সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
Headline :
পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস ও বাইসাইকেল আটক লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা মোঃসেলিম মিয়া গোমস্তাপুরে সড়কের পাশে অটো রাইস মিল নির্মাণ, সড়কে বালু-নির্মাণসামগ্রী—দুর্ঘটনার শঙ্কা মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ কসমেটিক্স-বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ! জুয়েলকে ঘিরে চাঞ্চল্য। তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহন করলেন ডা. নূরুল হক “হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের” কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস নীলফামারীতে ৪ শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণচেষ্টা চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেফতার। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ সিরাজগঞ্জে নাটুয়াপাড়ায় লিও পাম্প বাংলাদেশের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্প সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি মধুপুরে মাদক-জুয়া ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে মতবিনিময় আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

ইডিসিএলে দুর্নীতির অভিযোগ: প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ নিয়োগ-বদলি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আলোচনায় আহসান রেজা

Update : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)-এ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য এবং বিভিন্ন ফান্ডের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান রেজাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহসান রেজার বাড়ি নড়াইল জেলা লোহাগড়া উপজেলায়। বাবার চাকরি সূত্রে তিনি গোপালগঞ্জে বসবাস করতেন। ছাত্রজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কর্মজীবনের শুরুতে গোপালগঞ্জে একটি এনজিওতে মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করার সময় চুরির অভিযোগে চাকরি হারানোর কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তিনি একটি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানে সিম বিক্রির কাজ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগ শাসনামলে গোপালগঞ্জের সন্তান ডা. কদরুল হুদা ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালে আহসান রেজা প্রশাসনিক বিভাগে ম্যানেজার পদে যোগ দেন। পরবর্তীতে বগুড়া, খুলনা ও ঢাকায় বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।

একাধিক সূত্রের দাবি, সে সময়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জগলুল, প্রশাসনিক বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান রেজা, গোপালগঞ্জ প্লান্টের জিএম ইমাম হাসান এবং এমডির পিএস মনিরুজ্জামান—এদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, পিকনিক ও ক্রীড়া ফান্ডসহ বিভিন্ন খাতের অর্থ অপব্যবহার করা হয় এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর সাবেক এমডি ডা. জগলুল ও জিএম আহসান রেজার বিরুদ্ধে প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা দায়ের হয়। ৬ আগস্ট এমডি ডা. জগলুলের নির্দেশে প্রশাসনিক বিভাগ থেকে শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করার তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এতে আওয়ামী লীগ শাসনামলে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ৭০০ জন কর্মীর চাকরি বাতিল করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরবর্তীতে ডা. জগলুল দেশ ত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেলে আহসান রেজা অবসরে যান। বর্তমানে তার অবসরভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি সংক্রান্ত অর্থ স্থগিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। অভিযোগে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে ঢাকায় একটি ও গোপালগঞ্জে দুটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে।

ইডিসিএলের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ এই অভিযোগগুলোর দৃশ্যমান বিচার দাবি করেছেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।

এদিকে বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সামাদ মৃধা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন বলে ইডিসিএল সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো তদন্তসাপেক্ষ এবং আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অনেকে।


More News Of This Category