সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
Headline :
ভূরুঙ্গামারীতে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রাজ্জাক গ্রেফতার। কুড়িগ্রামের উলিপুরে ২০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য, ফরে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের শিক্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত: গ্রামের মেঠোপথ থেকে কৃষি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস ও সামাজিক দায়বদ্ধতা,,, যাদুকাটা নদীর বালুমহাল বন্ধে করা রিট পিটিশন মামলা প্রত্যাখান করেছেন হাইকোর্ট। ধর্মপাশায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। ১৬শ’ ৪৭জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মেরিট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সন্তানকে সুশিক্ষিত করতে অভিভাবকদের ভূমিকা অপরিসীম- সফিকুর রহমান সফিক সাতক্ষীরার তালায় ৫ নভেম্বর শান্তি ও আরোগ্যদায়ী সভা দেশে-বিদেশে প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাজ করছে ‘প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সমাজ কল্যাণ পরিষদ।

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ২০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য, ফরে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান,

Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ২০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য, ফরে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান,
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
২রা নভেম্বর,২০২৬ইং

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় প্রায় ২০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সহকারী শিক্ষকরা। ফলে বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলে মোট ২৬৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০টি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য।

এসব বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৩৬ হাজার ২৫০ জন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ১৭ হাজার ১৭৬ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ১৯ হাজার ৭৪ জন।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দ্বিগুণ চাপ সামলাতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের। জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া কতজন শিক্ষক ডেপুটেশনে উপজেলা, জেলা, বিভাগ কিংবা বিভাগের বাইরে কর্মরত আছেন, তার কোনো সঠিক তথ্য শিক্ষা অফিসে নেই। যার ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দিন দিন শিক্ষার মানের বিপর্যয় ঘটছে।

ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লাভলী বেগম জানান, “প্রতিদিন আমাকে তিন থেকে চারটি ক্লাস নিতে হয়। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অতিরিক্ত প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। একদিকে ক্লাসের চাপ, অন্যদিকে প্রশাসনিক কাজ, সব মিলিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।”

মাদারটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ ফারুকী বলেন, “প্রধান শিক্ষক না থাকায় দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি পাঠদানের দ্বিগুণ চাপ সামলাতে হচ্ছে। জরুরি কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যেতে হয়, ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার গুণগত মান কমে যাচ্ছে।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা তোকদার বলেন, সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে ইতোমধ্যে নতুন শিক্ষকরা যোগদান করেছেন। প্রধান শিক্ষক শূন্য পদের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের কাজ চলছে। দ্রুতই এ সংকট কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


More News Of This Category