সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
Headline :
বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের শিক্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত: গ্রামের মেঠোপথ থেকে কৃষি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস ও সামাজিক দায়বদ্ধতা,,, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে প্রথম ধাপের নির্বাচনের তফসিল। ‘সময়ের আলোকে’ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, আমরা ইউপি নির্বাচনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত আছি। আসলে আমরা তো নভেম্বরের জন্যই প্রস্তুত ছিলাম। সুতরাং আমাদের সবই রেডি আছে। কবে তফসিল ঘোষণা করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ভোট। ভোটের ৪০ দিন আগে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করবেন। আব্দুর রহমানেল মাছউদের তথ্য অনুযায়ী ভোটের ৪০ দিন আগের হিসাব করলে ১২ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা হওয়ার কথা। নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরি/স্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার নিয়োজিত থাকবে। সেনাবাহিনী থাকবে না। কিন্তু প্রথম ধাপে যদি বেশি সহিংসতা দেখা যায় তা হলে পরের ধাপের নির্বাচনে সেনাবাহিনী বিবেচনা করতে পারি। তবে নরমাললি সেনাবাহিনী থাকবে না। ইসির ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ২১ জানুয়ারি থেকে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। গত ১৩ অক্টোবর ইসির ১৩তম কমিশন সভা শেষে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ইসির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আনুমানিক ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। আইন অনুযায়ী ২০২৭ সালের ২৭ মের মধ্যে এসব ইউনিয়ন পরিষ/দের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। ইউপির জন্য ৪৬ হাজার ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ : স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য ৪৬ হাজার ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে স্থায়ী ভোটকেন্দ্র ৪৫ হাজার ৯৭২টি এবং অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র ৪২৫টি। উল্লেখিত কেন্দ্রগুলোতে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৯টি। এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য ৪১ হাজার ৪৬৬টি ভোটকেন্দ্র, পৌরস/ভা নির্বাচনের জন্য ৫ হাজার ২০২টি ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৫ হাজার ১৫১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে ইসি। এদিকে জেলা পরিষদ নির্বাচন অন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো সরাসরি ভোটে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এর জন্য আলাদা করে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের প্রয়োজন হয়নি ইসির। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ : স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি। হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী দেশে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৬৭ জন। আচরণ বিধি প্রকাশ : ২০১৬ সালের আচরণবিধি বাদ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদসহ সব স্তরের জন্য নতুন আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী মাইক ব্যবহারের সময় ও শব্দসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনি প্রচারে পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, বিলবোর্ডের সীমা নির্ধারণ, ভোটারদের এনআইডি-মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা, ধ/র্মীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা, ভোটারকে প্রভাবিত করতে ব/লপ্রয়োগ ও অর্থ ব্যয়ে নিষেধাজ্ঞা, প্রচারে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তিদের অংশ না নেওয়া, নাগরিকের সম্পত্তির ক্ষতি না করা, সাদা-কালো প্রচারসামগ্রী ব্যবহার করাসহ একগুচ্ছ নতুন নিয়ম বেঁধে দিয়েছে ইসি। এসব নিয়ম না মানলে কিংবা আচরণবিধি ভাঙলে প্রার্থীকে জরিমানা ও তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি। এর বাইরেও নির্বাচনিসামগ্রী কেনাকাটাসহ অন্যান্য প্রস্তুতিও এগিয়ে নিচ্ছে ইসি। এদিকে দীর্ঘ ১০ বছর পর দলীয় প্রতীকবিহীন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউপি নির্বাচন। তাই ইউপি নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলের একাধিক প্রার্থী অংশ নিতে পারবে। যদিও দল থেকে যেকোনো একজন প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দলগুলো। এরপরও নির্বাচনে জিততে হলে দল সমর্থিত প্রার্থীকে নিজ দল এবং বিরোধী দলের একাধিক প্রার্থীকে মোকাবিলা করতে হবে। এ জন্য ইউপি নির্বাচনে পেশিশক্তির আশ/ঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স/হিং/স/তা নিয়ন্ত্রণে রাখাই ইসির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে কমিশন। তাই এবার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, সাবেক কমিশন, কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা করছে ইসি। এর ধারাবাহিকতায় ডিসেম্বরে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করতে যাচ্ছে তারা। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সময়ের আলোকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে অনেক মানুষ মা/রা যায়। অনেক স/হিং/স/তা হয়। এবার যাতে সে পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় বা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা কোনো হাঙ্গামা না করে এ বিষয়ে আগামী মাসে আমরা সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসব এবং সবার সহযোগিতা কামনা করব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সঙ্গে মিটিং হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৪৯৭টি। এর মধ্যে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩১টি পৌরসভা, ৬৪টি জেলা পরিষদ, ৫০৩টি উপজেলা পরিষদ ও ৪৫৮৬টি ইউনিয়ন পরিষদ। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশিরভাগই নির্বাচন উপযোগী হয়ে আছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সব কাউন্সিলরকে অপসারণ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ছাড়া ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদও হয়ে পড়ে জনপ্রতিনিধিহীন। ফলে দুই বছরের বেশি সময় ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়াই চলছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। ত্রিশালে যুব দিবসে যুব সংগঠক এন,এম জহিরুল ইসলাম কে সম্মাননা স্মারক প্রদান যাদুকাটা নদীর বালুমহাল বন্ধে করা রিট পিটিশন মামলা প্রত্যাখান করেছেন হাইকোর্ট। ধর্মপাশায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। ১৬শ’ ৪৭জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মেরিট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সন্তানকে সুশিক্ষিত করতে অভিভাবকদের ভূমিকা অপরিসীম- সফিকুর রহমান সফিক সাতক্ষীরার তালায় ৫ নভেম্বর শান্তি ও আরোগ্যদায়ী সভা দেশে-বিদেশে প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাজ করছে ‘প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সমাজ কল্যাণ পরিষদ।

