বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
Headline :
সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সব পদক্ষেপ নেবে সরকার এমপি মিলন দিনাজপুরে উদ্ধার হওয়া ৩২ কেজি ওজনের প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তর ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন

টেকনাফের বাহারছড়া–হোয়াইক্যং পাহাড়ে অপহরণকারী চক্র নির্মূলে যৌথ বাহিনীর অভিযান, একজন গ্রেফতার

Update : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি : কামরুল ইসলাম

কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন বাহারছড়া–হোয়াইক্যং পাহাড়ি এলাকায় অপহরণকারী চক্র নির্মূলের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে অপহরণকারী চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের ব্যবহৃত একাধিক আস্তানা শনাক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর ২০২৫) টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ শিলখালী চৌকিদার পাড়া এলাকা থেকে বাহারছড়া–হোয়াইক্যংয়ের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোঃ আফজাল হোসেন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে টেকনাফ থানা পুলিশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্র, র‍্যাব–১৫, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। যৌথ বাহিনী প্রায় ১৪ কিলোমিটার দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে পাহাড়ি এলাকায় ডাকাত ও অপহরণকারী চক্রের ব্যবহৃত ৩টি ডেরা (আস্তানা) শনাক্ত করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রাইফেলের ৫টি খালি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে—চক্রটি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে অভ্যস্ত এবং এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

অভিযানে অপহরণকারী চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া (৪০) কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাস, অপহরণ ও ডাকাতি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দুর্গম অঞ্চলে অপরাধী চক্রের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ধ্বংস করতেই যৌথ বাহিনীর এই সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত অভিযান চললে পাহাড়ি এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে।


More News Of This Category