দওপাড়া জামে মসজিদে জুম্মা নামাজ সময় মাদক কারবারিকে ধরে দেওয়া অনুরোধ করছি চন্দ্রগঞ্জ থানা ওসি
জয়নাল আবেদীন (সজীব) স্টাফ রিপোর্টার:
লক্ষ্মীপুর চন্দ্রগঞ্জ থানার আজ শুক্রবার জুমার নামাজের শেষে দত্তপাড়া জামে মসজিদে নামাজ শেষ হওয়ার পরে সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যদ মসজিদে পবিএ জুমার নামাজের সময় মাদক সহ সকল আপরাধ নিমুলে সকলের সহযোগিতা চেয়ে অফিসার ইনচাজ, চন্দ্র গন্জ থানা,মো আঃ রব সাহেব এর বক্তব্যই উপস্থাপনা করেন।
এ সময় সকল মুসলিমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন” আপনারা যদি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করেন তাহলে গ্রাম ইউনিয়ন উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।
জুমার নামাজ থেকে শপথ করুন গ্রাম অঞ্চলে কোন মাদক থাকবে না যারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত যারা সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি অস্ত্র মাদক কারবারীর সাথে লিপ্ত আছে তাদেরকে তালিকা আমাদের কাছে পেশ করুন।
অপরাধী চক্রকে ধরিয়ে দিন তাহলে সাধারণ জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।মাদক নির্মাণ করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ কাজ করব। আপনারা যদি সহযোগিতা করেন তাহলে অপরাধীরা আর কখনো অপরাধী করতে পারবে না।
যারা মাদকসম্রাট তাদের তথ্য দিন অপরাধী এদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে অপরাধীরা যত বড় ক্ষমতাশীল ব্যক্তি হোক না কেন।দলের নাম মাদক সম্রাটের সাথে জড়িত থাকবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলার আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্ব সময় কাজ করে যাবেন।
ওসির মাদক বিরুদ্ধে জরুরী বার্তা বিষয় উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিজান রহমানের কাছেই মাদক বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আজকে জুমার নামাজের বাজারে জামে মসজিদে ওসি সাহেব মাদকের বিরুদ্ধে কঠোরবার্তা দিয়েছেন। সে বার্তা অনুযায়ী আমি একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাব। আমরা কখনো অন্যায় কাছে মাথা নত করি নাই মাদকের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলে মাদক ছাড়ো খেলাধুলা করো”মাদক ছাড়ো বই নিয়ে লেখাপড়া করো এই মাদক যারা সেবন করে তারা সমাজকে ধ্বংস করতেছে।
আমি আমার পক্ষ থেকে ওসি স্যারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাব। আপনাদের মাধ্যমে আরও একটি কথা বলতে চাই যারা মাদকের সাথে জড়িত এদের সেন্টিগ্রেড অনেক বড় টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রুপসা থেকে পাতুরিয়া এই মাদকের সম্রাটের বড় সেন্টিগ্রেডের মাধ্যমে আমাদের দেশে যারাই মাদকের নির্মাণ করতে চায় তাদেরকে সব সময় হুমকিতে রাখে তাই দেশবাসীর কাছে দোয়া চাচ্ছি আমরা যেন আজকে জুমার নামাজের যে শপথ গ্রহণ করেছি।ইনশাআল্লাহ গ্রামবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি আমরা মাদককে নির্মাণ করবোই যেখানে চলবে মাদক কারবারই সেখানে থাকবে প্রশাসনের।
থানা নতুন অফিসার আসার সাথে সাথে যেভাবে আলোচিত হয়ে উঠছে মাদকের বিরুদ্ধে ইনশাআল্লাহ এই মাদকের বিরুদ্ধে যেন আগামী দিনের প্রতিটা ইউনিয়নে সঠিক তথ্য উপস্থাপনা করে।অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক”
দিঘলী ইউনিয়ন ইয়াবা চালান আসে কক্সবাজার থেকে নামকরা বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের?
” কুশাখালি ইউনিয়ন ছিলাদি গ্রামে মাদকের সম্রাটের রাজ্য চোরাকান্দি মাদকসম্রাট।
আর চরশাহী ইউনিয়ন ক্ষমতাসীন বিএনপির নামধারী কিছু ক্যাডারা মাদকের সম্রাট হিসেবে আলোচিত ধ্বংস করতে পারলে চন্দ্রগঞ্জ থানার অধীনে অনেকটাই শিরশীল হবে।
কারণ এর পাশে নোয়াখালী বর্ডার যেকোনো জিনিস অবৈধ অস্ত্র মাদক সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বর্ডার সাইট দিয়ে চলাচল করা সহজ মাদকের সম্রাট রাজ্য পরিচালিত হয়ে উঠছে।