ধর্মপাশায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

ধর্মপাশায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

মোঃ হৃদয় খান জয়
বিশেষ প্রতিনিধি দৈনিক বাংলার সংবাদ।

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, অপপ্রচার, জনস্বার্থবিরোধী ও সরকার বিরোধী সংবাদ পরিবেশন হতে বিরত থাকার জন্য আহ্বান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। আরো জানান ৩১শয্যার জনবল দিয়েই চলছে ৫০শয্যার কার্যক্রম, মোট ১৯৬টি পদের বিপরীতে ১০৪জন কর্মরত আছেন ও শূন্য পদ রয়েছে ৯২টি।

ড. সুবীর সরকার
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
সাক্ষরিত একটি প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করে বলেন,-গত ০১/১১/২০২৬ খ্রি. তারিখে বহুল প্রচারিত অনলাইন পোর্টাল “দৈনিক সবুজ সিলেট”-এ “ধর্মপাশা হাসপাতালে অক্সিজেনের হিসাব মেলে না” শিরোনামে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-কে জড়িয়ে যে সংবাদটি প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে তা দৃষ্টিগোচর হয়েছে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং জনস্বার্থবিরোধী ও অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করা হয়। আমরা উক্ত বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে:- ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ মোট ৩৪ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। এর মধ্যে গত ২৯/১০/২০২৬ খ্রি. তারিখে ২২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়মতান্ত্রিকভাবে রিফিলের (অক্সিজেন পুনরায় ভরার) জন্য অত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে ‘স্পেকট্রা ইন্টারন্যাশনাল, ময়মনসিংহ’-এ পাঠানো হয়েছে। যার অফিশিয়াল স্মারক নং: উস্বাক/ধর্মপাশা/সুনাম/২৬/১০৭৬, তারিখ: ২৯/১০/২০২৬ খ্রি.।
বাকি ১২ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার বর্তমানে হাসপাতালে সচল অবস্থায় রয়েছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন মজুদ আছে। উল্লেখ্য, এই ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ধর্মপাশা এঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, অফিসার ইনচার্জ (ধর্মপাশা থানা),স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও নিবন্ধিত জাতীয় পত্রিকার প্রতিনিধিবৃন্দের উপস্থিতিতে ০১/১১/২০২৬ তারিখে যাচাইপূর্বক হাসপাতালের জরুরি সেবার জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এতেই প্রতীয়মান হয় যে,- ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন মজুদ আছে।হাসপাতালের নিয়মিত ও স্বচ্ছ দাপ্তরিক প্রক্রিয়াকে আড়াল করে, কোনো প্রকার সঠিক তথ্য যাচাই না করেই এমন বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করায় হাসপাতালের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং জনসাধারণের মনে অযথা ভীতির সঞ্চার করা হয়েছে।
এরকম অসত্য সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,- এসব অসত্য, মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য জনসাধারণ সহ সকলকে অনুরোধ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. সুবীর সরকার সহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।


