাট ডিটিএস অফিসে। বিষয়টি ডিটিএস এর কাছে জানতে চাইলে সে বিষয় টি এরিয়ে যায়।
এই সোহেল ও সাইদুর এর বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁরা তাদের ব্যাক্তিগত সন্ত্রাসী বাহিনী দাঁড়া লাঞ্চিত করেন। এবং দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেন বলে প্রমান আছে। সাইদুর রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী লালমনিরহাট অফিসের অফিস সহকারী। এদিকে রেলওয়ের সাধারণ অনেক কর্মচারী পরিচয় গোপন রাখার প্রতিশ্রুতিতে অনেক তর্থ দেন ও দুঃখ প্রকাশ করেন। সোহেল সাইদুর এর অনেক অপকর্মের ঘটনা তুলে ধরেন।
যা লিখে শেষ হবার নয়। এই সোহেল সাইদুর গংরা গোটা রেলওয়ে কে দখল ও জিম্মি করে রেখেছেন। তাদের পরিবারের ৮ থেকে ১০ জন রেলওয়ে তে চাকরি করেন। তাদের দ্বারা রেলওয়ের সাধারণ কর্মচারীরা প্রতিনিয়তই নির্যাতিত নিগৃত হন বলে জানা যায়।
অধিনস্ত অফিসার দের কে ম্যানেজ, রাজনৈতিক প্রভাবে হুমকি দিয়েই অপকর্ম করে চলছে তাঁরা। বদলি ব্যানিজ্য, ও টেন্ডার সংক্রান্ত সকল কিছুই তাদের নিয়ন্ত্রণে বলে জানা যায়।
২০২০ রংপুর অঞ্চলের দুদকের পরিচালক আব্দুল করিম।
নুরুজ্জামান সরকার সোহেল ও চাচা সাইদুর এর অভিযোগ পত্র পান বলে পত্রিকা সুত্রে জানা যায়।পরে আব্দুল করিম কোনও রকম ভাবে তদন্ত করে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের বাণিজ্য করে বিষয় টা নিয়ে চেপে যান, বলে জানা যায়। সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের দাবি তাদের অবৈধ সম্পদের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ উৎসের তদন্ত করা। এবং রাজনৈতিক দলের প্রভাব হুমকি থেকে সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের নিরাপত্তা দেওয়া। নিরাপত্তার সার্থে তাদের বিরুদ্ধে আইন আনুক ব্যাবস্থা গ্রহণ করার আর্জি সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের। সরকারি সম্পদ আর্তসাদ ঠেকাদে জনগণের সম্পদ রক্ষা করতে এই মাফিয়াদের আইনের আয়ত্তে আানার কোনও বিকল্প নাই।
শাকিলা ও শারমিন নামের দুই নারী রেল কর্মী এদের দুজনের পোস্ট ছিল ফরেজমেন্ট,
কিন্তু এখন তারা ডিটিএস অফিসের অফিস সহকারি এই রথ বদল হতেও খুশি করতে হয়েছে নুরুজ্জামান সরকার সোহেলকে বলে জানা যায়। এই সকল মাফিয়াদের হাত থেকে সরকারি সম্পদ রক্ষা করা এখন সরকারের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো। সাধারণ কর্মচারিদের আতঙ্কের নাম সোহেল, সাইদুর।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন,
বেশ কিছু বছর ধরে সংবাদ পত্রের পাতায় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে, নুরুজ্জামান সরকার সোহেল, ও তাঁর
চাচা সাইদুর ইসলাম এর রেল কর্মচারীদের প্রতি জুলুম আতঙ্ক ও দুর্নীতির রিপোর্ট।

১৫ নভেম্বর ২০২০,রোজ রবিবার লালমনির কাগজ সাপ্তাহিক পত্রিকাটি সহ অনলাইন বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল ধারাবাহিক ভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে নিউজ করে চলছে। বিভিন্ন নিউজ এর সূত্র ধরে সত্যের সন্ধানে নেমে পড়ে এক ঝাক সৎ অনুসন্ধানী সাংবাদিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে
লুটপাট জুলুম ও দুর্নীতিবাজ মাফিয়াদের সন্ধান ।

