মোঃ সাব্বির হোসেন।#
নিউজ ডেস্ক
রাজনীতি মানেই ক্ষমতা ও পদ-পদবি—এমন প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে মানবসেবাকে রাজনীতির মূল শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন মতিঝিল থানার যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আক্তার হোসেন ভাই।
তিনি ১৯৯৪ সালে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হাত ধরে রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি একজন সচেতন সমাজসেবক ও দায়িত্বশীল রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তার কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে, রাজনীতি যদি মানবিকতা ও সততার সঙ্গে পরিচালিত হয়, তবে তা সমাজ পরিবর্তনের কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অনেক অত্যাচার নিজ্জাতন জেল হাজত খেটেছেন তাকে অনেক বার প্রাণে মেরেফেলার চেষ্টাও করেছে ,কিন্তু কথাই আছেনা রাখে আল্লাহ মারে কে, তিনি এতো নির্যাতন হওয়ার পরেও কখনও আপোষ বা মাথা নত করেননি স্বৈরাচারী সরকারের কাছে, এককথায় বলা যায় শত নির্যাতনের পরেও তিনি মতিঝিল থানা বাসির পাশে এবং মতিঝিল থানা বিএনপির সকল কে সংঘটিত করে হাল ধরে রাখার উজ্জ্বল নক্ষত্র।
আক্তার ভাই তার রাজনৈতিক পরিচয় ও সংগঠনের প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে মতিঝিল থানা সহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নির্যাতিত বিএনপির কর্মীদের পাশে নিয়মিত সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সময়ে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। বন্যার সময় তিনি দুর্গত এলাকায় ছুটে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিতরণ করেন। এসব ত্রাণ কার্যক্রমে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করেন, যা সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে।
শীত মৌসুম এলেই দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কষ্ট দেখে তিনি কম্বল বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করেন। প্রত্যন্ত মতিঝিল থানা সহ আশেপাশে শীতার্ত মানুষদের ঘরে ঘরে গিয়ে নিজে কম্বল পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি মানবিকতার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। তার এই উদ্যোগ শীতের রাতে বহু মানুষের জন্য উষ্ণতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
শিক্ষা খাতে আক্তার ভাইয়ের অবদানও উল্লেখযোগ্য। আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে বন্ধ না হয়ে যায়, সে লক্ষ্য নিয়ে তিনি শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন। খাতা, কলম, বইসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাচ্ছেন। অনেক শিক্ষার্থী তাদের অভিভাবক মনে করেন মোঃ আক্তার হোসেন ভাইকে, এই সহায়তা তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এছাড়া মতিঝিল থানা সহ আশেপাশে এলাকা ভিত্তিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয়। রাস্তা সংস্কার, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচিতে তার সরাসরি অংশগ্রহণ রয়েছে। স্থানীয় সমস্যাগুলো তিনি গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং তা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আক্তার ভাই তার রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাবকে ব্যক্তিস্বার্থে নয়, জনস্বার্থে ব্যবহার করছেন। মানুষের দুঃখ-কষ্টকে তিনি নিজের দায়িত্ব হিসেবে দেখেন এবং সমস্যা সমাধানে আন্তরিক উদ্যোগ নেন। তার এই মানবিক ও জনবান্ধব ভূমিকা সমাজে আশার আলো জ্বালিয়েছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, আক্তার ভাইয়ের কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে—রাজনীতি যদি মানুষের সেবায় নিয়োজিত হয়, তবে তা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। তার মতো রাজনীতিবিদদের হাত ধরেই একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত সমাজ গড়ে ওঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।