More News Of This Category

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে প্রথম ধাপের নির্বাচনের তফসিল। ‘সময়ের আলোকে’ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, আমরা ইউপি নির্বাচনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত আছি। আসলে আমরা তো নভেম্বরের জন্যই প্রস্তুত ছিলাম। সুতরাং আমাদের সবই রেডি আছে। কবে তফসিল ঘোষণা করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ভোট। ভোটের ৪০ দিন আগে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করবেন। আব্দুর রহমানেল মাছউদের তথ্য অনুযায়ী ভোটের ৪০ দিন আগের হিসাব করলে ১২ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা হওয়ার কথা। নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরি/স্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার নিয়োজিত থাকবে। সেনাবাহিনী থাকবে না। কিন্তু প্রথম ধাপে যদি বেশি সহিংসতা দেখা যায় তা হলে পরের ধাপের নির্বাচনে সেনাবাহিনী বিবেচনা করতে পারি। তবে নরমাললি সেনাবাহিনী থাকবে না। ইসির ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ২১ জানুয়ারি থেকে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। গত ১৩ অক্টোবর ইসির ১৩তম কমিশন সভা শেষে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ইসির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আনুমানিক ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। আইন অনুযায়ী ২০২৭ সালের ২৭ মের মধ্যে এসব ইউনিয়ন পরিষ/দের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। ইউপির জন্য ৪৬ হাজার ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ : স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য ৪৬ হাজার ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে স্থায়ী ভোটকেন্দ্র ৪৫ হাজার ৯৭২টি এবং অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র ৪২৫টি। উল্লেখিত কেন্দ্রগুলোতে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৯টি। এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য ৪১ হাজার ৪৬৬টি ভোটকেন্দ্র, পৌরস/ভা নির্বাচনের জন্য ৫ হাজার ২০২টি ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৫ হাজার ১৫১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে ইসি। এদিকে জেলা পরিষদ নির্বাচন অন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো সরাসরি ভোটে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এর জন্য আলাদা করে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের প্রয়োজন হয়নি ইসির। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ : স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি। হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী দেশে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৬৭ জন। আচরণ বিধি প্রকাশ : ২০১৬ সালের আচরণবিধি বাদ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদসহ সব স্তরের জন্য নতুন আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী মাইক ব্যবহারের সময় ও শব্দসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনি প্রচারে পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, বিলবোর্ডের সীমা নির্ধারণ, ভোটারদের এনআইডি-মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা, ধ/র্মীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা, ভোটারকে প্রভাবিত করতে ব/লপ্রয়োগ ও অর্থ ব্যয়ে নিষেধাজ্ঞা, প্রচারে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তিদের অংশ না নেওয়া, নাগরিকের সম্পত্তির ক্ষতি না করা, সাদা-কালো প্রচারসামগ্রী ব্যবহার করাসহ একগুচ্ছ নতুন নিয়ম বেঁধে দিয়েছে ইসি। এসব নিয়ম না মানলে কিংবা আচরণবিধি ভাঙলে প্রার্থীকে জরিমানা ও তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি। এর বাইরেও নির্বাচনিসামগ্রী কেনাকাটাসহ অন্যান্য প্রস্তুতিও এগিয়ে নিচ্ছে ইসি। এদিকে দীর্ঘ ১০ বছর পর দলীয় প্রতীকবিহীন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউপি নির্বাচন। তাই ইউপি নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলের একাধিক প্রার্থী অংশ নিতে পারবে। যদিও দল থেকে যেকোনো একজন প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দলগুলো। এরপরও নির্বাচনে জিততে হলে দল সমর্থিত প্রার্থীকে নিজ দল এবং বিরোধী দলের একাধিক প্রার্থীকে মোকাবিলা করতে হবে। এ জন্য ইউপি নির্বাচনে পেশিশক্তির আশ/ঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স/হিং/স/তা নিয়ন্ত্রণে রাখাই ইসির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে কমিশন। তাই এবার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, সাবেক কমিশন, কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা করছে ইসি। এর ধারাবাহিকতায় ডিসেম্বরে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করতে যাচ্ছে তারা। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সময়ের আলোকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে অনেক মানুষ মা/রা যায়। অনেক স/হিং/স/তা হয়। এবার যাতে সে পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় বা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা কোনো হাঙ্গামা না করে এ বিষয়ে আগামী মাসে আমরা সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসব এবং সবার সহযোগিতা কামনা করব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সঙ্গে মিটিং হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৪৯৭টি। এর মধ্যে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩১টি পৌরসভা, ৬৪টি জেলা পরিষদ, ৫০৩টি উপজেলা পরিষদ ও ৪৫৮৬টি ইউনিয়ন পরিষদ। