সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
লিচু দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, বখাটে যুবক গ্রেফতার। যেসব কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের মান-মর্যাদা। রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে মিঠাপুকুরে ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক রুবিওর দিল্লি সফরে ট্রাম্পের ফোন: ‘ভারত যা চায় তাই পাবে’ — বাংলাদেশ ইস্যুতে কী বোঝাপড়া? মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও দালিলিক প্রমান। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ জিয়ার হ্যাঁ/না ভোটরঙ্গ : ভোটারদের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার। আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ।

পলাশবাড়ীতে নবজাতক শিশুকে হত্যার দায়ে মা-মেয়ে কারাগারে

Update : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
পলাশবাড়ীতে নবজাতক শিশুকে হত্যার দায়ে মা-মেয়ে কারাগারে

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের কারণে জন্ম নেওয়া এক নবজাতককে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে মা-মেয়েকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার আসমতপুর গ্রামের ফাতেমা আক্তার (২০) ও তার মা গোলাপি বেগম (৪৮)।

৩১ মে শনিবার দুপুরে পলাশবাড়ী থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্টো।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসমতপুর গ্রামের মনজুর আলীর মেয়ে ফাতেমা আক্তার সম্প্রতি বিয়ের বাইরে এক সন্তানের জন্ম দেন। ১৬ মে গাইবান্ধার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সন্তান প্রসবের পর সমাজের ভয়ে এবং ঘটনা গোপন রাখতে ফাতেমা আক্তার ও তার মা মিলে নবজাতককে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরবর্তীতে মরদেহ স্থানীয় বালিয়াগাড়ী বিলে ফেলে দেন তারা। এ ঘটনায় ফাতেমার বাবা মনজুর আলীও সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরে স্থানীয়রা বিলে নবজাতকের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আসমতপুর গ্রামের শফিকুল মণ্ডলের ছেলে ইয়াসিন মণ্ডল বাদী হয়ে ফাতেমা আক্তার, তার মা গোলাপি বেগম ও বাবা মনজুর আলীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফাতেমা আক্তার ও তার মা গোলাপি বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে, মামলার আরেক আসামি ফাতেমার বাবা মনজুর আলী এখনও পলাতক রয়েছেন।

এদিকে, নবজাতকের প্রকৃত পিতৃপরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি। সমাজের চাপ ও পরিবারের অস্বীকৃতির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অধরাই থেকে গেছে। মানবিক কারণেই নবজাতকের পিতৃপরিচয় প্রকাশ হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।


More News Of This Category