সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
লিচু দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, বখাটে যুবক গ্রেফতার। যেসব কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের মান-মর্যাদা। রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে মিঠাপুকুরে ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক রুবিওর দিল্লি সফরে ট্রাম্পের ফোন: ‘ভারত যা চায় তাই পাবে’ — বাংলাদেশ ইস্যুতে কী বোঝাপড়া? মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও দালিলিক প্রমান। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ জিয়ার হ্যাঁ/না ভোটরঙ্গ : ভোটারদের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার। আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ।

চিংড়ি চাষে বিপ্লব আনতে পারে হরিণা চিংড়ি

Update : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
চিংড়ি চাষে বিপ্লব আনতে পারে হরিণা চিংড়ি

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া ,খুলনাঃ

শনিবার ২৮ জুন ২০২৫ সকাল সাড়ে ১০টায় গল্লামারী মৎস্য খামারের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি মো: হাছানুজ্জামান, যুগ্ম সচিব, মৎস্য ও প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয়, বলেন চিংড়ি চাষীদের জন্য নব দিগন্ত উন্মুচোন করতে পারে হরিণা চিংড়ি
উপক’লীয় এলাকার ভাগ্য বদলে দিতে পারে হরিণা চিংড়ি ।

হরিণা চিংড়ি উপক’লীয় এলাকার একটি পরিচিত নাম্। সাধানরত বাগদা চিংড়ির ঘেরে সাথী ফসল হিসেবে এটি উৎপাদন হয় এবং জেলেরা নদী থেকেও এটি আহরণ করে থাকেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপুল কুমার বশাক, কিন্তু এ চিংড়ির একক চাষ করেও লাভবান হওয়া যায় কিনা সেটি নিয়ে গবেষণা করেছেন সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয় থেকে প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ এনামুল কবির। প্রায় এক বছর গবেষণা করার পর আজ এ বিষয়ের উপর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার, খুলনা সদর, খুলনা এ গবেষণা ফলাফলের উপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হলো প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা।

আরও পড়ুনঃ গাবতলীতে প্রতিপক্ষের আগুনে বসতবাড়ী পুড়ে ছাই

মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড। গবেষকগন জানান যে, চিংড়ি চাষীদের জন্য নব দিগন্ত উন্মুচোন করতে পারে হরিণা চিংড়ি। মাত্র ২/৩ মাসে একটি ফসল ঘরে তোলা সম্ভব, সেক্ষেত্রে হরিণা চিংড়ির বছরে অনায়াসে ৩টি ফসল করা সম্ভব এবং এটি বাগদা চিংড়ির থেকে লাভবান ফসল হতে পারে। তারা আরও জানান যে, এ প্রজাতির চিংড়ি অত্যন্ত কষ্ট সহিন্সু এবং রোগে কম আক্রান্ত হয়।

তাই এটি একক চাষের আওতায় আনা গেলে এবং উপক’লীয় ১৬টি জেলায় সেটি ছড়িয়ে দিলে চিংড়ি চাষে বিপ্লব আসবে। গবেষকগন হরিণা চিংড়ির চাষ উপযোগী একটি ইনোভেটিভ খাদ্য তৈরী করেছেন।

কর্মশালায় গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগ, খুলনা। গবেষণা প্রকল্পটিতে ফান্ডিং করেছে মৎস্য অধিদপ্তরের সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট।

উপস্থিত ছিলেন জেলা উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা, সাংবাদিক, হরিণা চিংড়ি চাষী ও সুধীজন।


More News Of This Category