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশিরভাগই নির্বাচন উপযোগী হয়ে আছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সব কাউন্সিলরকে অপসারণ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ছাড়া ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদও হয়ে পড়ে জনপ্রতিনিধিহীন। ফলে দুই বছরের বেশি সময় ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়াই চলছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে প্রথম ধাপের নির্বাচনের তফসিল। ‘সময়ের আলোকে’ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, আমরা ইউপি নির্বাচনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত আছি। আসলে আমরা তো নভেম্বরের জন্যই প্রস্তুত ছিলাম। সুতরাং আমাদের সবই রেডি আছে। কবে তফসিল ঘোষণা করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ভোট। ভোটের ৪০ দিন আগে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করবেন। আব্দুর রহমানেল মাছউদের তথ্য অনুযায়ী ভোটের ৪০ দিন আগের হিসাব করলে ১২ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা হওয়ার কথা। নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরি/স্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার নিয়োজিত থাকবে। সেনাবাহিনী থাকবে না। কিন্তু প্রথম ধাপে যদি বেশি সহিংসতা দেখা যায় তা হলে পরের ধাপের নির্বাচনে সেনাবাহিনী বিবেচনা করতে পারি। তবে নরমাললি সেনাবাহিনী থাকবে না। ইসির ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ২১ জানুয়ারি থেকে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। গত ১৩ অক্টোবর ইসির ১৩তম কমিশন সভা শেষে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ইসির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আনুমানিক ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। আইন অনুযায়ী ২০২৭ সালের ২৭ মের মধ্যে এসব ইউনিয়ন পরিষ/দের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। ইউপির জন্য ৪৬ হাজার ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ : স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য ৪৬ হাজার ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে স্থায়ী ভোটকেন্দ্র ৪৫ হাজার ৯৭২টি এবং অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র ৪২৫টি। উল্লেখিত কেন্দ্রগুলোতে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৯টি। এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য ৪১ হাজার ৪৬৬টি ভোটকেন্দ্র, পৌরস/ভা নির্বাচনের জন্য ৫ হাজার ২০২টি ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৫ হাজার ১৫১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে ইসি। এদিকে জেলা পরিষদ নির্বাচন অন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো সরাসরি ভোটে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এর জন্য আলাদা করে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের প্রয়োজন হয়নি ইসির। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ : স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি। হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী দেশে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৬৭ জন। আচরণ বিধি প্রকাশ : ২০১৬ সালের আচরণবিধি বাদ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদসহ সব স্তরের জন্য নতুন আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী মাইক ব্যবহারের সময় ও শব্দসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনি প্রচারে পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, বিলবোর্ডের সীমা নির্ধারণ, ভোটারদের এনআইডি-মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা, ধ/র্মীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা, ভোটারকে প্রভাবিত করতে ব/লপ্রয়োগ ও অর্থ ব্যয়ে নিষেধাজ্ঞা, প্রচারে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তিদের অংশ না নেওয়া, নাগরিকের সম্পত্তির ক্ষতি না করা, সাদা-কালো প্রচারসামগ্রী ব্যবহার করাসহ একগুচ্ছ নতুন নিয়ম বেঁধে দিয়েছে ইসি। এসব নিয়ম না মানলে কিংবা আচরণবিধি ভাঙলে প্রার্থীকে জরিমানা ও তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি। এর বাইরেও নির্বাচনিসামগ্রী কেনাকাটাসহ অন্যান্য প্রস্তুতিও এগিয়ে নিচ্ছে ইসি। এদিকে দীর্ঘ ১০ বছর পর দলীয় প্রতীকবিহীন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউপি নির্বাচন। তাই ইউপি নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলের একাধিক প্রার্থী অংশ নিতে পারবে। যদিও দল থেকে যেকোনো একজন প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দলগুলো। এরপরও নির্বাচনে জিততে হলে দল সমর্থিত প্রার্থীকে নিজ দল এবং বিরোধী দলের একাধিক প্রার্থীকে মোকাবিলা করতে হবে। এ জন্য ইউপি নির্বাচনে পেশিশক্তির আশ/ঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স/হিং/স/তা নিয়ন্ত্রণে রাখাই ইসির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে কমিশন। তাই এবার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, সাবেক কমিশন, কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা করছে ইসি। এর ধারাবাহিকতায় ডিসেম্বরে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করতে যাচ্ছে তারা। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সময়ের আলোকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে অনেক মানুষ মা/রা যায়। অনেক স/হিং/স/তা হয়। এবার যাতে সে পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় বা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা কোনো হাঙ্গামা না করে এ বিষয়ে আগামী মাসে আমরা সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসব এবং সবার সহযোগিতা কামনা করব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সঙ্গে মিটিং হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৪৯৭টি। এর মধ্যে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩১টি পৌরসভা, ৬৪টি জেলা পরিষদ, ৫০৩টি উপজেলা পরিষদ ও ৪৫৮৬টি ইউনিয়ন পরিষদ। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশিরভাগই নির্বাচন উপযোগী হয়ে আছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সব কাউন্সিলরকে অপসারণ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ছাড়া ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদও হয়ে পড়ে জনপ্রতিনিধিহীন। ফলে দুই বছরের বেশি সময় ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়াই চলছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।