সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
Headline :
লিচু দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, বখাটে যুবক গ্রেফতার। যেসব কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের মান-মর্যাদা। রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে মিঠাপুকুরে ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক রুবিওর দিল্লি সফরে ট্রাম্পের ফোন: ‘ভারত যা চায় তাই পাবে’ — বাংলাদেশ ইস্যুতে কী বোঝাপড়া? মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও দালিলিক প্রমান। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ জিয়ার হ্যাঁ/না ভোটরঙ্গ : ভোটারদের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার। আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ।

উলিপুরে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

মোঃ রফিকুল ইস্কলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 
Update : রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫

মোঃ রফিকুল ইস্কলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের উলিপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (৫০)–কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৫ জুলাই) রাতে থেতরাই বাজার এলাকায় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, শফিকুল ইসলাম শফিক নিজাই খামার গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন নেতা। তার বিরুদ্ধে দলীয় লিফলেট বিতরণ, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শফিকুল ইসলাম শফিক দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও দাপটমূলক আচরণ করে আসছিলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, তার ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাননি। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, বয়স্ক ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নাম করে বহু মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন।

আরও পড়ুনঃ মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জনাব মোঃ শহীদুল ইসলাম (সবুজ)

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বাকরেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদ জবরদখল করে আর্থিক অনিয়মেও জড়িত ছিলেন শফিক। এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, “তার দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। কথায় কথায় পুলিশ ডাকার হুমকি দিতেন। এলাকার মানুষ শান্তিতে ছিল না।”

স্থানীয় বাসিন্দা ফেরোজা বেগম বলেন, “ওনার গ্রেপ্তারের পর একটু স্বস্তি ফিরে পেয়েছি। এমন মানুষের বিচার হওয়া দরকার।”

এলাকাবাসীর দাবি, শফিকুল ইসলামের সঙ্গে আরও কয়েকজন সক্রিয় ছিল, যারা এখনো এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। তারা তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।


More News Of This Category