শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
Headline :
নওগাঁয় বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা ও ৪১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ​নওগাঁ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলার সংবাদ: রূপসায় এমপি আজিজুল বারী হেলাল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের কল্যাণ, উন্নয়ন ও আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার রাজনীতির পথ দেখিয়েছিলেন মোঃ সোহেল রানা, ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ। তিস্তা পাড়ে পরিকল্পিত ড্রেজিং ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করবে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন তিন মন্ত্রী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ শিশু নন্দিনী হত্যা পুলিশের দুই মামলায় গ্রেপ্তার ১০, কয়েকটি গ্রামে গ্রেপ্তার আতংক আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ তেতুলতলা এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রতিনিধি: মোঃ আনোয়ার হোসেন বান্দরবানের প্রবীণ সাংবাদিক মূসা ফারুকীর রোগমুক্তি কামনায় কোট মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত মোহাম্মদ আকাশবান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: স্বামীর প্রতারনা অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসা করাতে লালমনিরহাট হাসপাতালে ভারতীয় নারী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় ইন্টারনেট সংযোগ নামে অনিয়ম স্টাফ রিপোর্টার, তিস্তা ব্যারাজ ও ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শনে আজ লালমনিরহাট যাচ্ছেন ৩ মন্ত্রী আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতেই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। ১৯ জুন(শুক্রবার) সকালে হওয়া এ বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ছুটির দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে। অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।

তাহিরপুরের পাটলাই নদীতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চুনাপাথর কয়লা সহ বিভিন্নপণ্যবাহী নৌযান থেকে খাস কালকেশন করছে সরকার

Update : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ স্টাফ রিপোর্টার ঃ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়নের পাটলাই নদীতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চুনাপাথর কয়লা ও বিভিন্নপণ্যবাহী নৌযান থেকে খাস কালকেশন করছে সরকার।

মামলার বাদীর অভিযোগ উপজেলার উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়ন তহশীলদারের নেতৃত্বে স্থানীয় প্রভাবশালীরা মিলে নদী থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা খাস কলেকশন করলে সরকারে নিধারিত প্রতি নৌকা থেকে যেখোনে ৫০০ শত টাকা হারে টোলা আদায়ের কথা সেখানে প্রতি নৌকা থেকে ৫ হাজার,দশহাজার,বিশহাজার করে টোলা আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ দেবোত্তর সূত্রে পাওয়া উত্তররাধিকারী শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর এস্টেইটের সেবায়েত রাজন চৌধুরী । এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন দেবোত্তর স্টেটের উত্তরাধিকাররা। অন্যদিকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত টোল।

মামলা জনিত কারণে তাহিরপুরের শ্রীপুর বাজার নৌকাঘাট ও ডাম্পের বাজার নৌকাঘাট ইজারা দিতে পারেনি সরকার। তাই উপজেলা প্রশসানের খাস কালেকশন কমিটির সিদ্ধান্ত মতে দুটি ঘাটে খাস কালেকশনের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রশাসন। সরকারি টোল আদায়ের নীতিমালা অনুযায়ী টোল আদায়ের কথা থাকলেও প্রতিদিন দুটি বড়ছড়া বাগলী ও চারাগাও শুল্ক স্টেশনে আমদানি করা কয়লা ও চুনপাথর বাহী নৌযান থেকে দ্বিগুন তিনগুণ হারে টাকা আদায় করা হচ্ছে ।

আরও পড়ুনঃ বীরগঞ্জে কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নৌকার মাঝিরা চাহিদা মতো টাকা না দিলে শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার হন। প্রতিদিন এই রুটে ছোট বড় ৫০ টি নৌকা বাল্কহেড কয়লা ও চূনাপাথর নিয়ে চলাচল করে। নৌকা গুলো শুল্ক স্টেশন থেকে ছোট ছোট নৌকায় করে বড় বাল্কহেড নৌকা বোঝাই করে ডাম্পের বাজার ও কামালপুর ও শ্রীপুর ঘাট থেকে ছেড়ে আসার পর পাটলাই নদীর মুজরাই গ্রামে খাস সরকারের পক্ষে খাস কালেকশন করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারা ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন কিন্তু সরকারি রসিদে কম টাকা লিখেন।

