সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
Headline :
পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস ও বাইসাইকেল আটক লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা মোঃসেলিম মিয়া গোমস্তাপুরে সড়কের পাশে অটো রাইস মিল নির্মাণ, সড়কে বালু-নির্মাণসামগ্রী—দুর্ঘটনার শঙ্কা মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ কসমেটিক্স-বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ! জুয়েলকে ঘিরে চাঞ্চল্য। তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহন করলেন ডা. নূরুল হক “হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের” কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস নীলফামারীতে ৪ শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণচেষ্টা চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেফতার। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ সিরাজগঞ্জে নাটুয়াপাড়ায় লিও পাম্প বাংলাদেশের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্প সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি মধুপুরে মাদক-জুয়া ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে মতবিনিময় আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
Update : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ

মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা সদরের বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম শেখের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত স্মারকলিপি দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম শেখ (পিতা: আব্দুল গফুর শেখ, গ্রাম: কাজল ঢোপ, প্রধানপাড়া, ডাকঘর: বল্লমঝাড়, উপজেলা ও জেলা: গাইবান্ধা) সভাপতি নির্বাচনের সময় বিএসএস পাসের জাল সনদপত্র জমা দেন। দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রে নকল স্বাক্ষর ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ অভিযোগের সঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ তাজ উদ্দিনের নামও উঠে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা গোপনে সভাপতিকে সার্টিফিকেট জালিয়াতিতে সহযোগিতা করেছেন।

অভিযোগের মূল বিষয়সমূহ:
১. সভাপতি জাল বিএসএস সার্টিফিকেট ব্যবহার করে পদে বহাল রয়েছেন।
২. প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক জালিয়াতি কাজে সহায়তা করেছেন।
৩. কিছু শিক্ষার্থীর সনদ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের সাথে মেলেনি।

অভিযোগকারী মোঃ এরশাদ আলম পুণ্য জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন—
“বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের জালিয়াতি রোধে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

সংযুক্ত প্রমাণ হিসেবে জাল সনদপত্র ও নকল স্বাক্ষরযুক্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।


More News Of This Category