নুরুজ্জামান সরকার সোহেল পিতা, আজিজুর রহমান ওরফে ভুয়া আজিজ।
আজিজুর ছিলেন কাউনিয়ার সাবেক ফয়েজম্যান, লালমনিহাট জেলা বিভাগীয় রেলের সকল দপ্তরের অফিসারদের নকল সিল ছিল তার কাছে, রেল অঙ্গন ছিল তাদের অবৈধ সম্পদ উপার্জনের হাতিয়ার, বলে লোক মারফত জানা যায়। নুরুজ্জামান সরকার সোহেল রেলওয়ে লালমনিরহাট সদর দপ্তরের ট্রাফিক বিভাগের অফিস সহকারী পদে চাকরিতে যোগ দেন।
এর পর সোহেল হয়ে যান লালমনিরহাট রেল অঙ্গনের মাফিয়া। এখন সে মিনিমাম ২০,থেকে ২৫ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন, তাঁর চাচা সাইদুর ও ১০,থেকে ১৫ কোটি টাকার মালিক বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এই তর্থ, নামে বে নামে রংপুর বিভাগ জুড়ে রয়েছে তাদের চাচা ভাতিজার সম্পদ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকতে সোহেল আওয়ামী লীগের ঠিকাদার নেতাদের গ্রিপে ছিলেন, এবং সে নিজেও আওয়ামী লীগ এর রাজনীতির সাথে সংপৃক্ত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৪ শেখ হাসিনা সরকার এর পতনের পর, তাঁর চাচা সাইদুর এর হাত ধরে চলে যান বি এন পি নেতা ঠিকাদার দের গ্রিপে। তাঁর চাচা সাইদুর বি এন পি রেল শ্রমিক দলের একজন সক্রিয় প্রভাবশালী নেতা।
তাদের চাচা ভাতিজার আছে আবার ব্যাক্তিগত সন্ত্রাসী বাহিনী। সরকারি নিয়ম নীতি কে তোয়াক্কা করেন না তাঁরা। সোহেল ও সাইদুর,,
অফিস ও করেন নিজেদের ইচ্ছে মতো,কখন আসেন কখন যান তা শুধুই তাদের মর্জির উপর নির্ভর করে।
রেলওয়ে তে সোহেল এর তিন চাচা,তিন চাচী,
সোহেল এর চাচাতো ভাই, তাদের বউ,এবং বোন আরজিনা, চাকরি রত আছেন। আরজিনার চাকুরীতে ও আছে বড় ধরনের নয়- ছয় এর তর্থ। সোহেল এর বোন আরজিনার কর্মস্থল রমনা বাজার স্টেশনের বুকিং অফিস হলেও সেখানে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে পাওয়া যায় তাকে লালমনিরহাট ডিটিএস অফিসে। বিষয়টি ডিটিএস এর কাছে জানতে চাইলে সে বিষয় টি এরিয়ে যায়।
এই সোহেল ও সাইদুর এর বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁরা তাদের ব্যাক্তিগত সন্ত্রাসী বাহিনী দাঁড়া লাঞ্চিত করেন। এবং দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেন বলে শোনা গেছে। সাইদুর রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী লালমনিরহাট অফিসের অফিস সহকারী। এদিকে রেলওয়ের সাধারণ অনেক কর্মচারী পরিচয় গোপন রাখার প্রতিশ্রুতিতে অনেক তর্থ দেন ও দুঃখ প্রকাশ করেন। সোহেল সাইদুর এর অনেক অপকর্মের ঘটনা তুলে ধরেন, যা লিখে শেষ হবার নয়। এই সোহেল সাইদুর গংরা গোটা রেলওয়ে কে দখল ও জিম্মি করে রেখেছেন। তাদের পরিবারের ৮ থেকে ১০ জন রেলওয়ে তে চাকরি করেন। তাদের দ্বারা রেলওয়ের সাধারণ কর্মচারীরা প্রতিনিয়তই নির্যাতিত নিগৃত হন বলে জানা যায়।
অধিনস্ত অফিসার দের কে ম্যানেজ, রাজনৈতিক প্রভাবে হুমকি দিয়েই অপকর্ম করে চলছে তাঁরা। বদলি ব্যানিজ্য, ও টেন্ডার সংক্রান্ত সকল কিছুই তাদের নিয়ন্ত্রণে বলে জানা যায়।
২০২০ রংপুর অঞ্চলের দুদকের পরিচালক আব্দুল করিম।
নুরুজ্জামান সরকার সোহেল ও চাচা সাইদুর এর অভিযোগ পত্র পান বলে যানা যায়।পরে আব্দুল করিম কোনও রকম ভাবে তদন্ত করে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের বাণিজ্য করে বিষয় টা নিয়ে চেপে যান, বলে জানা যায়। সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের দাবি তাদের অবৈধ সম্পদের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ উৎসের তদন্ত করা। এবং রাজনৈতিক দলের প্রভাব হুমকি থেকে সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের নিরাপত্তা দেওয়া। নিরাপত্তার সার্থে তাদের বিরুদ্ধে আইন আনুক ব্যাবস্থা গ্রহণ করার আর্জি সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের।
শাকিলা ও শারমিন নামের দুই নারী রেল কর্মী এদের দুজনের পোস্ট ছিল ফরেজমেন্ট,
কিন্তু এখন তারা ডিটিএস অফিসের অফিস সহকারি এই রথ বদল হতেও খুশি করতে হয়েছে নুরুজ্জামান সরকার সোহেলকে বলে জানা যায়। এই সকল মাফিয়াদের হাত থেকে সরকারি সম্পদ রক্ষা করা এখন সরকারের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো।


More News Of This Category