নৌকার মাঝি ও মালিকদের অভিযোগ ডাম্পের বাজার থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরের মেন্দিয়াতা পর্যন্ত খাস কালেকশন, বিআইডব্লিউআইটিএ ও ইউনিয়ন টোলের আদায়েল নামে অতিরিক্তি টাকা আদায় করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর এস্টেইটের ইজারাদার মোঃ কামরুজ্জামান ও ৩ জন নৌযান মালিক শ্রমিক জানান, স্বাধীনতার ৪০ বছর ধরে শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর এস্টেইটের মাধ্যমে এই ঘাটগুলো থেকে টোল আদায় করে ঐ মন্দির সংকারের পাশাপাশি উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হতো।

কিন্তু স্থানীয় তহশীলদারের মাধ্যমে একটি চক্র সরকারের নামে ইজারার নাম ধরে যেখানে প্রতি নৌকা থেকে ৫০০ শত টাকা হারে টোল আদায়ের কথা সেখানে নৌকা আটকিয়ে মাঝিদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রভারশালীরা ১০ হাজার ২০ হাজার ও ৫ হাজার টাকা হারে টোল আদায়ের নামে চলছে নীরব চাঁদাবাজি। টাকা না দিলে মাঝিদেরকে শারীরিকভাবে মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ তাদের।

এ ব্যাপারে,তাহিরপুর শ্রী শ্রী মদন মোহন দেবোত্তর জিউর এস্টেইটের সেবায়েত রাজন চৌধুর বলেন,আমাদের এই হিন্দু সংঘঠনটি স্বাধীনতার ৪০ বছর ধরে এই ঘাটগুলো থেকে মন্দির সংস্কারের জন্য টোল আদায় করে আসছিলাম। কিন্তু এবার উপজেলা প্রশাসন উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়নের তহশীলদার আশীষ চক্রবতীর মাধ্যমে একটি প্রভাবশালী চক্র আমাদের লেসি কামরুজ্জামানকে ঘাটে টোল আদায় করতে দিচ্ছে না।

তারা সরকারের নিধারিত রেইটে টোল আদায় না করে ২০ হাজার.১০ হাজার ও ৫ হাজার টাকা হারে চাঁদাবাজি করে সরকারের কোষাগারে নামমাত্র টোল জমাকরে বাকি টাকা তারা আত্মসাত করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, এই তহশীলদার ইতিমধ্যে বিপুল টাকা কামিয়ে নিয়েছেন এই ঘাট দুটি হতে। অবলম্বে তার লেসি কামরুজ্জামানকে দেবোত্তরের নামে টোল আদায় করতে অনুমতি প্রদানের জন্য সরকার ও প্রশাসনের নিকট দাবী জানান।

তিনি জানান,এই শ্রীপুর নৌকাঘাট,ডাম্পের বাজার এই দুটি ঘাট হতে এই হিন্দু সংগঠনের মন্দির ও বাড়িঘর সংস্কারের জন্য টোল আদায় করে আসছিলেন বিগত ৪০ বছর ধরে।

কিন্তু এবার তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় শ্রীপুর ইউনিয়ন তহশীলদার আশীষ কুমার চক্রবর্তীর মাধ্যমে একটি প্রভাবশালী চক্র দিয়ে প্রতিদিন প্রতিটি স্ট্রীলবডি নৌকায় করে কয়লা,চুনাপাথর পরিবহনের সময় যেখানে প্রতি বডি থেকে ৫০০ শত টাকা করে টোল আদায়ের কথা সেখানে প্রতি বডি হতে ২০হাজার,১৫ হাজার ৫ ও ১০ হাজার করে নৌকা আটকিয়ে টোলের নামে চাদাঁবাজি করা হচ্ছে। নৌকার মাঝিরা টাকা না দিলে নৌকা আটক করে শ্রমিকদের উপর শারীরিক নির্যাতন ও করা হয় বলে শ্রমিক ও সেবায়েত জানান।

এদিকে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসেম, বলেন অতিরিক্ত টোল আদায়ের নামে কেউ অতিরিক্ত টোল আদায় তা চাঁদাবাজির সামিল। কেউ এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন মামলা জনিত কারণে মহালটি ইজারা দিতে না পারায় সরকার কোটি কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। শ্রীপুর দেবোত্তোর স্টেইটের দায়ের করা উচ্চ আদালতের আদেশে কোথাও বলা হয়নি তাদের খাস কালেকশন করার কথা। সরকার আইন অনুযায়ী খাস কালেকশন করছে। তাহিরপুর উপজেলায় চারটি শুল্ক স্টেশন রয়েছে এসব স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক ভারত থেকে কয়লা চূনাপাথর পরিবহন করে স্টেশনে নিয়ে আসে।


More News Of This Category

মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতেই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। ১৯ জুন(শুক্রবার) সকালে হওয়া এ বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ছুটির দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে। অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।